ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে সময় আবেদনের আদেশ আজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর হাতিরঝিলে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএর ভবনটি ভাঙতে এক বছর সময় চেয়ে আবেদনের ওপর আদেশ হবে আজ মঙ্গলবার।

গত রবিবার এই সময় আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়। এরপর আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ।

আদালতে বিজিএমইএর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। রিটের পক্ষে ছিলেন মঞ্জিল মরসেদ।

গত বছরের ৮ এপ্রিল বিজিএমইএর বহুতল ভবনটি ভাঙতে সাত মাস সময় দেয় আপিল বিভাগ। আর গত ৫ মার্চ বহুতল ভবনটি ভাঙতে আরো এক বছর সময় চেয়ে আবেদন করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।

এই ভবনটি বেআইনিভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে-এমন অভিযোগের প্রমাণ মেলার পর ২০১১ সালে ভবনটি ভাঙার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এরপর ছয় বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৭ সালে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখে আপিল বিভাগ।

এরপর রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএর ভবন নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। সেখানে ভবন নির্মাণের কাজ শুরুও হয়েছে। আর এই ভবন নির্মাণ শেষ না হওয়া অবধি হাতিরঝিলের ভবনটি ব্যবহার করতে চায় পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠনটি।

আপিল বিভাগে এই ভবন ভাঙার বিষয়ে আদেশের বিরুদ্ধে বিজিএমইএর লিভ টু আপিল খারিজ হয়ে যায় ২০১৬ সালের ২ জুন। ওই বছরের ৮ নভেম্বর রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের পূর্ব পাশে অবস্থিত বিজিএমইএর ১৬ তলা ভবনটি অবিলম্বে সংগঠনের নিজ খরচায় ভেঙে ফেলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হলে ৮ ডিসেম্বর রিভিউ আবেদন করে বিজিএমইএ। কিন্তু সেই আবেদনও খারিজ হয়ে যায়। ফলে ভবনটি ভাঙা ছাড়া আর কোনা উপায় নেই।

এর আগে ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়। ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে বিজিএমইএ ভবন একটি ক্যান্সারের মতো’ উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ। এই আবেদন খারিজ করে রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে বেগুনবাড়ি খাল ও হাতিরঝিল জলাভূমিতে অবস্থিত বিজিএমইএ কমপ্লেক্স নামের ভবনটি নিজ খরচে অবিলম্বে ভাঙার নির্দেশ দেয়া হয়। এতে ব্যর্থ হলে রায়ের অনুলিপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ভবন ভাঙার খরচ আবেদনকারীর (বিজিএমইএ) কাছ থেকে আদায় করবে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে সময় আবেদনের আদেশ আজ

আপডেট সময় ০৯:৪০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর হাতিরঝিলে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএর ভবনটি ভাঙতে এক বছর সময় চেয়ে আবেদনের ওপর আদেশ হবে আজ মঙ্গলবার।

গত রবিবার এই সময় আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়। এরপর আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ।

আদালতে বিজিএমইএর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। রিটের পক্ষে ছিলেন মঞ্জিল মরসেদ।

গত বছরের ৮ এপ্রিল বিজিএমইএর বহুতল ভবনটি ভাঙতে সাত মাস সময় দেয় আপিল বিভাগ। আর গত ৫ মার্চ বহুতল ভবনটি ভাঙতে আরো এক বছর সময় চেয়ে আবেদন করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।

এই ভবনটি বেআইনিভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে-এমন অভিযোগের প্রমাণ মেলার পর ২০১১ সালে ভবনটি ভাঙার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এরপর ছয় বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৭ সালে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখে আপিল বিভাগ।

এরপর রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএর ভবন নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। সেখানে ভবন নির্মাণের কাজ শুরুও হয়েছে। আর এই ভবন নির্মাণ শেষ না হওয়া অবধি হাতিরঝিলের ভবনটি ব্যবহার করতে চায় পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠনটি।

আপিল বিভাগে এই ভবন ভাঙার বিষয়ে আদেশের বিরুদ্ধে বিজিএমইএর লিভ টু আপিল খারিজ হয়ে যায় ২০১৬ সালের ২ জুন। ওই বছরের ৮ নভেম্বর রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের পূর্ব পাশে অবস্থিত বিজিএমইএর ১৬ তলা ভবনটি অবিলম্বে সংগঠনের নিজ খরচায় ভেঙে ফেলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হলে ৮ ডিসেম্বর রিভিউ আবেদন করে বিজিএমইএ। কিন্তু সেই আবেদনও খারিজ হয়ে যায়। ফলে ভবনটি ভাঙা ছাড়া আর কোনা উপায় নেই।

এর আগে ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়। ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে বিজিএমইএ ভবন একটি ক্যান্সারের মতো’ উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ। এই আবেদন খারিজ করে রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে বেগুনবাড়ি খাল ও হাতিরঝিল জলাভূমিতে অবস্থিত বিজিএমইএ কমপ্লেক্স নামের ভবনটি নিজ খরচে অবিলম্বে ভাঙার নির্দেশ দেয়া হয়। এতে ব্যর্থ হলে রায়ের অনুলিপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ভবন ভাঙার খরচ আবেদনকারীর (বিজিএমইএ) কাছ থেকে আদায় করবে তারা।