ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আর লুকোচুরি নয়, গুঞ্জন পেরিয়ে প্রেমের স্বীকৃতি

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

প্রেমের গল্প সব সময় হঠাৎ করে সামনে আসে না। অনেক সময় তা গড়ে ওঠে ফিসফাসে, চোখাচোখিতে, আর কিছু অসম্পূর্ণ দৃশ্যে। যেগুলো দেখেও কেউ নিশ্চিত হতে পারে না। বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানি ও পাঞ্জাবি জনপ্রিয় গায়ক তলবিন্দর সিং সিধু। তাদের প্রেম চলেছিল নীরবতায় আর গুঞ্জনে। সম্প্রতি এক রাতে হাজারো মানুষের ভিড়ের মধ্যেই, প্রেমের স্বীকৃতি দিলেন দুজন।

দিশা ও তলবিন্দরের প্রেমের সূত্রপাত হয় চলতি মাসের শুরুতে, উদয়পুরে বলিউড অভিনেত্রী নূপুর শ্যাননের বিয়ের অনুষ্ঠানে। বিয়ের অতিথির ভিড়ে তখন উপস্থিত বলিউড ও সংগীত জগতের একাধিক পরিচিত মুখ। সেই ভিড়েই আলাদা করে নজরে পড়েন দিশা আর তলবিন্দর। দিশার পাশের মানুষটি তখনও অনেকের কাছে রহস্য।

এতদিন পর্যন্ত রঙে আঁকা মুখ, আড়ালের পরিচয়ই ছিল তলবিন্দরের নিজস্ব স্টাইল। সেই আড়ালই প্রথমবার সরে যায় নূপুরের বিয়ের একটি ভিডিওতে। দিশার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ দেখে থমকে যায় নেট দুনিয়া। শুরু হয় প্রশ্ন–কে তিনি? দিশার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কী? বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হলেও গুঞ্জন থামে না।

উদয়পুর থেকে মুম্বাই ফেরার সময় একই ফ্লাইটে দেখা যায় দুজনকে। পরে নূপুরের রিসেপশনেও একসঙ্গে উপস্থিত হন তারা। তখন পর্যন্ত কেউ কিছু বলেন না, কেউ কিছু স্বীকারও করেন না। এরপর এলো সেই রাত। মুম্বাইয়ের লোলাপালুজা ইন্ডিয়ার আলো ঝলমলে আয়োজনে। মঞ্চে ওঠেন তলবিন্দর।

আন্তর্জাতিক শিল্পী কেহলানির সঙ্গে তাঁর পারফরম্যান্সে দর্শক উচ্ছ্বসিত। গান শেষ হয়, আলো নিভে আসে। গল্প তখনও বাকি। ভিড় ঠেলে, নিরাপত্তার বেষ্টনী পেরিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়ছেন শিল্পীরা। সেই মুহূর্তেই ক্যামেরাবন্দি হয় নতুন প্রেমের একটি দৃশ্য। দিশা পাটানি আর তলবিন্দর হাত ধরে হাঁটছেন। কোনো তাড়া নেই, কোনো অস্বস্তি নেই। যেন চারপাশের ক্যামেরা, দর্শক–সবই তখন গৌণ। মুহূর্তটা ছোট, কিন্তু তাদের বার্তাটা স্পষ্ট।

এই প্রথম নয় যে তারা একসঙ্গে ধরা পড়লেন। এই প্রথম তারা লুকোলেন না। এরপর একই গাড়িতে করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন দুজন, সঙ্গে কয়েকজন বন্ধু। ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমজুড়ে শুরু হয় আলোচনা। কেউ বিস্মিত, কেউ রোমাঞ্চিত, কেউ আবার বিশ্বাস করতে পারছেন না।

সামাজিক মাধ্যমে একজন লিখলেন, ‘এবার আর সন্দেহ নেই। এটা যতটা বাস্তব হতে পারে, ততটাই বাস্তব।’ কেউ আবার প্রশ্ন তুললেন দিশার অতীত সম্পর্ক নিয়ে।

যদিও এখন পর্যন্ত তারা দুজন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি। নেই তাদের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট। সব প্রেম কি ঘোষণায় শুরু হয়? কখনও কখনও দুজন দুজনের একটি হাত ধরা মুহূর্তই যথেষ্ট। সেদিনের সেই আয়োজনে হাজারো মানুষের ভিড়ে, আলো আর শব্দের মাঝেই দিশা পাটানি ও তলবিন্দরের হাত ধরে এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্যই যেন বলে দেয়, এই গল্প আর শুধু গুঞ্জনের নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আর লুকোচুরি নয়, গুঞ্জন পেরিয়ে প্রেমের স্বীকৃতি

আপডেট সময় ০৮:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

প্রেমের গল্প সব সময় হঠাৎ করে সামনে আসে না। অনেক সময় তা গড়ে ওঠে ফিসফাসে, চোখাচোখিতে, আর কিছু অসম্পূর্ণ দৃশ্যে। যেগুলো দেখেও কেউ নিশ্চিত হতে পারে না। বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানি ও পাঞ্জাবি জনপ্রিয় গায়ক তলবিন্দর সিং সিধু। তাদের প্রেম চলেছিল নীরবতায় আর গুঞ্জনে। সম্প্রতি এক রাতে হাজারো মানুষের ভিড়ের মধ্যেই, প্রেমের স্বীকৃতি দিলেন দুজন।

দিশা ও তলবিন্দরের প্রেমের সূত্রপাত হয় চলতি মাসের শুরুতে, উদয়পুরে বলিউড অভিনেত্রী নূপুর শ্যাননের বিয়ের অনুষ্ঠানে। বিয়ের অতিথির ভিড়ে তখন উপস্থিত বলিউড ও সংগীত জগতের একাধিক পরিচিত মুখ। সেই ভিড়েই আলাদা করে নজরে পড়েন দিশা আর তলবিন্দর। দিশার পাশের মানুষটি তখনও অনেকের কাছে রহস্য।

এতদিন পর্যন্ত রঙে আঁকা মুখ, আড়ালের পরিচয়ই ছিল তলবিন্দরের নিজস্ব স্টাইল। সেই আড়ালই প্রথমবার সরে যায় নূপুরের বিয়ের একটি ভিডিওতে। দিশার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ দেখে থমকে যায় নেট দুনিয়া। শুরু হয় প্রশ্ন–কে তিনি? দিশার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কী? বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হলেও গুঞ্জন থামে না।

উদয়পুর থেকে মুম্বাই ফেরার সময় একই ফ্লাইটে দেখা যায় দুজনকে। পরে নূপুরের রিসেপশনেও একসঙ্গে উপস্থিত হন তারা। তখন পর্যন্ত কেউ কিছু বলেন না, কেউ কিছু স্বীকারও করেন না। এরপর এলো সেই রাত। মুম্বাইয়ের লোলাপালুজা ইন্ডিয়ার আলো ঝলমলে আয়োজনে। মঞ্চে ওঠেন তলবিন্দর।

আন্তর্জাতিক শিল্পী কেহলানির সঙ্গে তাঁর পারফরম্যান্সে দর্শক উচ্ছ্বসিত। গান শেষ হয়, আলো নিভে আসে। গল্প তখনও বাকি। ভিড় ঠেলে, নিরাপত্তার বেষ্টনী পেরিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়ছেন শিল্পীরা। সেই মুহূর্তেই ক্যামেরাবন্দি হয় নতুন প্রেমের একটি দৃশ্য। দিশা পাটানি আর তলবিন্দর হাত ধরে হাঁটছেন। কোনো তাড়া নেই, কোনো অস্বস্তি নেই। যেন চারপাশের ক্যামেরা, দর্শক–সবই তখন গৌণ। মুহূর্তটা ছোট, কিন্তু তাদের বার্তাটা স্পষ্ট।

এই প্রথম নয় যে তারা একসঙ্গে ধরা পড়লেন। এই প্রথম তারা লুকোলেন না। এরপর একই গাড়িতে করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন দুজন, সঙ্গে কয়েকজন বন্ধু। ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমজুড়ে শুরু হয় আলোচনা। কেউ বিস্মিত, কেউ রোমাঞ্চিত, কেউ আবার বিশ্বাস করতে পারছেন না।

সামাজিক মাধ্যমে একজন লিখলেন, ‘এবার আর সন্দেহ নেই। এটা যতটা বাস্তব হতে পারে, ততটাই বাস্তব।’ কেউ আবার প্রশ্ন তুললেন দিশার অতীত সম্পর্ক নিয়ে।

যদিও এখন পর্যন্ত তারা দুজন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি। নেই তাদের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট। সব প্রেম কি ঘোষণায় শুরু হয়? কখনও কখনও দুজন দুজনের একটি হাত ধরা মুহূর্তই যথেষ্ট। সেদিনের সেই আয়োজনে হাজারো মানুষের ভিড়ে, আলো আর শব্দের মাঝেই দিশা পাটানি ও তলবিন্দরের হাত ধরে এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্যই যেন বলে দেয়, এই গল্প আর শুধু গুঞ্জনের নয়।