ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

চা শ্রমিকদের কল্যাণে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চা শ্রমিকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পাতা তুলেন, বাগানের পরিচর্যা করেন। তাদের কল্যাণে আপনাদের (চা বাগান মালিক) নজর দিতে হবে। পাশাপাশি শ্রমিকরাও বেশ আন্তরিকতা দিতে তাদের কাজটুকু করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী ২০১৮-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চা একটি জনপ্রিয় পানীয়। দেশ বিভাগের আগে সিলেটের মালনীছড়ায় চা বাগান ছিল। সেখানে উপমহাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকদের এনে চায়ের চাষ করানো হতো। ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করে। শাসনতন্ত্র রচনা করে। কিন্তু, বঙ্গবন্ধু সে সরকার থেকে এক বছর পর দল গোছানোর জন্য বেরিয়ে যান। এরপর তাকে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়। তিনিই শ্রীমঙ্গলে চা বোর্ডের অফিস প্রতিষ্ঠাসহ মতিঝিলে এর একটি অফিস করেন। সেই জায়গায় আজ বহুতল ভবন করার জন্য আমি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে এসেছি। চা বাগান মালিকদের ১০০ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকানা সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে চা উৎপাদনেও আমরা যথেষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। চা মালিকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষেতে জেনারেটরের ওপর থেকে ট্যাক্স তুলে নেই। চা শ্রমিক ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য, শিক্ষা , গর্ভবর্তী মায়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

এ সময় চাবাগান মালিকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে চা শ্রমিকদের ঘরবাড়ি নির্মাণের ওপরে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমরা আশ্রয়ণ প্রকল্প করেছি। কেউ কুঁড়েঘরে থাকবে না। চা শ্রমিকরাও যাতে ঘরবাড়ি পায় সে জন্য গৃহায়ণ তহবিল থেকে ২% সার্ভিস চার্জের মাধ্যমে চা বাগানের মালিকদের ঋণ দেওয়া হবে। এই ঋণ ৫% এর ওপর আদায় করা যাবে না। আর গৃহায়ণ তহবিলের শর্ত অনুসারে, প্রতিটি বাড়িতে বিনা খরচে একটি করে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা নির্মাণ করে দিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চা শ্রমিকদের কল্যাণে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:২৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চা শ্রমিকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পাতা তুলেন, বাগানের পরিচর্যা করেন। তাদের কল্যাণে আপনাদের (চা বাগান মালিক) নজর দিতে হবে। পাশাপাশি শ্রমিকরাও বেশ আন্তরিকতা দিতে তাদের কাজটুকু করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী ২০১৮-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চা একটি জনপ্রিয় পানীয়। দেশ বিভাগের আগে সিলেটের মালনীছড়ায় চা বাগান ছিল। সেখানে উপমহাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকদের এনে চায়ের চাষ করানো হতো। ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করে। শাসনতন্ত্র রচনা করে। কিন্তু, বঙ্গবন্ধু সে সরকার থেকে এক বছর পর দল গোছানোর জন্য বেরিয়ে যান। এরপর তাকে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়। তিনিই শ্রীমঙ্গলে চা বোর্ডের অফিস প্রতিষ্ঠাসহ মতিঝিলে এর একটি অফিস করেন। সেই জায়গায় আজ বহুতল ভবন করার জন্য আমি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে এসেছি। চা বাগান মালিকদের ১০০ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকানা সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে চা উৎপাদনেও আমরা যথেষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। চা মালিকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষেতে জেনারেটরের ওপর থেকে ট্যাক্স তুলে নেই। চা শ্রমিক ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য, শিক্ষা , গর্ভবর্তী মায়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

এ সময় চাবাগান মালিকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে চা শ্রমিকদের ঘরবাড়ি নির্মাণের ওপরে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমরা আশ্রয়ণ প্রকল্প করেছি। কেউ কুঁড়েঘরে থাকবে না। চা শ্রমিকরাও যাতে ঘরবাড়ি পায় সে জন্য গৃহায়ণ তহবিল থেকে ২% সার্ভিস চার্জের মাধ্যমে চা বাগানের মালিকদের ঋণ দেওয়া হবে। এই ঋণ ৫% এর ওপর আদায় করা যাবে না। আর গৃহায়ণ তহবিলের শর্ত অনুসারে, প্রতিটি বাড়িতে বিনা খরচে একটি করে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা নির্মাণ করে দিতে হবে।