ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনধারা গড়ে তোলা প্রয়োজন: সেনাপ্রধান গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ইরানের হৃদয় ভেঙে ইতিহাস গড়ে নকআউটে মিশর হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ইউরোপের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের তুরাগে পিকনিক করতে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আহত ছেলে

সিআইএ’র এক কর্মকর্তাই বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী: ইরান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর এক কর্মকর্তা ইরানের চলমান বিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দেশটির জেনারেল প্রসিকিউটর এই দাবি করেন। তার অভিযোগ, বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী ওই সিআইএ কর্মকর্তাকে সহায়তা দিচ্ছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব।

দ্রব্যমুল্য আর জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে সারাদেশে ওই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইসরায়েলসহ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শত্রুরা বিক্ষোভে ইন্ধন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে ইরান। তবে এবারই প্রথম এই বিক্ষোভের জন্য কোনও গুপ্তচরকে দায়ী করলো তারা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-র খবরে বলা হয়, দেশটির জেনারেল প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জাফর মোন্তাজেরি দাবি করেছেন, চার বছর আগে এই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়। তিনি বলেন, ‘সিআইএ এজেন্ট ও ইসরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা অপর এক এজেন্ট এই বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। আর তাদের যাবতীয় খরচ যুগিয়েছে সৌদি আরব।’

আল জাজিরা জানায়, ইরানের বিক্ষোভে নিজেদের কোনও ভূমিকা থাকার কথা অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সিআইএর তরফ থেকেও এই অভিযোগের ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

ইরানে চলমান ওই বিক্ষোভে এই পর্যন্ত ২৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়াও সাড়ে চারশো মানুষকে আটক করা হয়েছে। ২০০৯ সালের পর থেকে দেশটিতে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ এবারই হচ্ছে।

এদিকে ইরানের সেনা প্রধান আবদুলরহিম মৌসাভি বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনিসহ কট্টরপন্থী নেতারা দাবি করছেন বিক্ষোভে শক্তি যোগাচ্ছে বিদেশি শক্তি। আর সংস্কারপন্থী দলের প্রেসিডেন্ট রুহানি দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা কর্মসংস্থান আর মানবাধিকারের দাবি তুলেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

সিআইএ’র এক কর্মকর্তাই বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী: ইরান

আপডেট সময় ০৯:২৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর এক কর্মকর্তা ইরানের চলমান বিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দেশটির জেনারেল প্রসিকিউটর এই দাবি করেন। তার অভিযোগ, বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী ওই সিআইএ কর্মকর্তাকে সহায়তা দিচ্ছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব।

দ্রব্যমুল্য আর জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে সারাদেশে ওই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইসরায়েলসহ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শত্রুরা বিক্ষোভে ইন্ধন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে ইরান। তবে এবারই প্রথম এই বিক্ষোভের জন্য কোনও গুপ্তচরকে দায়ী করলো তারা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-র খবরে বলা হয়, দেশটির জেনারেল প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জাফর মোন্তাজেরি দাবি করেছেন, চার বছর আগে এই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়। তিনি বলেন, ‘সিআইএ এজেন্ট ও ইসরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা অপর এক এজেন্ট এই বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। আর তাদের যাবতীয় খরচ যুগিয়েছে সৌদি আরব।’

আল জাজিরা জানায়, ইরানের বিক্ষোভে নিজেদের কোনও ভূমিকা থাকার কথা অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সিআইএর তরফ থেকেও এই অভিযোগের ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

ইরানে চলমান ওই বিক্ষোভে এই পর্যন্ত ২৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়াও সাড়ে চারশো মানুষকে আটক করা হয়েছে। ২০০৯ সালের পর থেকে দেশটিতে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ এবারই হচ্ছে।

এদিকে ইরানের সেনা প্রধান আবদুলরহিম মৌসাভি বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনিসহ কট্টরপন্থী নেতারা দাবি করছেন বিক্ষোভে শক্তি যোগাচ্ছে বিদেশি শক্তি। আর সংস্কারপন্থী দলের প্রেসিডেন্ট রুহানি দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা কর্মসংস্থান আর মানবাধিকারের দাবি তুলেছেন।