ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

গ্রিন কার্ড ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে সিনেটে একটি নতুন বিলের অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময়ই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। হোয়াইট হাউজে ট্রাম্প নতুন এই অভিবাসন ব্যবস্থার বিষয়টি প্রকাশ করেন। সে সময় সিনেটর টম কোটন ও ডেভিড পার্ডিও তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড প্রাপ্তির মাধ্যমে প্রতি বছর ১০ লাখের বেশি বিদেশী নাগরিক স্থায়ীভাবে থাকার বৈধতা পেয়ে আসছিল। এই সংখ্যাটি অর্ধেকে নিয়ে আসার জন্য এপ্রিলে একটি বিল উত্থাপন করা হয়। নতুন বিলটি এরই পরিবর্তিত সংস্করণ।

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রশাসন নতুন একটি অধ্যাদেশ সামনে আনতে চাইছেন, যার মাধ্যমে গ্রিনকার্ড প্রত্যাশীদের অন্য অনেক বিবেচনার সঙ্গে বাধ্যতামূলক ইংরেজিতে দক্ষতা দেখাতে হবে। যে সব ক্যাটাগরির ভিত্তিতে গ্রিনকার্ড ইস্যু করা হতো, সেগুলো বলবৎ রাখার সঙ্গে এখন থেকে ইংরেজিতে অবশ্যই আইইএলটিস বা টোফেল’র মত পরীক্ষায় পাসের স্কোর দেখাতে হবে। এছাড়া নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসী (গ্রিনকার্ডধারী) আর নাগরিকদের মধ্যকার বিভাজন সামনে এনেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অবশ্য এই নতুন বিল নিয়ে এখনই নানা রকম আলোচনা পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। এই বিল সিনেটে পাস হবে কিনা সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে। ফেব্রুয়ারিতে বিলটি যখন প্রথম আলোচনায় নিয়ে আসা হয়, তখনই অনেক রিপাবলিকান সিনেটর এটার বিপক্ষে অবস্থান নেন। এবারে সিনেটে শুনানির মাধ্যমে সেটি পাস হলেই কেবল আইনে পরিণত হবে। তবে নতুন বিল নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ মত থাকলেও আমেরিকার অভিবাসন এবং গ্রিনকার্ড প্রদানের নিয়ম যে সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় সেটা নিয়ে একমত ডেমোক্রেট বা রিপাবলিকান দলের প্রায় অধিকাংশ আইনপ্রনেতা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গ্রিন কার্ড ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৬:৪১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে সিনেটে একটি নতুন বিলের অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময়ই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। হোয়াইট হাউজে ট্রাম্প নতুন এই অভিবাসন ব্যবস্থার বিষয়টি প্রকাশ করেন। সে সময় সিনেটর টম কোটন ও ডেভিড পার্ডিও তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড প্রাপ্তির মাধ্যমে প্রতি বছর ১০ লাখের বেশি বিদেশী নাগরিক স্থায়ীভাবে থাকার বৈধতা পেয়ে আসছিল। এই সংখ্যাটি অর্ধেকে নিয়ে আসার জন্য এপ্রিলে একটি বিল উত্থাপন করা হয়। নতুন বিলটি এরই পরিবর্তিত সংস্করণ।

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রশাসন নতুন একটি অধ্যাদেশ সামনে আনতে চাইছেন, যার মাধ্যমে গ্রিনকার্ড প্রত্যাশীদের অন্য অনেক বিবেচনার সঙ্গে বাধ্যতামূলক ইংরেজিতে দক্ষতা দেখাতে হবে। যে সব ক্যাটাগরির ভিত্তিতে গ্রিনকার্ড ইস্যু করা হতো, সেগুলো বলবৎ রাখার সঙ্গে এখন থেকে ইংরেজিতে অবশ্যই আইইএলটিস বা টোফেল’র মত পরীক্ষায় পাসের স্কোর দেখাতে হবে। এছাড়া নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসী (গ্রিনকার্ডধারী) আর নাগরিকদের মধ্যকার বিভাজন সামনে এনেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অবশ্য এই নতুন বিল নিয়ে এখনই নানা রকম আলোচনা পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। এই বিল সিনেটে পাস হবে কিনা সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে। ফেব্রুয়ারিতে বিলটি যখন প্রথম আলোচনায় নিয়ে আসা হয়, তখনই অনেক রিপাবলিকান সিনেটর এটার বিপক্ষে অবস্থান নেন। এবারে সিনেটে শুনানির মাধ্যমে সেটি পাস হলেই কেবল আইনে পরিণত হবে। তবে নতুন বিল নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ মত থাকলেও আমেরিকার অভিবাসন এবং গ্রিনকার্ড প্রদানের নিয়ম যে সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় সেটা নিয়ে একমত ডেমোক্রেট বা রিপাবলিকান দলের প্রায় অধিকাংশ আইনপ্রনেতা।