ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নির্মাণ শ্রমিকের কাজে নেমেছেন নিষিদ্ধ ডেভিড ওয়ার্নার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

এই তো কয়দিন আগেও রাজার মতো জীবন ছিল তার। টাকা-তারকাখ্যাতি কোনটা ছিল না? কথা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষেই ভারতের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবেন। কিন্তু ওই সফরেই বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি করে এক বছর নিষিদ্ধ হয়েছেন। সেই সঙ্গে খেলা হয়নি আইপিএলে। গচ্চা গেছে ১২ কোটি রুপি। স্পনসররাও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এমন অবস্থায় মজুরের বেশে দেখা দিলেন সাবেক অজি সহ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।

না, ওয়ার্নার টাকার অভাবে নির্মাণশ্রমিকের কাজ করছেন না। আসলে তার সময় কাটছে না। আইপিএলের চলতি একাদশ আসরে সাকিবদের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দিয়ে আরেকটি ট্রফি জেতানোর টার্গেট ছিল তার। কিন্তু এ বছর অন্তত সেটা হচ্ছে না। তাই নিজেকে ব্যস্ত রাখতে অন্য উপায় খুঁজে নিয়েছেন ওয়ার্নার। হয়েছেন শখের নির্মাণশ্রমিক! যে কারণে ব্যাটের বদলে তার হাতে শোভা পাচ্ছে ড্রিল মেশিন আর হেলমেটের বদলে শ্রমিকদের হ্যাট।

আসলে নিজের নির্মাণাধীন বাড়ির পেছনেই এই শ্রম দিচ্ছেন ওয়ার্নার। প্রায় ১ কোটি ডলারের বাড়িটা ওয়ার্নাররা বানাচ্ছেন লারলাইন উপসাগরমুখী একটি জমিতে। ২০১৫ সালে ৪০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলারে এই ব্যয়বহুল অঞ্চলে জমি কিনেছিলেন ওয়ার্নার। হঠাৎ পাওয়া ‘অবসর’ সময়টা তাই স্বপ্নের বাড়ি বানাতে ব্যয় করছেন তিনি। স্বামীর এসব কর্মকাণ্ডের তথ্য সোশ্যাল সাইটে প্রকাশ করেছেন স্ত্রী ক্যান্ডিস ওয়ার্নার।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সিডনির সমুদ্রতীরবর্তী একটি ম্যানশনে ড্রিল নিয়ে কাজ করছেন ওয়ার্নার। প্রকল্প পরিচালক ও তারকা শিক্ষানবিশ তিনটি হ্যাশট্যাগও লাগিয়েছেন ক্যান্ডিস। তাকে উৎসাহ দিতে পুরো পরিবারই অবশ্য হাজির হয়েছে নির্মাণাধীন বাড়িতে। হার্ড হ্যাট পরা দুই কন্যা আইভি মে ও ইন্ডিরের ছবি পোস্ট করে ক্যান্ডিস লিখেছেন, ‘মিষ্টি মেয়ে দুটি আজ সকালে তাদের ভবিষ্যত শোয়ার ঘরের অবস্থা দেখতে এসেছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নির্মাণ শ্রমিকের কাজে নেমেছেন নিষিদ্ধ ডেভিড ওয়ার্নার

আপডেট সময় ০৯:০৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

এই তো কয়দিন আগেও রাজার মতো জীবন ছিল তার। টাকা-তারকাখ্যাতি কোনটা ছিল না? কথা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষেই ভারতের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবেন। কিন্তু ওই সফরেই বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি করে এক বছর নিষিদ্ধ হয়েছেন। সেই সঙ্গে খেলা হয়নি আইপিএলে। গচ্চা গেছে ১২ কোটি রুপি। স্পনসররাও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এমন অবস্থায় মজুরের বেশে দেখা দিলেন সাবেক অজি সহ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।

না, ওয়ার্নার টাকার অভাবে নির্মাণশ্রমিকের কাজ করছেন না। আসলে তার সময় কাটছে না। আইপিএলের চলতি একাদশ আসরে সাকিবদের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দিয়ে আরেকটি ট্রফি জেতানোর টার্গেট ছিল তার। কিন্তু এ বছর অন্তত সেটা হচ্ছে না। তাই নিজেকে ব্যস্ত রাখতে অন্য উপায় খুঁজে নিয়েছেন ওয়ার্নার। হয়েছেন শখের নির্মাণশ্রমিক! যে কারণে ব্যাটের বদলে তার হাতে শোভা পাচ্ছে ড্রিল মেশিন আর হেলমেটের বদলে শ্রমিকদের হ্যাট।

আসলে নিজের নির্মাণাধীন বাড়ির পেছনেই এই শ্রম দিচ্ছেন ওয়ার্নার। প্রায় ১ কোটি ডলারের বাড়িটা ওয়ার্নাররা বানাচ্ছেন লারলাইন উপসাগরমুখী একটি জমিতে। ২০১৫ সালে ৪০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলারে এই ব্যয়বহুল অঞ্চলে জমি কিনেছিলেন ওয়ার্নার। হঠাৎ পাওয়া ‘অবসর’ সময়টা তাই স্বপ্নের বাড়ি বানাতে ব্যয় করছেন তিনি। স্বামীর এসব কর্মকাণ্ডের তথ্য সোশ্যাল সাইটে প্রকাশ করেছেন স্ত্রী ক্যান্ডিস ওয়ার্নার।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সিডনির সমুদ্রতীরবর্তী একটি ম্যানশনে ড্রিল নিয়ে কাজ করছেন ওয়ার্নার। প্রকল্প পরিচালক ও তারকা শিক্ষানবিশ তিনটি হ্যাশট্যাগও লাগিয়েছেন ক্যান্ডিস। তাকে উৎসাহ দিতে পুরো পরিবারই অবশ্য হাজির হয়েছে নির্মাণাধীন বাড়িতে। হার্ড হ্যাট পরা দুই কন্যা আইভি মে ও ইন্ডিরের ছবি পোস্ট করে ক্যান্ডিস লিখেছেন, ‘মিষ্টি মেয়ে দুটি আজ সকালে তাদের ভবিষ্যত শোয়ার ঘরের অবস্থা দেখতে এসেছে।’