ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক হুইলচেয়ারে বসে দীপু মনিকে দেখতে ট্রাইব্যুনালে এলেন স্বামী বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মাদক সেবনের ছবি ভাইরাল এটা আমি-ডামির সরকার না, কাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চান: সংসদে টুকু হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডে ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়ছে যুদ্ধবিরতি, দাবি নেতানিয়াহুর শান্তি চাইলে সরাসরি যোগাযোগ করুক তেহরান: ট্রাম্প আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় হত্যা করা হয়, সে কারণেই আমি আজ সংসদে ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সে আরাম এখন হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেফতার-হয়রানি না করার নির্দেশ জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা

জাবি ভিসির নিয়োগ প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সেলিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এক সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব জিন্নাত রেহানাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব জিন্নাত রেহানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর ১১ (১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. ফারজানা ইসলামকে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ প্রদান করেছেন।’

এ নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য (ভিসি) ড. শরীফ এনামুল কবির ও নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ড. লুতফর রহমান।

আইনজীবী মঞ্জুর আলম বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর ১১ (১) ধারা অনুসারে ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের জন্য তিন সদস্যদের প্যানেল মনোনয়ন করতে হবে। কিন্তু এখানে সেটা করা হয়নি। অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে আদালতের এ আদেশ বিবাদীদের কাছে পাঠাতে হবে।

এর আগে ২০১৪ সালের ২ মার্চ ভিসি প্যানেলে নির্বাচিত হয়ে দেশের প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। যার মেয়াদ ছিল আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত। এর আগেই ১৫ ফেব্রুয়ারি তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক

জাবি ভিসির নিয়োগ প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় ০৭:০১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সেলিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এক সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব জিন্নাত রেহানাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব জিন্নাত রেহানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর ১১ (১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. ফারজানা ইসলামকে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ প্রদান করেছেন।’

এ নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য (ভিসি) ড. শরীফ এনামুল কবির ও নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ড. লুতফর রহমান।

আইনজীবী মঞ্জুর আলম বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর ১১ (১) ধারা অনুসারে ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের জন্য তিন সদস্যদের প্যানেল মনোনয়ন করতে হবে। কিন্তু এখানে সেটা করা হয়নি। অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে আদালতের এ আদেশ বিবাদীদের কাছে পাঠাতে হবে।

এর আগে ২০১৪ সালের ২ মার্চ ভিসি প্যানেলে নির্বাচিত হয়ে দেশের প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। যার মেয়াদ ছিল আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত। এর আগেই ১৫ ফেব্রুয়ারি তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ দেয়া হয়।