ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সীমানা পাল্টাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ আসনের: সিইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সারাদেশে ৩০০টি আসনের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০টির সীমানা পাল্টে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তবে কোন কোন এলাকায় এই সীমানা পাল্টাচ্ছে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি। সোমবার সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান।

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হয় গত আগস্টে। আগামী এপ্রিলের মধ্যে তা শেষ করার চিন্তা ভাবনা আছে। তবে কতগুলো আসনের সীমানা পাল্টাচ্ছে, সে বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে এতদিন কিছু জানানো হয়নি।

বাংলাদেশে ১৯৮৪, ১৯৯১ সালের পর ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যার আনুপাতিক হার মেনে আঞ্চলিক অখ-তা ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে জিআইএস পদ্ধতি অনুসরণ করে শতাধিক সংসদীয় আসনে পরিবর্তন আনা হয়।

আর দশম সংসদ নির্বাচনে আগের কমিশনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ৫০টি আসনে ছোটখাটো পরিবর্তন আনে রকিবউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন। বর্তমান কমিশন গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর ভোট নিয়ে যেসব প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে, তার মধ্যে আছে সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়টিও।

সিইসি বলেন, ‘ছিটমহল বিনিময়, নদী ভাঙন ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ৩০০টি আসনের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ টির আসনে সীমানা পুনর্নির্ধারণ হতে পারে এবার।’

ভোট হবে হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের মেয়াদ আগামী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। সেহেতু আগামী ডিসেম্বরের শেষের দিকে অথবা ২০১৯ সালের প্রথম দিকে যে কোন দিন একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হবে।’
ভোট যবেই হোক, এর প্রক্রিয়া ৩০ অক্টোবর শুরু হবে বলেও জানান নুরুল হুদা।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে যে কোনো সময় ভোট হবে। বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। এই হিসাবে এর আগের তিন মাসের যে কোনো দিন ভোট হতে হবে। গত ১২ জানুয়ারি সরকারের চার বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে ভোট হবে।

গত সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট এবং সমমনারা। তবে আগামী সংসদ নির্বাচনে সব দল অংশ নেবে বলে ওই ভাষণে আশার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। সিইসিও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের অপেক্ষায়। তিনি বলেন, ‘আগামী সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত সকল দলই অংশগ্রহণ করবে বলে আমরা আশাবাদী।’

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সনাতন পদ্ধতিতে ভোট নেয়া হবে জানিয়ে সিসিিস বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতিতে এবার ভোট হবে না।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার পর সিইসি সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ফারুক হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মাজহার হোসেনসহ সরকারি কর্মকর্তা।

সেখান থেকে সিইসি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সার্ভার স্টেশন পরিদর্শন করতে যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমানা পাল্টাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ আসনের: সিইসি

আপডেট সময় ০৬:১৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সারাদেশে ৩০০টি আসনের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০টির সীমানা পাল্টে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তবে কোন কোন এলাকায় এই সীমানা পাল্টাচ্ছে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি। সোমবার সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান।

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হয় গত আগস্টে। আগামী এপ্রিলের মধ্যে তা শেষ করার চিন্তা ভাবনা আছে। তবে কতগুলো আসনের সীমানা পাল্টাচ্ছে, সে বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে এতদিন কিছু জানানো হয়নি।

বাংলাদেশে ১৯৮৪, ১৯৯১ সালের পর ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যার আনুপাতিক হার মেনে আঞ্চলিক অখ-তা ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে জিআইএস পদ্ধতি অনুসরণ করে শতাধিক সংসদীয় আসনে পরিবর্তন আনা হয়।

আর দশম সংসদ নির্বাচনে আগের কমিশনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ৫০টি আসনে ছোটখাটো পরিবর্তন আনে রকিবউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন। বর্তমান কমিশন গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর ভোট নিয়ে যেসব প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে, তার মধ্যে আছে সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়টিও।

সিইসি বলেন, ‘ছিটমহল বিনিময়, নদী ভাঙন ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ৩০০টি আসনের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ টির আসনে সীমানা পুনর্নির্ধারণ হতে পারে এবার।’

ভোট হবে হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের মেয়াদ আগামী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। সেহেতু আগামী ডিসেম্বরের শেষের দিকে অথবা ২০১৯ সালের প্রথম দিকে যে কোন দিন একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হবে।’
ভোট যবেই হোক, এর প্রক্রিয়া ৩০ অক্টোবর শুরু হবে বলেও জানান নুরুল হুদা।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে যে কোনো সময় ভোট হবে। বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। এই হিসাবে এর আগের তিন মাসের যে কোনো দিন ভোট হতে হবে। গত ১২ জানুয়ারি সরকারের চার বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে ভোট হবে।

গত সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট এবং সমমনারা। তবে আগামী সংসদ নির্বাচনে সব দল অংশ নেবে বলে ওই ভাষণে আশার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। সিইসিও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের অপেক্ষায়। তিনি বলেন, ‘আগামী সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত সকল দলই অংশগ্রহণ করবে বলে আমরা আশাবাদী।’

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সনাতন পদ্ধতিতে ভোট নেয়া হবে জানিয়ে সিসিিস বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতিতে এবার ভোট হবে না।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার পর সিইসি সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ফারুক হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মাজহার হোসেনসহ সরকারি কর্মকর্তা।

সেখান থেকে সিইসি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সার্ভার স্টেশন পরিদর্শন করতে যান।