ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাতারে নিহত ৫ প্রবাসীর লাশ দ্রুত দেশে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাশেদ খাঁনকে চিড়িয়াখানায় সেই মহিষের পাশে দেখতে চান হানজালা এটা শাহবাগ চত্বর নয়, জাতীয় সংসদ : হান্নান মাসুদকে স্পিকার ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর গুলি করতে করতে হেঁটে যাচ্ছেন যুবক, ভিডিও ভাইরাল দেশের ক্রীড়া যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন আসছে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সরকারি জনবল কাঠামোতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার:সংসদে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীকে চাপতি দিয়ে কুপিয়ে খুন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীর চাপাতির আঘাতে আহত স্ত্রী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। সোমবার ভোররাতে আহত স্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

নিহত আকলিমা আক্তার (১৯) উপজেলার কচুয়া বেপারীপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের মেয়ে। ঘাতক স্বামী জুয়েল একই উপজেলার কালিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে। এর আগে শনিবার গভীর রাতে উপজেলার কচুয়া বেপারীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে উপজেলার কালিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে জুয়েলের সঙ্গে একই উপজেলার কচুয়া বেপারীপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের মেয়ে আকলিমা আক্তারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছে। এরই জেরে শনিবার ভোররাতে স্ত্রী আকলিমা আক্তারকে স্বামী জুয়েল রানা নির্মমভাবে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। পরে স্থানীয়রা জুয়েলকে আটক করে রাখলে ইউপি সদস্য বাদল হোসেনের নেতৃত্বে জুয়েলের এলাকার মেম্বার শামছুল আলম, আবুল হাশেম ও বিল্লাল হোসেন মিলে তাদের জিম্মায় তাকে ছাড়িয়ে নেয়।

তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত আকলিমা আক্তারকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার ভোর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকলিমার মৃত্যু হয়।

আকলিমার বাবা আলতাফ হোসেন বলেন, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকত। শনিবার ভোররাতে আমার বাড়িতেই আমার মেয়েকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। মেয়ের চিৎকার শুনে আমরা তাকে উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেই। দুই দিন চিকিৎসার পর আকলিমা মারা যায়। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।

সখীপুর থানার ওসি মাকছুদুল আলম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে নিহত ৫ প্রবাসীর লাশ দ্রুত দেশে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীকে চাপতি দিয়ে কুপিয়ে খুন

আপডেট সময় ১১:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীর চাপাতির আঘাতে আহত স্ত্রী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। সোমবার ভোররাতে আহত স্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

নিহত আকলিমা আক্তার (১৯) উপজেলার কচুয়া বেপারীপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের মেয়ে। ঘাতক স্বামী জুয়েল একই উপজেলার কালিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে। এর আগে শনিবার গভীর রাতে উপজেলার কচুয়া বেপারীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে উপজেলার কালিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে জুয়েলের সঙ্গে একই উপজেলার কচুয়া বেপারীপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের মেয়ে আকলিমা আক্তারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছে। এরই জেরে শনিবার ভোররাতে স্ত্রী আকলিমা আক্তারকে স্বামী জুয়েল রানা নির্মমভাবে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। পরে স্থানীয়রা জুয়েলকে আটক করে রাখলে ইউপি সদস্য বাদল হোসেনের নেতৃত্বে জুয়েলের এলাকার মেম্বার শামছুল আলম, আবুল হাশেম ও বিল্লাল হোসেন মিলে তাদের জিম্মায় তাকে ছাড়িয়ে নেয়।

তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত আকলিমা আক্তারকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার ভোর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকলিমার মৃত্যু হয়।

আকলিমার বাবা আলতাফ হোসেন বলেন, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকত। শনিবার ভোররাতে আমার বাড়িতেই আমার মেয়েকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। মেয়ের চিৎকার শুনে আমরা তাকে উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেই। দুই দিন চিকিৎসার পর আকলিমা মারা যায়। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।

সখীপুর থানার ওসি মাকছুদুল আলম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।