ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির কার্ড দিতে গিয়ে বিএনপির তেল ফুরিয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম চলতি বছরেই হবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী আ.লীগ দুর্নীতি করে অর্থনীতির বেহাল দশা করে গেছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

সিলেটে মা-ছেলের লাশ উদ্ধার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেট নগরীর মিরাবাজার খাঁরপাড়ার একটি বাসা থেকে মা-ছেলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার বেলা ২ টায় মিতালী আবাসিক এলাকার তৃতীয় তলা বাসার নীচ তলার একটি কক্ষ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই বাসা থেকে পাঁচ বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন- নগরীর বারুতখানা এলাকার হেলাল আহমদের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৪০) তার ছেলে রবিউল ইসলাম রূপম (১৬)। রূপম এবার শাহজালাল জামেয়া স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। আর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে রোকেয়ার ৫ বছরের মেয়ে রাইসা বেগমকে।

নিহত রোকেয়ার ভাই জাকির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তিনি তার বোনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় রবিবার বোনের বাসায় আসেন। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে তিনি ওপরতলায় বাড়ির মালিক সালমান হোসেনকে খবর দেন। পরে বাড়ির মালিকের কাছে থাকা অতিরিক্ত একটি চাবি দিয়ে তিনি ঘড়ের ভিতরে ঢুকে দেখেন এক বিছানায় তার বোন রোকেয়া বেগম ও অন্য বিছানায় ভাগ্নে রূপমের লাশ পড়ে আছে।

কোতয়ালী থানার ওসি গৌসুল হোসেন জানান, খরর পেয়ে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

পুলিশের ধারনা রোকেয়াকে গলা কেটে ও রবিউলকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। কি কারণে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে হত্যাকান্ডের ধরন দেখে মনে হচ্ছে, দীর্ঘ সময় ধরে কয়েকজন এ হত্যাকান্ডে অংশ নিয়েছিল। পুলিশ আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

ওসি আরো জানান, শিশু রাইসাকেও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার গলায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে বাসার কাজের মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

রোকেয়া বেগম তার ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে খারপাড়ার মিতালী আবাসিক এলাকার ১৫/জে নম্বর তিন তলা বাসার নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। এদিকে তার স্বামী অসুস্থ থাকায় তিনি তার নিজ বাড়ীতেই থাকতেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সিলেটে মা-ছেলের লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৪:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেট নগরীর মিরাবাজার খাঁরপাড়ার একটি বাসা থেকে মা-ছেলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার বেলা ২ টায় মিতালী আবাসিক এলাকার তৃতীয় তলা বাসার নীচ তলার একটি কক্ষ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই বাসা থেকে পাঁচ বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন- নগরীর বারুতখানা এলাকার হেলাল আহমদের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৪০) তার ছেলে রবিউল ইসলাম রূপম (১৬)। রূপম এবার শাহজালাল জামেয়া স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। আর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে রোকেয়ার ৫ বছরের মেয়ে রাইসা বেগমকে।

নিহত রোকেয়ার ভাই জাকির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তিনি তার বোনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় রবিবার বোনের বাসায় আসেন। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে তিনি ওপরতলায় বাড়ির মালিক সালমান হোসেনকে খবর দেন। পরে বাড়ির মালিকের কাছে থাকা অতিরিক্ত একটি চাবি দিয়ে তিনি ঘড়ের ভিতরে ঢুকে দেখেন এক বিছানায় তার বোন রোকেয়া বেগম ও অন্য বিছানায় ভাগ্নে রূপমের লাশ পড়ে আছে।

কোতয়ালী থানার ওসি গৌসুল হোসেন জানান, খরর পেয়ে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

পুলিশের ধারনা রোকেয়াকে গলা কেটে ও রবিউলকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। কি কারণে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে হত্যাকান্ডের ধরন দেখে মনে হচ্ছে, দীর্ঘ সময় ধরে কয়েকজন এ হত্যাকান্ডে অংশ নিয়েছিল। পুলিশ আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

ওসি আরো জানান, শিশু রাইসাকেও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার গলায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে বাসার কাজের মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

রোকেয়া বেগম তার ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে খারপাড়ার মিতালী আবাসিক এলাকার ১৫/জে নম্বর তিন তলা বাসার নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। এদিকে তার স্বামী অসুস্থ থাকায় তিনি তার নিজ বাড়ীতেই থাকতেন।