ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল

চুলের ক্ষতি রোধ করা যায় যেভাবে

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

চুলের ড্যামেজ বা ক্ষতি কমবেশি সবারই হয়। বিভিন্ন কারণে এটা হতে পারে। অনেকেই পার্লারে গিয়ে চুলের নানা ধরনের সেবা বা হেয়ার ট্রিটমেন্ট নেন। যেমন- চুলে রঙ করা, হাইলাইটস , চুল সোজা করা ইত্যাদি। এসব কারণেই চুল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার উপর আবার রাস্তার ধূলাবালি, ধোঁয়া -এগুলো তো আছেই। এর ফলে রোজই ক্ষতি হচ্ছে চুলের। ক্ষতির হাত থেকে চুল রক্ষার কিছু উপায় রয়েছে।

নিয়মিত চুলে নারকেল তেল ম্যাসেজ করলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যায়। কারণ এটি চুলের পুষ্টি জোগায়। এছাড়া অলিভ অয়েল, বাদামের তেল -এগুলোও চুলের জন্য বেশ উপকারী। গোসলের অন্তত আধঘণ্টা আগে হালকা গরম করে চুলে তেল মাখা উচিত। তারপর ভালোভাবে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
চুল নরম রাখার জন্য শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা খুব জরুরি। তবে,যদি আপনার মনে হয়,কন্ডিশনার আপনার চুলকে প্রচণ্ড তেলতেলে করে দিচ্ছে,তাহলে শ্যাম্পু করার আগে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

আবার যেকোন শ্যাম্পু ব্যবহার করা ঠিক নয়। চুলের ধরন জেনে তবেই শ্যাম্পু করা উচিত। ভুল শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল আরও বেশি রুক্ষ বা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

চুল ধোয়ার সময়ে কখনওই গরম পানি ব্যবহার করা ঠিক নয়। শ্যাম্পু ব্যবহার করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলুন।

পেঁয়াজের রস এবং অ্যালোভেরার রস চুলের জন্য বেশ উপকারী। গোসলের অন্তত আধঘণ্টা আগে এই রস ব্যবহার করা উচিত। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

নিম পাতাও চুলের ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে। পানিতে নিম পাতা দিয়ে আধঘণ্টা জ্বালিয়ে নিন। তারপর সেই পানি চুলে লাগান। গোসলের কিছুক্ষণ আগে এটা করা উচিত।

চুল কখনোও শক্ত করে বাঁধা ঠিক নয়। তাহলে তা শুকাতে পারে না। যথাসম্ভব হালকাভাবে চুল বাঁধা উচিত।

নিয়মিত চুলের স্টাইল করা ঠিক নয়। এটা চুলের ক্ষতি করে। বেশিমাত্রায় হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহারও চুলের জন্য ক্ষতিকর।

গোসল করে ভেজা চুল কখনওই চিরুনি দিয়ে আঁচড়ানো ঠিক নয়। কারণ, গোসলের পর চুলের গোড়া নরম হয়ে থাকে।তখন একটু টানেই চুল ছিঁড়ে যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান

চুলের ক্ষতি রোধ করা যায় যেভাবে

আপডেট সময় ০৯:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

চুলের ড্যামেজ বা ক্ষতি কমবেশি সবারই হয়। বিভিন্ন কারণে এটা হতে পারে। অনেকেই পার্লারে গিয়ে চুলের নানা ধরনের সেবা বা হেয়ার ট্রিটমেন্ট নেন। যেমন- চুলে রঙ করা, হাইলাইটস , চুল সোজা করা ইত্যাদি। এসব কারণেই চুল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার উপর আবার রাস্তার ধূলাবালি, ধোঁয়া -এগুলো তো আছেই। এর ফলে রোজই ক্ষতি হচ্ছে চুলের। ক্ষতির হাত থেকে চুল রক্ষার কিছু উপায় রয়েছে।

নিয়মিত চুলে নারকেল তেল ম্যাসেজ করলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যায়। কারণ এটি চুলের পুষ্টি জোগায়। এছাড়া অলিভ অয়েল, বাদামের তেল -এগুলোও চুলের জন্য বেশ উপকারী। গোসলের অন্তত আধঘণ্টা আগে হালকা গরম করে চুলে তেল মাখা উচিত। তারপর ভালোভাবে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
চুল নরম রাখার জন্য শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা খুব জরুরি। তবে,যদি আপনার মনে হয়,কন্ডিশনার আপনার চুলকে প্রচণ্ড তেলতেলে করে দিচ্ছে,তাহলে শ্যাম্পু করার আগে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

আবার যেকোন শ্যাম্পু ব্যবহার করা ঠিক নয়। চুলের ধরন জেনে তবেই শ্যাম্পু করা উচিত। ভুল শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল আরও বেশি রুক্ষ বা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

চুল ধোয়ার সময়ে কখনওই গরম পানি ব্যবহার করা ঠিক নয়। শ্যাম্পু ব্যবহার করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলুন।

পেঁয়াজের রস এবং অ্যালোভেরার রস চুলের জন্য বেশ উপকারী। গোসলের অন্তত আধঘণ্টা আগে এই রস ব্যবহার করা উচিত। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

নিম পাতাও চুলের ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে। পানিতে নিম পাতা দিয়ে আধঘণ্টা জ্বালিয়ে নিন। তারপর সেই পানি চুলে লাগান। গোসলের কিছুক্ষণ আগে এটা করা উচিত।

চুল কখনোও শক্ত করে বাঁধা ঠিক নয়। তাহলে তা শুকাতে পারে না। যথাসম্ভব হালকাভাবে চুল বাঁধা উচিত।

নিয়মিত চুলের স্টাইল করা ঠিক নয়। এটা চুলের ক্ষতি করে। বেশিমাত্রায় হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহারও চুলের জন্য ক্ষতিকর।

গোসল করে ভেজা চুল কখনওই চিরুনি দিয়ে আঁচড়ানো ঠিক নয়। কারণ, গোসলের পর চুলের গোড়া নরম হয়ে থাকে।তখন একটু টানেই চুল ছিঁড়ে যেতে পারে।