ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

হ্যাকিংয়ের সাজা ১৪ বছর জেল, কোটি টাকা জরিমানা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হ্যাকিং ঠেকাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। হ্যাকিং করলে ১৪ বছরের কারাদণ্ডে পাশাপাশি এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

আইনের ১৭ এর ক. ধারায় বলা হয়েছে যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছা করে বা জ্ঞ্যাতসারে কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনি প্রবেশ করেন বা বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে কোন ক্ষতিসাধন বা বিনষ্ট করেন বা করার চেষ্টা করেন তাহলে তিনি অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হবেন।

‘এই অপরাধী অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দাণ্ডিত করা যাবে অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’

আইনের ১৭ এর খ. ধারায় বলা হয়েছে, ‘আর বেআইনি প্রবেশ করে যদি ক্ষতিসাধন করে তাহলে তার শাস্তি হবে অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে। ’

আইনের ১৮ এর ক ধারায় বলা হয়েছে, কম্পিউটার, ডিজিটাল সিস্টেম বা এমন কোন ডিভাইজে বেআইনি প্রবেশে দণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

এমন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার্স সিস্টেম থেকে কোনো তথ্য উপাত্ত বা উপাত্ত ভাণ্ডার সংগ্রহ করেন বা হস্তান্তর যোগ্য জমাকৃত তথ্য উপাত্তসহ কম্পিউটার সিস্টেম থেকে তথ্য বা তথ্য অনুলিপি সংগ্রহ করেন তাহলে তার এ কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।

এর জন্য অপরাধীর সাত বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

হ্যাকিংয়ের সাজা ১৪ বছর জেল, কোটি টাকা জরিমানা

আপডেট সময় ১০:০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হ্যাকিং ঠেকাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। হ্যাকিং করলে ১৪ বছরের কারাদণ্ডে পাশাপাশি এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

আইনের ১৭ এর ক. ধারায় বলা হয়েছে যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছা করে বা জ্ঞ্যাতসারে কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনি প্রবেশ করেন বা বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে কোন ক্ষতিসাধন বা বিনষ্ট করেন বা করার চেষ্টা করেন তাহলে তিনি অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হবেন।

‘এই অপরাধী অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দাণ্ডিত করা যাবে অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’

আইনের ১৭ এর খ. ধারায় বলা হয়েছে, ‘আর বেআইনি প্রবেশ করে যদি ক্ষতিসাধন করে তাহলে তার শাস্তি হবে অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে। ’

আইনের ১৮ এর ক ধারায় বলা হয়েছে, কম্পিউটার, ডিজিটাল সিস্টেম বা এমন কোন ডিভাইজে বেআইনি প্রবেশে দণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

এমন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার্স সিস্টেম থেকে কোনো তথ্য উপাত্ত বা উপাত্ত ভাণ্ডার সংগ্রহ করেন বা হস্তান্তর যোগ্য জমাকৃত তথ্য উপাত্তসহ কম্পিউটার সিস্টেম থেকে তথ্য বা তথ্য অনুলিপি সংগ্রহ করেন তাহলে তার এ কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।

এর জন্য অপরাধীর সাত বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড হতে পারে।