ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

আমার কথায় গোসসার কী আছে, এটাই বাস্তবতা: হানিফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে থাকবেন, জনগণ ততদিন আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনার বিষয়ে বক্তব্যে বিএনপির ‘গোসসা’র কারণ জানতে চেয়েছেন মাহবুবউল আলম হানিফ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমার এমন বক্তব্যে বিএনপি নেতারা গোসসা করেছেন। এতে গোসসা হওয়ার কী আছে? এটাই তো বাস্তবতা।’

বৃহস্পতিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে মে দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের আলোচনা সভায় যোগ দেন হানিফ।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিশ্বের নানা জরিপে ওঠে এসেছে শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় নেতা, আওয়ামী লীগ জনপ্রিয় দল। তাহলে বাংলার জনগণ শেখ হাসিনাকে ভোট না দিয়ে কি দুর্নীতিবাজ ও এতিমের টাকা আত্মতাৎকারী নেত্রীকে ভোট দেবে?’।

গত ২৫ এপ্রিল রাজধানীতে এক আলোচনায় হানিফ বলেন, ‘খালেদা জিয়ার দুর্নীতি-হত্যার রাজনীতি এ দেশের জনগণ আর চায় না। জননেত্রী শেখ হাসিনা যতদিন জীবিত আছেন, ততদিন পর্যন্ত জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকবে, জননেত্রী শেখ হাসিনা ততদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।’

হানিফের এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে বিএনপির পক্ষ থেকে। দলের নেতারা বলছেন, এই বক্তব্য গণতান্ত্রিক নয়।

জবাবে হানিফ বলেন, ‘কে আছে শেখ হাসিনা ছাড়া? শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা যতদিন জীবিত আছেন, বাংলার মানুষ বার বার ভোট দিয়ে তাকে ক্ষমতায় আনবে। এতে গোসসা হওয়ার কী আছে?’

তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা দলের বিষয়, এ নিয়ে কে কী বলল তাতে কিছু যায় আসে না- বিএনপির এমন বক্তব্য নিয়েও কথা বলেন হানিফ। বলেন, ‘অন্যের কিছু যায় আসে না ঠিক, কিন্তু আপনারা কোন নৈতিকতার বলে জনগণের কাছে ভোট চাইতে যাবেন? কোন লজ্জায় এই নেতৃত্ব নিয়ে বাংলার জনগণের কাছে আসতে চান?’

‘এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী নেত্রী ও দুর্নীতিবাজ নেতাকে বাংলার মানুষ আর কখনো ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সে কারণে বিএনপি থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাহলে শেখ হাসিনা ছাড়া আর বাকি থাকল কি?’।

খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপি অতীতের মতো মিথ্যাচার করছে অভিযোগ করে হানিফ বলেন, ‘তারা বলছে, পুলিশ তাদের নেতাকর্মীদের ধরপাকড় করছে। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকে অভিযোগ আছে, যারা আসামি, তাদের নির্বাচনে কাজ করার সুযোগ নেই।’

‘আপনারা নির্বাচনের দোহাই দিয়ে দাগী আসামিদের আবারও নির্বাচনী মাঠে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে সেটা করতে দেয়া হবে না। তাদের দেখা মাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আইনের আওতায় আনবে।’

‘আমাদের কাছে খবর আছে, বিএনপি বরিশালের কিছু দাগী আসামি খুলনায় নিয়ে এসেছে নির্বাচনী কাজের জন্য। গাজীপুরেও কিছু আসামিকে নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে।’

‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলব, এদের দেখা মাত্র ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো আসামির নির্বাচনী কাজে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের সভাপতি শামসুল আলম বকুলের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের আরেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান, শ্রম সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

আমার কথায় গোসসার কী আছে, এটাই বাস্তবতা: হানিফ

আপডেট সময় ১১:০১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে থাকবেন, জনগণ ততদিন আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনার বিষয়ে বক্তব্যে বিএনপির ‘গোসসা’র কারণ জানতে চেয়েছেন মাহবুবউল আলম হানিফ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমার এমন বক্তব্যে বিএনপি নেতারা গোসসা করেছেন। এতে গোসসা হওয়ার কী আছে? এটাই তো বাস্তবতা।’

বৃহস্পতিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে মে দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের আলোচনা সভায় যোগ দেন হানিফ।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিশ্বের নানা জরিপে ওঠে এসেছে শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় নেতা, আওয়ামী লীগ জনপ্রিয় দল। তাহলে বাংলার জনগণ শেখ হাসিনাকে ভোট না দিয়ে কি দুর্নীতিবাজ ও এতিমের টাকা আত্মতাৎকারী নেত্রীকে ভোট দেবে?’।

গত ২৫ এপ্রিল রাজধানীতে এক আলোচনায় হানিফ বলেন, ‘খালেদা জিয়ার দুর্নীতি-হত্যার রাজনীতি এ দেশের জনগণ আর চায় না। জননেত্রী শেখ হাসিনা যতদিন জীবিত আছেন, ততদিন পর্যন্ত জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকবে, জননেত্রী শেখ হাসিনা ততদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।’

হানিফের এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে বিএনপির পক্ষ থেকে। দলের নেতারা বলছেন, এই বক্তব্য গণতান্ত্রিক নয়।

জবাবে হানিফ বলেন, ‘কে আছে শেখ হাসিনা ছাড়া? শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা যতদিন জীবিত আছেন, বাংলার মানুষ বার বার ভোট দিয়ে তাকে ক্ষমতায় আনবে। এতে গোসসা হওয়ার কী আছে?’

তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা দলের বিষয়, এ নিয়ে কে কী বলল তাতে কিছু যায় আসে না- বিএনপির এমন বক্তব্য নিয়েও কথা বলেন হানিফ। বলেন, ‘অন্যের কিছু যায় আসে না ঠিক, কিন্তু আপনারা কোন নৈতিকতার বলে জনগণের কাছে ভোট চাইতে যাবেন? কোন লজ্জায় এই নেতৃত্ব নিয়ে বাংলার জনগণের কাছে আসতে চান?’

‘এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী নেত্রী ও দুর্নীতিবাজ নেতাকে বাংলার মানুষ আর কখনো ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সে কারণে বিএনপি থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাহলে শেখ হাসিনা ছাড়া আর বাকি থাকল কি?’।

খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপি অতীতের মতো মিথ্যাচার করছে অভিযোগ করে হানিফ বলেন, ‘তারা বলছে, পুলিশ তাদের নেতাকর্মীদের ধরপাকড় করছে। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকে অভিযোগ আছে, যারা আসামি, তাদের নির্বাচনে কাজ করার সুযোগ নেই।’

‘আপনারা নির্বাচনের দোহাই দিয়ে দাগী আসামিদের আবারও নির্বাচনী মাঠে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে সেটা করতে দেয়া হবে না। তাদের দেখা মাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আইনের আওতায় আনবে।’

‘আমাদের কাছে খবর আছে, বিএনপি বরিশালের কিছু দাগী আসামি খুলনায় নিয়ে এসেছে নির্বাচনী কাজের জন্য। গাজীপুরেও কিছু আসামিকে নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে।’

‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলব, এদের দেখা মাত্র ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো আসামির নির্বাচনী কাজে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের সভাপতি শামসুল আলম বকুলের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের আরেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান, শ্রম সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।’