ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফতুল্লায় চিরকুটে চারজনকে দায়ী করে নারী শ্রমিকের আত্মহত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চিরকুটে স্বামীসহ চারজনকে দায়ী করে খাদিজা আক্তার(২৫) নামে এক নারী শ্রমিক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার রাত ১১ টায় ফতুল্লার শিহাচর নূর মসজিদ সংলগ্ন মিলন মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে খাদিজার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এসময় লাশের পাশ থেকে হাতে লিখা চার পাতার একটি চিরকুট জব্দ করে পুলিশ। খাদিজা ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া মনসুরের স্ত্রী এবং একই এলাকার নজরুল মিয়ার টুপি কারখানার নারী শ্রমিক।

চিরকুটে উল্লেখ করা হয়, তার মৃত্যুর জন্য তার স্বামী মনসুর, কারখানার মালিক নজরুল, সহকর্মী মোফাজ্জল ও নাজমা দায়ী।

খাদিজা লিখেছেন, তিনি তার স্বামী মনসুরকে অনেক ভালোবাসতেন। কাজকর্ম নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা হয়। এরপর তার স্বামী মনসুর অন্যত্রে চলে যায়।

বুঝিয়ে মনসুরকে কাছে আনতে না পেরে মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছেন জানিয়ে তিনি চিরকুটে লিখেছেন, “আমি ভালোবাসি বলে অপরাধ। আমি ওদের চার জনের বিচার চাই। এটা আমার অনুরোধ। কেনো আমাকে এভাবে মরতে হলো।”

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, লাশ ও চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তাৎক্ষণিক নিহতের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতের স্বামী মনসুরকে খবর দেয়া হয়েছে। সে কামরাঙ্গিরচর এলাকায় কাজ করে। চিরকুটের বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফতুল্লায় চিরকুটে চারজনকে দায়ী করে নারী শ্রমিকের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১২:৫৫:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চিরকুটে স্বামীসহ চারজনকে দায়ী করে খাদিজা আক্তার(২৫) নামে এক নারী শ্রমিক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার রাত ১১ টায় ফতুল্লার শিহাচর নূর মসজিদ সংলগ্ন মিলন মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে খাদিজার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এসময় লাশের পাশ থেকে হাতে লিখা চার পাতার একটি চিরকুট জব্দ করে পুলিশ। খাদিজা ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া মনসুরের স্ত্রী এবং একই এলাকার নজরুল মিয়ার টুপি কারখানার নারী শ্রমিক।

চিরকুটে উল্লেখ করা হয়, তার মৃত্যুর জন্য তার স্বামী মনসুর, কারখানার মালিক নজরুল, সহকর্মী মোফাজ্জল ও নাজমা দায়ী।

খাদিজা লিখেছেন, তিনি তার স্বামী মনসুরকে অনেক ভালোবাসতেন। কাজকর্ম নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা হয়। এরপর তার স্বামী মনসুর অন্যত্রে চলে যায়।

বুঝিয়ে মনসুরকে কাছে আনতে না পেরে মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছেন জানিয়ে তিনি চিরকুটে লিখেছেন, “আমি ভালোবাসি বলে অপরাধ। আমি ওদের চার জনের বিচার চাই। এটা আমার অনুরোধ। কেনো আমাকে এভাবে মরতে হলো।”

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, লাশ ও চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তাৎক্ষণিক নিহতের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতের স্বামী মনসুরকে খবর দেয়া হয়েছে। সে কামরাঙ্গিরচর এলাকায় কাজ করে। চিরকুটের বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।