ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি!

মানবজাতির নতুন দুঃস্বপ্ন হতে পারে ‘ডিজিজ এক্স’

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মানবজাতির জন্য ভয়াবহ নতুন এক রোগের সন্ধান পেয়েছে বিশষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পৃথিবীব্যাপী মহামারি ঘটাতে পারে এমন অসুখের তালিকায় নতুন রহস্যময় অসুখ ‘ডিজিজ এক্স’ এর নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। যেকোনো সময় মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন কয়েকটি অসুখের একটি তালিকা তৈরি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

নতুন এ রোগ কোনও চিহ্নিত জীবানু বা অসুখ নয়। এটাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন ‘অজানা পরিচিত’ অসুখ যা বিভিন্ন জীবাণুর মিউটেশন বা শংকরের মাধ্যমে তৈরি হতে পারে। এরকম মিউটেশনের মাধ্যমে তৈরি হয় স্প্যানিশ ফ্লু ও এইচআইভি ভাইরাস।

‘ডিজিজ এক্স’ কেউ সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য তৈরি করতে পারে। অথবা এটি নিছক দুর্ঘটনার ফলেও ল্যাবে সৃষ্টি হতে পারে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ‘একটা অজানা রোগে পৃথিবীজুড়ে ব্যাপক মহামারী দেখা দিতে পারে বলে আমরা অনুমান করছি এটা বুঝাতেই ‘ডিজিজ এক্স’ সম্ভাব্য মহামারীর তালিকায় যোগ করা হয়েছে।’

এতদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘ব্লুপ্রিন্ট প্রায়োরিটি ডিজিজেস’-এর তালিকায় মহামারি ঘটাতে সক্ষম এমন আটটি অসুখের কথা উল্লেখ ছিল। এই অসুখগুলোর কোনো কার্যকরী চিকিৎসা এখনও আবিষ্কার করা যায়নি। এই তালিকাতে এবার সংস্থাটির বিজ্ঞানীরা ‘ডিজিজ এক্স’ যোগ করলেন।

সংস্থাটি বলছে, ‘পৃথিবী এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ও পশু আরও বেশি একে অপরের সংস্পর্শে আসছে। এতে নতুন অসুখ দেখা দেয়া ও তা বিস্তৃত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বাণিজ্যের কারণে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।’

জিন এডিটিং প্রযুক্তি ও বর্তমান সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে এখন জীবাণু অস্ত্র তৈরি এখন আগের চেয়ে সহজ। কিন্তু এটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে শীতল যুদ্ধের সময়। মানুষের তৈরি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করা মানব শরীরের জন্য কঠিন হবে, কারণ এটির কোনো প্রাকৃতিক ব্যবস্থা নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

মানবজাতির নতুন দুঃস্বপ্ন হতে পারে ‘ডিজিজ এক্স’

আপডেট সময় ০৮:১৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মানবজাতির জন্য ভয়াবহ নতুন এক রোগের সন্ধান পেয়েছে বিশষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পৃথিবীব্যাপী মহামারি ঘটাতে পারে এমন অসুখের তালিকায় নতুন রহস্যময় অসুখ ‘ডিজিজ এক্স’ এর নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। যেকোনো সময় মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন কয়েকটি অসুখের একটি তালিকা তৈরি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

নতুন এ রোগ কোনও চিহ্নিত জীবানু বা অসুখ নয়। এটাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন ‘অজানা পরিচিত’ অসুখ যা বিভিন্ন জীবাণুর মিউটেশন বা শংকরের মাধ্যমে তৈরি হতে পারে। এরকম মিউটেশনের মাধ্যমে তৈরি হয় স্প্যানিশ ফ্লু ও এইচআইভি ভাইরাস।

‘ডিজিজ এক্স’ কেউ সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য তৈরি করতে পারে। অথবা এটি নিছক দুর্ঘটনার ফলেও ল্যাবে সৃষ্টি হতে পারে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ‘একটা অজানা রোগে পৃথিবীজুড়ে ব্যাপক মহামারী দেখা দিতে পারে বলে আমরা অনুমান করছি এটা বুঝাতেই ‘ডিজিজ এক্স’ সম্ভাব্য মহামারীর তালিকায় যোগ করা হয়েছে।’

এতদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘ব্লুপ্রিন্ট প্রায়োরিটি ডিজিজেস’-এর তালিকায় মহামারি ঘটাতে সক্ষম এমন আটটি অসুখের কথা উল্লেখ ছিল। এই অসুখগুলোর কোনো কার্যকরী চিকিৎসা এখনও আবিষ্কার করা যায়নি। এই তালিকাতে এবার সংস্থাটির বিজ্ঞানীরা ‘ডিজিজ এক্স’ যোগ করলেন।

সংস্থাটি বলছে, ‘পৃথিবী এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ও পশু আরও বেশি একে অপরের সংস্পর্শে আসছে। এতে নতুন অসুখ দেখা দেয়া ও তা বিস্তৃত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বাণিজ্যের কারণে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।’

জিন এডিটিং প্রযুক্তি ও বর্তমান সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে এখন জীবাণু অস্ত্র তৈরি এখন আগের চেয়ে সহজ। কিন্তু এটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে শীতল যুদ্ধের সময়। মানুষের তৈরি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করা মানব শরীরের জন্য কঠিন হবে, কারণ এটির কোনো প্রাকৃতিক ব্যবস্থা নেই।