ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

দুই মাস ধরে পরিকল্পনা, হত্যার পর আলমারিতে লাশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ দুই মাস ধরে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিককে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন তার স্ত্রী স্নিগ্ধা ও তার প্রেমিক কামরুল মাস্টার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগে থেকেই তাজহাট মোল্লাপাড়ার দুই কিশোরের সহযোগিতায় ২৮ মার্চ একটি নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে গর্ত করে রাখেন তারা। পর দিন রথীশ চন্দ্রের খাবারের সঙ্গে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ান তারা। এর পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে স্নিগ্ধা ও কামরুল হত্যা করেন রথীশ চন্দ্রকে।

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে হত্যার পুরো ঘটনা এভাবেই বর্ণনা করেছেন স্নিগ্ধা।

স্নিগ্ধা আরও জানান, হত্যার পর লাশ বাড়ির আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখেন তারা। এর পর আলমারি পরিবর্তনের কথা বলে তা নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ির অদূরে তাজহাট মোল্লাপাড়ার সেই নির্মাণাধীন ভবনে, যেখানে আগে থেকেই গর্ত করে রাখা হয়েছিল। পরে সেই গর্তেই লাশ পুঁতে ফেলেন তারা।

খুনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্নিগ্ধা ও দুই কিশোর র‍্যাব ১৩-এর হেফাজতে আছেন। আর স্নিগ্ধার প্রেমিক কামরুল মাস্টার পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্ত্রী স্নিগ্ধাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের তাজহাটের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দুই মাস ধরে পরিকল্পনা, হত্যার পর আলমারিতে লাশ

আপডেট সময় ০৩:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ দুই মাস ধরে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিককে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন তার স্ত্রী স্নিগ্ধা ও তার প্রেমিক কামরুল মাস্টার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগে থেকেই তাজহাট মোল্লাপাড়ার দুই কিশোরের সহযোগিতায় ২৮ মার্চ একটি নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে গর্ত করে রাখেন তারা। পর দিন রথীশ চন্দ্রের খাবারের সঙ্গে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ান তারা। এর পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে স্নিগ্ধা ও কামরুল হত্যা করেন রথীশ চন্দ্রকে।

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে হত্যার পুরো ঘটনা এভাবেই বর্ণনা করেছেন স্নিগ্ধা।

স্নিগ্ধা আরও জানান, হত্যার পর লাশ বাড়ির আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখেন তারা। এর পর আলমারি পরিবর্তনের কথা বলে তা নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ির অদূরে তাজহাট মোল্লাপাড়ার সেই নির্মাণাধীন ভবনে, যেখানে আগে থেকেই গর্ত করে রাখা হয়েছিল। পরে সেই গর্তেই লাশ পুঁতে ফেলেন তারা।

খুনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্নিগ্ধা ও দুই কিশোর র‍্যাব ১৩-এর হেফাজতে আছেন। আর স্নিগ্ধার প্রেমিক কামরুল মাস্টার পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্ত্রী স্নিগ্ধাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের তাজহাটের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব।