অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ধারণা চালের চাম কেজিপ্রতি ৪০ টাকার নিচে আসবে না। আর এই দামকেই তিনি বাস্তব সম্মত মনে করেন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তোফায়েল বলেন, ‘আমাদের কৃষকের দিকেও তো খেয়াল রাখতে হবে। চালের দাম যখন কম ছিল তখন আপনারা (সাংবাদিকরা) লিখেছেন, কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উৎপাদন খরচ বেশি অথচ ধানের দাম কম। বাজার পাচ্ছে না কৃষকরা। আপনারাই এভাবে লিখতেন।’
২০১৭ সালের মার্চ এপ্রিলে হাওরে বন্যায় প্রায় পুরো ফসলহানি এবং পরে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যার পাশাপাশি অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় চালের দাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। চিকন চালের দাম ৫০ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ায় পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমায় নেমে আসে বলেও গবেষণায় দেখা গেছে।
আর চালের দাম কমাতে আমদানি শুল্ক পুরোপুরি তুলে দেয় সরকার। এতে চালের দাম কিছুটা কমলেও এখনও তা আগের বছরের চেয়ে ২৫ শতাংশেরও বেশি। আবার মোটা চালের দাম যতটা কমেছে, চিকন চালের দাম সে হারে কমেনি।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, সরকারই চেয়েছে চালের দাম কিছুটা বাড়ুক। তবে যতটা বেড়েছে, সেটা সহনীয় না।
বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও সরকারে যারা আছি বা দেশের সকল মানুষের উচিত কৃষককে আমাদের গুরুত্ব দেয়া। কৃষক যদি তাদের ফসল ফলানোয় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে তাহলে তো আমরা সামগ্রীকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো।’
২০১৭ সালের শেষ দিকে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম আস্তে আস্তে কমে গেছে জানিয়ে তোফায়েল বলেন, ‘এখন সবজির দামও কমে আসছে। যেটাই হয় আসলে তা সাময়িক। একটু ধৈর্য ধরলেই সবকিছুর সমাধান হয়ে যায়। ’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাংলাদেশের প্রাচীনতম একটি শিল্প। এ চা শিল্পের বিকাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবিস্বরণীয় অবদান রেখেছেন। তিনি ১৯৫৭-৫৮ মেয়াদে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি ছিলেন চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান। চা শিল্পের বিকাশে আাগামী ১৮ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে আইসিসিবিতে বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















