ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডিআইজি সোহরাব হোসেনের জানাযা অনুষ্ঠিত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. সোহরাব হোসেনের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৪ মে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। আজ শনিবার (১২ মে) বাদ আসর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযায় বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, সরকারের সচিব, সাবেক আইজিপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ঢাকা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান, পুলিশ সদস্য এবং মরহুমের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব উপস্থিত ছিলেন।

জানাযা শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব (পুলিশ), বাংলাদেশ পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা তার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

প্রয়াত সোহরাব হোসেনের এক ছেলে ও এক মেয়ে বিদেশ থাকায় তার মরদেহ বারডেম হাসাপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। আগামী ১৪ মে লালমনিরহাটে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

শনিবার সকালে বুকে ব্যাথা উঠলে তাকে রমনা অফিসার্স কোয়াটার থেকে সোহরাব হোসেনকে সিদ্ধেশ্বরীর মনোয়ারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে ১৯৮৬ সালে এএসপি হিসেবে যোগদান করেন। তার গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার সদর থানার কিং বিদ্যাবাগিস গ্রামে।

তিনি কর্মজীবনে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার, সিআইডি’র ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপার হিসেবে শরীয়তপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, নড়াইল, রাজবাড়ী ও বরিশালে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মোজাম্বিক ও বসনিয়ার দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানে অসামান্য কর্মজীবনের জন্য জাতিসংঘের শান্তি পুরস্কারও সোহরাব হোসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ডিআইজি সোহরাব হোসেনের জানাযা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৮:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. সোহরাব হোসেনের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৪ মে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। আজ শনিবার (১২ মে) বাদ আসর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযায় বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, সরকারের সচিব, সাবেক আইজিপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ঢাকা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান, পুলিশ সদস্য এবং মরহুমের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব উপস্থিত ছিলেন।

জানাযা শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব (পুলিশ), বাংলাদেশ পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা তার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

প্রয়াত সোহরাব হোসেনের এক ছেলে ও এক মেয়ে বিদেশ থাকায় তার মরদেহ বারডেম হাসাপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। আগামী ১৪ মে লালমনিরহাটে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

শনিবার সকালে বুকে ব্যাথা উঠলে তাকে রমনা অফিসার্স কোয়াটার থেকে সোহরাব হোসেনকে সিদ্ধেশ্বরীর মনোয়ারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে ১৯৮৬ সালে এএসপি হিসেবে যোগদান করেন। তার গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার সদর থানার কিং বিদ্যাবাগিস গ্রামে।

তিনি কর্মজীবনে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার, সিআইডি’র ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপার হিসেবে শরীয়তপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, নড়াইল, রাজবাড়ী ও বরিশালে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মোজাম্বিক ও বসনিয়ার দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানে অসামান্য কর্মজীবনের জন্য জাতিসংঘের শান্তি পুরস্কারও সোহরাব হোসেন।