ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সিআইএ’র এক কর্মকর্তাই বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী: ইরান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর এক কর্মকর্তা ইরানের চলমান বিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দেশটির জেনারেল প্রসিকিউটর এই দাবি করেন। তার অভিযোগ, বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী ওই সিআইএ কর্মকর্তাকে সহায়তা দিচ্ছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব।

দ্রব্যমুল্য আর জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে সারাদেশে ওই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইসরায়েলসহ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শত্রুরা বিক্ষোভে ইন্ধন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে ইরান। তবে এবারই প্রথম এই বিক্ষোভের জন্য কোনও গুপ্তচরকে দায়ী করলো তারা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-র খবরে বলা হয়, দেশটির জেনারেল প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জাফর মোন্তাজেরি দাবি করেছেন, চার বছর আগে এই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়। তিনি বলেন, ‘সিআইএ এজেন্ট ও ইসরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা অপর এক এজেন্ট এই বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। আর তাদের যাবতীয় খরচ যুগিয়েছে সৌদি আরব।’

আল জাজিরা জানায়, ইরানের বিক্ষোভে নিজেদের কোনও ভূমিকা থাকার কথা অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সিআইএর তরফ থেকেও এই অভিযোগের ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

ইরানে চলমান ওই বিক্ষোভে এই পর্যন্ত ২৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়াও সাড়ে চারশো মানুষকে আটক করা হয়েছে। ২০০৯ সালের পর থেকে দেশটিতে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ এবারই হচ্ছে।

এদিকে ইরানের সেনা প্রধান আবদুলরহিম মৌসাভি বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনিসহ কট্টরপন্থী নেতারা দাবি করছেন বিক্ষোভে শক্তি যোগাচ্ছে বিদেশি শক্তি। আর সংস্কারপন্থী দলের প্রেসিডেন্ট রুহানি দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা কর্মসংস্থান আর মানবাধিকারের দাবি তুলেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সিআইএ’র এক কর্মকর্তাই বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী: ইরান

আপডেট সময় ০৯:২৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর এক কর্মকর্তা ইরানের চলমান বিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দেশটির জেনারেল প্রসিকিউটর এই দাবি করেন। তার অভিযোগ, বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী ওই সিআইএ কর্মকর্তাকে সহায়তা দিচ্ছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব।

দ্রব্যমুল্য আর জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে সারাদেশে ওই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইসরায়েলসহ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শত্রুরা বিক্ষোভে ইন্ধন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে ইরান। তবে এবারই প্রথম এই বিক্ষোভের জন্য কোনও গুপ্তচরকে দায়ী করলো তারা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-র খবরে বলা হয়, দেশটির জেনারেল প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জাফর মোন্তাজেরি দাবি করেছেন, চার বছর আগে এই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়। তিনি বলেন, ‘সিআইএ এজেন্ট ও ইসরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা অপর এক এজেন্ট এই বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। আর তাদের যাবতীয় খরচ যুগিয়েছে সৌদি আরব।’

আল জাজিরা জানায়, ইরানের বিক্ষোভে নিজেদের কোনও ভূমিকা থাকার কথা অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সিআইএর তরফ থেকেও এই অভিযোগের ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

ইরানে চলমান ওই বিক্ষোভে এই পর্যন্ত ২৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়াও সাড়ে চারশো মানুষকে আটক করা হয়েছে। ২০০৯ সালের পর থেকে দেশটিতে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ এবারই হচ্ছে।

এদিকে ইরানের সেনা প্রধান আবদুলরহিম মৌসাভি বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনিসহ কট্টরপন্থী নেতারা দাবি করছেন বিক্ষোভে শক্তি যোগাচ্ছে বিদেশি শক্তি। আর সংস্কারপন্থী দলের প্রেসিডেন্ট রুহানি দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা কর্মসংস্থান আর মানবাধিকারের দাবি তুলেছেন।