ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আবেদন পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী গণভোটের রায় মেনে নিন, না হলে করুণ পরিণতি হবে: গোলাম পরওয়ার আগামী শিক্ষাবর্ষে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া জোরদার হচ্ছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

সেনেগালকে বিদায় করে নকআউটে কলম্বিয়া

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে সেনেগালের দরকার ছিল ড্র, কলম্বিয়ার জয়। সেই লক্ষ্য স্পর্শ করতে পারল না সেনেগালিজরা। তবে ঠিকই পারল কলম্বিয়ানরা। সাদিও মানেদের বিদায় করে পরের পর্বে উঠে গেল তারা। আফ্রিকার ফুটবল পরাশক্তিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে রাদামেল ফ্যালকাওরা। জয়সূচক গোলটি করেন ইয়েরি মিনা।

ম্যাচে আক্রমণাত্মক শুরু করে সেনেগাল। ১৭ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে ওঠে দলটি। তবে ডি বক্সে সাদিও মানেকে ফাউল করে সেই আক্রমণ থামান কলম্বিয়ার রক্ষণসেনারা। এতে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তবে কলম্বিয়ানরা আবেদন করলে ভিএআরের সহায়তায় তা বাতিল করতে বাধ্য হন তিনি।

২৫ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুয়েন্তেরোর ফ্রি কিক থেকে গোল আদায় করতে পারেননি ফ্যালকাও। ২৭ মিনিটে কাইতার শট রুখে দেন গোলরক্ষক ওস্পানিয়া। এরপর বড় ধরনের ধাক্কা খায় ল্যাতিন আমেরিকার দেশটি। ৩১ মিনিটে ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন দলের প্রধান খেলোয়াড় হামেস রদ্রিগেজ। ৩৭ মিনিটে সানের দুর্দান্ত ফ্রিক একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর আর কোনো আক্রমণ না হলে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুদল।

বিরতির পর গোল পেতে মরিয়া আক্রমণ চালায় কলম্বিয়া। মুহুর্মহু আক্রমণে সেনেগালকে ব্যতিব্যস্ত রাখে দলটি। তবে গোলমুখ খুলছিল না। অবশেষে তারা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায় ৭৫ মিনিটে। আরো একবার ল্যাতিন দলটির নায়ক ইয়েরি মিনা। কুয়েন্তেরোর বাড়ানো ক্রসে দুর্দান্ত হেডে বল ঠিকানায় পাঠান তিনি।

পরে শত চেষ্টা করেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি সেনেগাল। শেষ পর্যন্ত ১- ০ গোলে হেরে বিশ্বকাপে সলিলসমাধি ঘটে মুসলিম অধ্যুষিত দেশটির।

অপর ম্যাচে পোল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে জাপান। ফলে সেনেগাল-জাপানের পয়েন্ট হয় সমান ৪। হেড টু হেড এবং গোল ব্যবধানও ছিল সমান। তবে ফেয়ার প্লে অনুযায়ী, জাপানিজদের চেয়ে বেশি হলুদ কার্ড পাওয়ায় বিদায় নিতে হলো সেনেগালিজদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

১২ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩৬.৫ শতাংশ বৃদ্ধি

সেনেগালকে বিদায় করে নকআউটে কলম্বিয়া

আপডেট সময় ০৯:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে সেনেগালের দরকার ছিল ড্র, কলম্বিয়ার জয়। সেই লক্ষ্য স্পর্শ করতে পারল না সেনেগালিজরা। তবে ঠিকই পারল কলম্বিয়ানরা। সাদিও মানেদের বিদায় করে পরের পর্বে উঠে গেল তারা। আফ্রিকার ফুটবল পরাশক্তিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে রাদামেল ফ্যালকাওরা। জয়সূচক গোলটি করেন ইয়েরি মিনা।

ম্যাচে আক্রমণাত্মক শুরু করে সেনেগাল। ১৭ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে ওঠে দলটি। তবে ডি বক্সে সাদিও মানেকে ফাউল করে সেই আক্রমণ থামান কলম্বিয়ার রক্ষণসেনারা। এতে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তবে কলম্বিয়ানরা আবেদন করলে ভিএআরের সহায়তায় তা বাতিল করতে বাধ্য হন তিনি।

২৫ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুয়েন্তেরোর ফ্রি কিক থেকে গোল আদায় করতে পারেননি ফ্যালকাও। ২৭ মিনিটে কাইতার শট রুখে দেন গোলরক্ষক ওস্পানিয়া। এরপর বড় ধরনের ধাক্কা খায় ল্যাতিন আমেরিকার দেশটি। ৩১ মিনিটে ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন দলের প্রধান খেলোয়াড় হামেস রদ্রিগেজ। ৩৭ মিনিটে সানের দুর্দান্ত ফ্রিক একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর আর কোনো আক্রমণ না হলে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুদল।

বিরতির পর গোল পেতে মরিয়া আক্রমণ চালায় কলম্বিয়া। মুহুর্মহু আক্রমণে সেনেগালকে ব্যতিব্যস্ত রাখে দলটি। তবে গোলমুখ খুলছিল না। অবশেষে তারা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায় ৭৫ মিনিটে। আরো একবার ল্যাতিন দলটির নায়ক ইয়েরি মিনা। কুয়েন্তেরোর বাড়ানো ক্রসে দুর্দান্ত হেডে বল ঠিকানায় পাঠান তিনি।

পরে শত চেষ্টা করেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি সেনেগাল। শেষ পর্যন্ত ১- ০ গোলে হেরে বিশ্বকাপে সলিলসমাধি ঘটে মুসলিম অধ্যুষিত দেশটির।

অপর ম্যাচে পোল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে জাপান। ফলে সেনেগাল-জাপানের পয়েন্ট হয় সমান ৪। হেড টু হেড এবং গোল ব্যবধানও ছিল সমান। তবে ফেয়ার প্লে অনুযায়ী, জাপানিজদের চেয়ে বেশি হলুদ কার্ড পাওয়ায় বিদায় নিতে হলো সেনেগালিজদের।