অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. সোহরাব হোসেনের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৪ মে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। আজ শনিবার (১২ মে) বাদ আসর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাযায় বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, সরকারের সচিব, সাবেক আইজিপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ঢাকা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান, পুলিশ সদস্য এবং মরহুমের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব উপস্থিত ছিলেন।
জানাযা শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব (পুলিশ), বাংলাদেশ পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা তার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
প্রয়াত সোহরাব হোসেনের এক ছেলে ও এক মেয়ে বিদেশ থাকায় তার মরদেহ বারডেম হাসাপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। আগামী ১৪ মে লালমনিরহাটে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
শনিবার সকালে বুকে ব্যাথা উঠলে তাকে রমনা অফিসার্স কোয়াটার থেকে সোহরাব হোসেনকে সিদ্ধেশ্বরীর মনোয়ারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তিনি বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে ১৯৮৬ সালে এএসপি হিসেবে যোগদান করেন। তার গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার সদর থানার কিং বিদ্যাবাগিস গ্রামে।
তিনি কর্মজীবনে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার, সিআইডি’র ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপার হিসেবে শরীয়তপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, নড়াইল, রাজবাড়ী ও বরিশালে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মোজাম্বিক ও বসনিয়ার দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানে অসামান্য কর্মজীবনের জন্য জাতিসংঘের শান্তি পুরস্কারও সোহরাব হোসেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















