ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল সংবিধান সংশোধন: প্রতিশ্রুতি ছাড়া কমিটিতে থাকতে চায় না জামায়াত পশ্চিমবঙ্গে জোট নয়; ‘একলা লড়াই’র ডাক রাহুল গান্ধীর বিশেষায়িত ইউনিটে জনবল বৃদ্ধি চায় পুলিশ পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৮ সেনা নিহত হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে: ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে ২০২৪ সালেই প্রশ্ন তুলেছিলাম: তাসনিম জারা পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান কৃষক কার্ডে ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা: চিফ হুইপ

পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরিতে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম: শিক্ষামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আলোকিত নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই। মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরিতে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘আলোকিত প্রজন্মের জন্য সৃজনশীল বই পড়ার গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সেকেন্ডারি এডুকেশন এনহান্সমেন্ট (সেকায়েপ) প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১০ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে ২৫০টি উপজেলায় ১২ হাজার ১১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৭ পর্যন্ত ৮৩ লাখ ছাত্রছাত্রী বই পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

স্কুল-মাদরাসার লাইব্রেরিগুলোতে ৩৫ লাখ ৬৭ হাজার বই দেওয়া হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে আরো ৪৫ লাখ ৪৩ হাজার কপি বই বিজয়ী পাঠকদের দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় ২৫০টি উপজেলার ১৪ হাজার সহকারী লাইব্রেরিয়ান/সহকারী শিক্ষককে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই পড়া কর্মসূচি পরিচালনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ছাত্রছাত্রীদের বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বই দিবস উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বইপড়া কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রায় ১০ হাজার উদ্বুদ্ধকরণ সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া লাইব্রেরি উন্নয়নের পরিকল্পনাসহ দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ এবং বইপড়ার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সচিব মো. মনজুর হোসেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কো-টিম লিডার শরীফ মো. মাসুদ ও টিভি ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মান্নান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘মৃত্যু নিয়ে এমন ব্যবসা ঠিক না’, কারিনার মৃত্যুর গুজবে কায়সার হামিদের ক্ষোভ

পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরিতে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আলোকিত নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই। মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরিতে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘আলোকিত প্রজন্মের জন্য সৃজনশীল বই পড়ার গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সেকেন্ডারি এডুকেশন এনহান্সমেন্ট (সেকায়েপ) প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১০ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে ২৫০টি উপজেলায় ১২ হাজার ১১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৭ পর্যন্ত ৮৩ লাখ ছাত্রছাত্রী বই পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

স্কুল-মাদরাসার লাইব্রেরিগুলোতে ৩৫ লাখ ৬৭ হাজার বই দেওয়া হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে আরো ৪৫ লাখ ৪৩ হাজার কপি বই বিজয়ী পাঠকদের দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় ২৫০টি উপজেলার ১৪ হাজার সহকারী লাইব্রেরিয়ান/সহকারী শিক্ষককে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই পড়া কর্মসূচি পরিচালনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ছাত্রছাত্রীদের বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বই দিবস উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বইপড়া কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রায় ১০ হাজার উদ্বুদ্ধকরণ সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া লাইব্রেরি উন্নয়নের পরিকল্পনাসহ দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ এবং বইপড়ার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সচিব মো. মনজুর হোসেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কো-টিম লিডার শরীফ মো. মাসুদ ও টিভি ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মান্নান।