অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে দীর্ঘ অস্ত্রোপচারের পর আলাদা হলো জোড়া লাগা শিশু তৌফা ও তহুরা। মঙ্গলবার (০১ আগস্ট) সকাল ৮টায় শুরু হয় জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ এ অপারেশন। বিকাল পাঁচটায় শিশু দুটিকে সফলভাবে আলাদা করেন চিকিৎসকরা। ঢামেকের প্লাস্টিক সার্জন, নিউরো সার্জন ও শিশু বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডকে অপারেশন সহায়তা করেন অন্যান্য বিভাগের চিকিৎসক ও নার্সরা।
সফল এ অপারেশনে যুক্ত ছিলেন প্লাস্টিক সার্জন অধ্যাপক আবুল কালাম, ডা. তানভীর আহমেদ, ডা. লতা, ডা. গোবিন্দ, ডা. ফয়সাল ও ডা. হেদায়েত, নিউরোসার্জন অধ্যাপক অসিত চন্দ্র সরকার, ডা. রাজিউল হক, অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক শামসুজ্জামান, পেডিয়াট্রিক সার্জন ডা. শাহনুর ইসলাম, ডা. মোহাম্মদ মইনুল হক, অধ্যাপক আশরাফ উল হক কাজল, অধ্যাপক সামিদুর রহমান, অধ্যাপক কানিজ হাসিনা শিউলি, অধ্যাপক আবদুল হানিফ টাবলু। অ্যানেসথেশিয়ায় ছিলেন অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, ডা. রাবেয়া, ডা. শফিকুল আলম ও ডা. আতিক। এছাড়াও ছিলেন পেডিয়াট্রিক সার্জন তাহমিনা হোসেন, ডা. আল মাসুদ, ডা.পার্থ সারথি মজুমদার,ডা. গাফফার খান জিয়া, ডা. সনেট, ডা. কৌশিক ভৌমিক ও ডা. তাসনিম আরা।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ঝিনিয়া গ্রামের রাজু মিয়ার স্ত্রী সাহিদা বেগম নিজ বাড়িতে জোড়া লাগা দুই কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। কোমরের কাছে জোড়া লাগানো শিশু দুটির সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গই আলাদা। শুধু প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা একটি। গত বছরের ৮ অক্টোবর ঢামেকে অপারেশনের মাধ্যমে তাদের পায়ুপথ আলাদা করা হয়। মঙ্গলবার তাদের শরীর আলাদা করা হলো। অপারেশনের পর পেডিয়াট্রিক সার্জন শাহনুর ইসলাম জানান, অপারেশন সফল হলেও বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি থাকায় দুই শিশুকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে রাখতে হবে।ছয় মাস পর তাদের আরও দুটি অপারেশন হবে বলে জানান তিনি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























