ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

ফারুক হত্যা মামলার আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। আগামীকাল বুধবার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে মামলার প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

বেলা ১১টার দিকে মামলার বাদী ও নিহত ফারুক আহমদের স্ত্রীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দুপুর পৌনে একটার দিকে আদালত মুলতবি ঘোষণা করে।

সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে টাঙ্গাইল কারাগারে আনা হয়। বেলা ১১টার দিকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে এমপি রানাকে আদালতে হাজির না করায় এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চারবার পিছিয়ে যায়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম খান জানান, মঙ্গলবার ফারুক হত্যা মামলার বাদী নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। পরে আদালত মুলতবি দিয়ে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করে।

এসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন রফিকুল ইসলাম, আব্দুল গফুর, এস আকবর খান, জোয়াহেরুল ইসলাম প্রমুখ।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ফায়জুর রহমান, খন্দকার নাজিম উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ শহরের কলেজপাড়ায় নিজ বাসার সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার দুই দিন পর নিহতের স্ত্রী নাহার আহমদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে স্থানান্তরিত হয়। তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন এসআই অশোক কুমার সিংহ (পিপিএম) এ হত্যাকাণ্ডে এমপি রানা ও তার ভাইদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পান।

দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার ছোট ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন পরিদর্শক গোলাম মাহফীজুর রহমান।

এরপর ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এমপি রানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। নয়বার তারিখ পেছানোর পর গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর দণ্ডবিধির ৩০২/ ১২০/৩৪ ধারায় সংসদ সদস্য রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করে আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

ফারুক হত্যা মামলার আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ

আপডেট সময় ০৩:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। আগামীকাল বুধবার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে মামলার প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

বেলা ১১টার দিকে মামলার বাদী ও নিহত ফারুক আহমদের স্ত্রীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দুপুর পৌনে একটার দিকে আদালত মুলতবি ঘোষণা করে।

সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে টাঙ্গাইল কারাগারে আনা হয়। বেলা ১১টার দিকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে এমপি রানাকে আদালতে হাজির না করায় এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চারবার পিছিয়ে যায়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম খান জানান, মঙ্গলবার ফারুক হত্যা মামলার বাদী নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। পরে আদালত মুলতবি দিয়ে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করে।

এসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন রফিকুল ইসলাম, আব্দুল গফুর, এস আকবর খান, জোয়াহেরুল ইসলাম প্রমুখ।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ফায়জুর রহমান, খন্দকার নাজিম উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ শহরের কলেজপাড়ায় নিজ বাসার সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার দুই দিন পর নিহতের স্ত্রী নাহার আহমদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে স্থানান্তরিত হয়। তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন এসআই অশোক কুমার সিংহ (পিপিএম) এ হত্যাকাণ্ডে এমপি রানা ও তার ভাইদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পান।

দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার ছোট ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন পরিদর্শক গোলাম মাহফীজুর রহমান।

এরপর ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এমপি রানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। নয়বার তারিখ পেছানোর পর গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর দণ্ডবিধির ৩০২/ ১২০/৩৪ ধারায় সংসদ সদস্য রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করে আদালত।