ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

মুক্তিকামীদের ওপর গুলিবর্ষণে ছিলেন জিয়াও: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের আগে চট্টগ্রামে ব্যারিকেড দেয়া বাঙালিদের ওপর যে আক্রমণ হয়েছিল, সেখানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর এক সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা এ কথা জানান।

প্রায় ৫০ মিনিটের ভাষণে শেখ হাসিনা মূলত ৭ মার্চের ভাষণের নানা দিক এবং মুক্তিযুদ্ধের কাহিনি বর্ণনা করেন। সচরাচর বিভিন্ন আলোচনায় তিনি যেভাবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দিক নিয়ে কথা বলেন, আজকে সেটা হয়নি।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার কথা তুলে ধরে তার কন্যা বলেন, ‘ম্যাসেজটা সমগ্র বাংলাদেশে পৌঁছার সাথে সাথে তিনি যে সংগ্রাম পরিষদ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তারা ব্যারিকেড দিচ্ছিল।’

২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠকারী এবং পরে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীকে প্রতিহত করতে দেয়া ব্যারিকেড ভাঙতে গুলি করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘চিটাগাংয়ে যে ব্যারিকেড দেয়া হয়, সে ব্যারিকেড ভাঙার জন্য যে গুলি চালানো হয়েছিল আর্মির থেকে। ওই ২৫ তারিখ রাত পর্যন্ত, সেখানে কিন্তু জিয়াউর রহমানও একজন ছিল যে এদেরকে গুলি করে।’

‘এখনও চিটাগাং এর বহু নেতারা আছে, তারা ওই ঘটনা জানেন। আন্দোলনরতদের ওপর গুলি চালিয়ে তখন অনেক বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, তখন যদি সাথে সাথে পদক্ষেপ নিত, তাহলে বহু আর্মির সৈনিকদের বাঁচানো যেত। সেখানে মেজর রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম) থেকে শুরু করে অনেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছিল। বিভিন্ন জায়গায় যে বাঙালি অফিসাররা, তারা কিন্তু তাদের গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে চলে যান।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিকামীদের ওপর গুলিবর্ষণে ছিলেন জিয়াও: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:০৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের আগে চট্টগ্রামে ব্যারিকেড দেয়া বাঙালিদের ওপর যে আক্রমণ হয়েছিল, সেখানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর এক সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা এ কথা জানান।

প্রায় ৫০ মিনিটের ভাষণে শেখ হাসিনা মূলত ৭ মার্চের ভাষণের নানা দিক এবং মুক্তিযুদ্ধের কাহিনি বর্ণনা করেন। সচরাচর বিভিন্ন আলোচনায় তিনি যেভাবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দিক নিয়ে কথা বলেন, আজকে সেটা হয়নি।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার কথা তুলে ধরে তার কন্যা বলেন, ‘ম্যাসেজটা সমগ্র বাংলাদেশে পৌঁছার সাথে সাথে তিনি যে সংগ্রাম পরিষদ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তারা ব্যারিকেড দিচ্ছিল।’

২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠকারী এবং পরে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীকে প্রতিহত করতে দেয়া ব্যারিকেড ভাঙতে গুলি করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘চিটাগাংয়ে যে ব্যারিকেড দেয়া হয়, সে ব্যারিকেড ভাঙার জন্য যে গুলি চালানো হয়েছিল আর্মির থেকে। ওই ২৫ তারিখ রাত পর্যন্ত, সেখানে কিন্তু জিয়াউর রহমানও একজন ছিল যে এদেরকে গুলি করে।’

‘এখনও চিটাগাং এর বহু নেতারা আছে, তারা ওই ঘটনা জানেন। আন্দোলনরতদের ওপর গুলি চালিয়ে তখন অনেক বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, তখন যদি সাথে সাথে পদক্ষেপ নিত, তাহলে বহু আর্মির সৈনিকদের বাঁচানো যেত। সেখানে মেজর রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম) থেকে শুরু করে অনেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছিল। বিভিন্ন জায়গায় যে বাঙালি অফিসাররা, তারা কিন্তু তাদের গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে চলে যান।’