ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল সংবিধান সংশোধন: প্রতিশ্রুতি ছাড়া কমিটিতে থাকতে চায় না জামায়াত পশ্চিমবঙ্গে জোট নয়; ‘একলা লড়াই’র ডাক রাহুল গান্ধীর বিশেষায়িত ইউনিটে জনবল বৃদ্ধি চায় পুলিশ পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৮ সেনা নিহত হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে: ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে ২০২৪ সালেই প্রশ্ন তুলেছিলাম: তাসনিম জারা পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান কৃষক কার্ডে ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা: চিফ হুইপ

আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বর্তমানগুলোর মান নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অনুমোদন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় দুইটি হলো- বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহ মাখদুম ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়।

এর আগে দেশে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল একশ। যার মধ্যে গত সপ্তাহে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল দুইটি। এ নিয়ে অনুমোদন পাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০২।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র মতে, অনুমোদিত বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়টি বান্দরবান শহরে স্থাপন করা হবে। এটির উদ্যোক্তা বান্দরবানের এমপি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তবে তার সঙ্গে বান্দরবানের কয়েকজন ব্যবসায়ীও রয়েছেন।

অন্যদিকে রাজশাহী শহরে স্থাপন করা হবে শাহ মাখদুম ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী এবিএম মুকসুল হক এটির উদ্যোক্তা। তার সঙ্গে এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে রাজশাহীর একজন এমপির পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে চলতি মাসে আরও দুইটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয় সরকার। সে দুই বিশ্ববিদ্যালয় হলো- খুলনায় ‘খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়’ ও রাজশাহীতে ‘আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’। দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা আহছানিয়া মিশনের চেয়ারম্যান কাজী রফিকুল আলম। ‘আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’নামের আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন রয়েছে তার নামে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতিতে এবং একই আইনের ৭ এর ১ ও ২ ধারা অনুযায়ী ২৩টি শর্তে ২৩টি শর্তে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় দুটি প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি সেগুলোর বিরুদ্ধে শিক্ষা বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে সরকার ছয় দফা সময় দিলেও এখন পর্যন্ত ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয় সে শর্ত পূরণ পারেনি।

অন্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, কমপক্ষে তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, ছাত্রছাত্রীদের জন্য কমনরুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকতে হবে। পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো বিভাগ খোলা যাবে না।

এ ছাড়া প্রতিটি বিভাগে শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পূর্ণকালীন শিক্ষক থাকতে হবে। আচার্যের (রাষ্ট্রপতি) পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা যাবে না। আরোপিত শর্তগুলো ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘মৃত্যু নিয়ে এমন ব্যবসা ঠিক না’, কারিনার মৃত্যুর গুজবে কায়সার হামিদের ক্ষোভ

আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন

আপডেট সময় ০৬:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বর্তমানগুলোর মান নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অনুমোদন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় দুইটি হলো- বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহ মাখদুম ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়।

এর আগে দেশে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল একশ। যার মধ্যে গত সপ্তাহে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল দুইটি। এ নিয়ে অনুমোদন পাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০২।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র মতে, অনুমোদিত বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়টি বান্দরবান শহরে স্থাপন করা হবে। এটির উদ্যোক্তা বান্দরবানের এমপি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তবে তার সঙ্গে বান্দরবানের কয়েকজন ব্যবসায়ীও রয়েছেন।

অন্যদিকে রাজশাহী শহরে স্থাপন করা হবে শাহ মাখদুম ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী এবিএম মুকসুল হক এটির উদ্যোক্তা। তার সঙ্গে এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে রাজশাহীর একজন এমপির পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে চলতি মাসে আরও দুইটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয় সরকার। সে দুই বিশ্ববিদ্যালয় হলো- খুলনায় ‘খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়’ ও রাজশাহীতে ‘আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’। দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা আহছানিয়া মিশনের চেয়ারম্যান কাজী রফিকুল আলম। ‘আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’নামের আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন রয়েছে তার নামে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতিতে এবং একই আইনের ৭ এর ১ ও ২ ধারা অনুযায়ী ২৩টি শর্তে ২৩টি শর্তে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় দুটি প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি সেগুলোর বিরুদ্ধে শিক্ষা বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে সরকার ছয় দফা সময় দিলেও এখন পর্যন্ত ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয় সে শর্ত পূরণ পারেনি।

অন্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, কমপক্ষে তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, ছাত্রছাত্রীদের জন্য কমনরুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকতে হবে। পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো বিভাগ খোলা যাবে না।

এ ছাড়া প্রতিটি বিভাগে শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পূর্ণকালীন শিক্ষক থাকতে হবে। আচার্যের (রাষ্ট্রপতি) পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা যাবে না। আরোপিত শর্তগুলো ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে।