ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

এমন সম্মাননা আমি চাই না : ফারুক

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন মাত্র একবার। ১৯৭৫ সালে তিনি ‘লাঠিয়াল’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে এই পুরস্কারটি পান। এরপর একাধিক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েও কোনো পুরস্কারের দেখা পাননি। বলছিলাম বাংলা সিনেমার কিংবদন্তী অভিনেতা ফারুকের কথা। অবশেষে আজীবন সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন তিনি। ২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনি এ সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন বলে জানা গেছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস নয় বরং তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিলেন এই অভিনেতা।

এ প্রসঙ্গে ফারুক বলেন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আমার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে আমাকে ১৯ বার জাতীয় পুরস্কারে সেরা অভিনেতার পুরস্কার দিতে গিয়েও বাদ দেওয়া হয়েছে। আমার অপরাধ ছিল আমি বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করি।

তিনি আরো বলেন, ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার মানুষের জীবনে একবার আসে। এটা বার বার প্রদান করা হয় না। সারা জীবনের কাজের স্বীকৃতি এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়। সব দেশেই নিয়ম হলো এই স্বীকৃতি দেওয়া হয় একজনকে। একসঙ্গে দুজনকে দিলে প্রাপ্তির আনন্দটা ফিকে হয়ে যায়। এটি সম্মানের নামে অসম্মান করারই নামান্তর ও দুঃখজনক। চাই না এমন সম্মাননা। এ বিষয়ে আমি উৎসাহিত নই, বরং কষ্টে মনটা ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, জানা গেছে ২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন দুই কিংবদন্তি অভিনয়শিল্পী ফারুক ও ববিতা। তবে দুজনকে ভাগ করে আজীবন সম্মাননা দেয়া নিয়ে চলছে বিতর্ক। অনেকেই দাবি করেছেন, একটা মানুষের সারা জীবনের স্বীকৃতি দেয়ার সময় সেটা কারো সঙ্গে ভাগাভাগি করে হতে পারে না। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে প্রতিবার একজনকেই আজীবন সম্মাননা জানানো হয়। এবারেও তাই হওয়া উচিত ছিল। একই রকম ক্ষীপ্ত প্রতিক্রিয়া জানালেন ফারুক নিজেও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

এমন সম্মাননা আমি চাই না : ফারুক

আপডেট সময় ০৯:৫১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মার্চ ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন মাত্র একবার। ১৯৭৫ সালে তিনি ‘লাঠিয়াল’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে এই পুরস্কারটি পান। এরপর একাধিক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েও কোনো পুরস্কারের দেখা পাননি। বলছিলাম বাংলা সিনেমার কিংবদন্তী অভিনেতা ফারুকের কথা। অবশেষে আজীবন সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন তিনি। ২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনি এ সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন বলে জানা গেছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস নয় বরং তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিলেন এই অভিনেতা।

এ প্রসঙ্গে ফারুক বলেন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আমার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে আমাকে ১৯ বার জাতীয় পুরস্কারে সেরা অভিনেতার পুরস্কার দিতে গিয়েও বাদ দেওয়া হয়েছে। আমার অপরাধ ছিল আমি বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করি।

তিনি আরো বলেন, ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার মানুষের জীবনে একবার আসে। এটা বার বার প্রদান করা হয় না। সারা জীবনের কাজের স্বীকৃতি এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়। সব দেশেই নিয়ম হলো এই স্বীকৃতি দেওয়া হয় একজনকে। একসঙ্গে দুজনকে দিলে প্রাপ্তির আনন্দটা ফিকে হয়ে যায়। এটি সম্মানের নামে অসম্মান করারই নামান্তর ও দুঃখজনক। চাই না এমন সম্মাননা। এ বিষয়ে আমি উৎসাহিত নই, বরং কষ্টে মনটা ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, জানা গেছে ২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন দুই কিংবদন্তি অভিনয়শিল্পী ফারুক ও ববিতা। তবে দুজনকে ভাগ করে আজীবন সম্মাননা দেয়া নিয়ে চলছে বিতর্ক। অনেকেই দাবি করেছেন, একটা মানুষের সারা জীবনের স্বীকৃতি দেয়ার সময় সেটা কারো সঙ্গে ভাগাভাগি করে হতে পারে না। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে প্রতিবার একজনকেই আজীবন সম্মাননা জানানো হয়। এবারেও তাই হওয়া উচিত ছিল। একই রকম ক্ষীপ্ত প্রতিক্রিয়া জানালেন ফারুক নিজেও।