ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদার সাজা আরও বেশি দেয়া উচিত ছিল: আইনমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন,বিজ্ঞ বিচারক খালেদা জিয়ার বয়স, সামাজিক অবস্থান এবং শারীরিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কনসিডারেশনে ৫ বছর সাজা দিয়েছেন। যদিও আরও বেশি দেয়া উচিত ছিল।’

রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত ‘রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন এবং দুর্বৃত্ত ও দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, ‘রায়ের কপি তো আপনারা পাবেন। কিন্তু এতিমের যে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা মেরে দিলেন তা কবে ফেরত দেবেন?’

রায়ের কপি পাওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘রায়ের কপি দেবেন আদালত। প্রতিটি মামলায় দুটি পক্ষ থাকে। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ। কিন্তু রায়ের কপি দেয়ার ক্ষেত্রে কোনও পক্ষ নেই । এই রায়ের পাতার সংখ্যা ৬৩২। দীর্ঘ ৫০ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি বলতে পারি, রায়ের কপি পেতে হলে রায়টা কত বড় তার ওপর নির্ভর করে। শুধু মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের রায়ের কপি হাতে ধরিয়ে দেয়া জরুরি। তারাই একমাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার দাবিদার। অন্যান্য ক্ষেত্রে রায় লিখতে যে সময়টুকু প্রয়োজন তার জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। সরকারের এখানে কোনও হাত নেই।’

আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও অংশ নেন সাবেক বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়, সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম, একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদার সাজা আরও বেশি দেয়া উচিত ছিল: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন,বিজ্ঞ বিচারক খালেদা জিয়ার বয়স, সামাজিক অবস্থান এবং শারীরিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কনসিডারেশনে ৫ বছর সাজা দিয়েছেন। যদিও আরও বেশি দেয়া উচিত ছিল।’

রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত ‘রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন এবং দুর্বৃত্ত ও দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, ‘রায়ের কপি তো আপনারা পাবেন। কিন্তু এতিমের যে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা মেরে দিলেন তা কবে ফেরত দেবেন?’

রায়ের কপি পাওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘রায়ের কপি দেবেন আদালত। প্রতিটি মামলায় দুটি পক্ষ থাকে। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ। কিন্তু রায়ের কপি দেয়ার ক্ষেত্রে কোনও পক্ষ নেই । এই রায়ের পাতার সংখ্যা ৬৩২। দীর্ঘ ৫০ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি বলতে পারি, রায়ের কপি পেতে হলে রায়টা কত বড় তার ওপর নির্ভর করে। শুধু মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের রায়ের কপি হাতে ধরিয়ে দেয়া জরুরি। তারাই একমাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার দাবিদার। অন্যান্য ক্ষেত্রে রায় লিখতে যে সময়টুকু প্রয়োজন তার জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। সরকারের এখানে কোনও হাত নেই।’

আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও অংশ নেন সাবেক বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়, সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম, একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।