অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন বা জুলুম নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে এমন অভিযোগের পক্ষে স্পষ্ট প্রমাণ দেখাতে বলেছে মিয়ানমার। গতকাল জেনেভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাওং তুন।
গণহত্যার কথা অস্বীকার করে থাওং বলেন, ‘রাখাইনে দীর্ঘদিন ধরে বসবসারত মুসলমানরা এখনও সেখানেই বসবাস করছেন। যদি সেখানে গণহত্যা চালানো হতো তাহলে ওখানে আর কেউ বসবাস করতো না।’
এমন অভিযোগকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে থাওং বলেন, ‘আমরা প্রায়ই অভিযোগ শুনি যে মিয়ানমারে জাতিগত নিধন বা গণহত্যা হয়েছে। আমি আগেও বলছি এবং আবারও বলতে চাই এটি আমাদের সরকারের নীতি নয়। তারপরও যদি অভিযোগ থাকে তাহলে সে বিষয়ে স্পষ্ট প্রমাণ দিতে হবে।’
মিয়ানমারের সেনাবাহিনির ভয় নয় বরং উগ্রবাদী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সালভাশন আর্মির (এআরএসএ) ভয়েই মুসলমানরা রাখাইন ত্যাগ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে নেয়ার ইচ্ছা আছে মিয়ানমারের। রাখাইনের গ্রামে গ্রামে এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।’
তবে রাখাইনে গণহত্যার বিষয়ে মিয়ানমারের এসব সাফাইয়ে বস্তত কেউ কর্ণপাত করছে না। কারণ, জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন সেখানে জাতিগত নিধনের অনেক প্রমাণ পেয়েছে বলে দাবি করেছে।
সর্বশেষ গত ৭ মার্চে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন ও গণহত্যার স্পষ্ট এবং শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জায়েদ রা’দ আল হুসেইন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















