ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার নদী বাঁচাতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ঢাকার চারপাশের নদী ঢাকা শহরের প্রাণ। নাব্য বৃদ্ধি ও দূষণরোধের মাধ্যমে এ নদীগুলো বাঁচিয়ে তুলতে হবে।

রবিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রামের কর্নফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণরোধ এবং নাব্য বৃদ্ধির জন্য মাস্টার প্ল্যান তৈরিসংক্রান্ত কমিটির এক সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এই কথা বলেন।

সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাসির হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, লন্ডনের টেমস্ নদী এক সময় বুড়িগঙ্গার চেয়ে বেশি দূষিত ছিল। টেমস্ নদীর পাশাপাশি ইউরোপের অনেক নদী দূষণমুক্ত করা হয়েছে। আমরাও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, বালু, তুরাগ ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীকে দূষণমুক্ত করতে পারবো।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নদীদূষণের অন্যতম উৎস শিল্প বর্জ্য ইটিপির মাধ্যমে রি-সাইকেল করতে হবে। এ ছাড়া দূষণের জন্য দায়ী পদার্থ যাতে সরাসরি পানিতে মিশতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে সৃষ্ট জলজটের কারণে নগরবাসী অবর্ণনীয় দুর্দশার সম্মুখীন হয়। বৃষ্টির পানি যাতে দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে অপসারিত হয় সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, বালু, তুরাগ ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী- এই পাঁচটি নদী দূষণের হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে যাতে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি দীর্ঘক্ষণ জমে না থাকে সেজন্য তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার নদী বাঁচাতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:১৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ঢাকার চারপাশের নদী ঢাকা শহরের প্রাণ। নাব্য বৃদ্ধি ও দূষণরোধের মাধ্যমে এ নদীগুলো বাঁচিয়ে তুলতে হবে।

রবিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রামের কর্নফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণরোধ এবং নাব্য বৃদ্ধির জন্য মাস্টার প্ল্যান তৈরিসংক্রান্ত কমিটির এক সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এই কথা বলেন।

সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাসির হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, লন্ডনের টেমস্ নদী এক সময় বুড়িগঙ্গার চেয়ে বেশি দূষিত ছিল। টেমস্ নদীর পাশাপাশি ইউরোপের অনেক নদী দূষণমুক্ত করা হয়েছে। আমরাও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, বালু, তুরাগ ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীকে দূষণমুক্ত করতে পারবো।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নদীদূষণের অন্যতম উৎস শিল্প বর্জ্য ইটিপির মাধ্যমে রি-সাইকেল করতে হবে। এ ছাড়া দূষণের জন্য দায়ী পদার্থ যাতে সরাসরি পানিতে মিশতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে সৃষ্ট জলজটের কারণে নগরবাসী অবর্ণনীয় দুর্দশার সম্মুখীন হয়। বৃষ্টির পানি যাতে দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে অপসারিত হয় সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, বালু, তুরাগ ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী- এই পাঁচটি নদী দূষণের হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে যাতে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি দীর্ঘক্ষণ জমে না থাকে সেজন্য তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।