ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন বই না পেয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার ধামরাইয়ে সত্যেন্দ্রাথ সচিন চন্দ্র মনিদাস নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্র গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বই উৎসবে নতুন বই না পাওয়ার অভিমানে সে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যসহ স্কুল শিক্ষকদের মাঝেও বইছে শোকের মাতম।

সে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের রামরাবন গ্রামের রনচন্দ্র মনিদাসের ছেলে ও পাবরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। জানা যায়, সত্যেন্দ্রনাথ শচিন মনিদাস মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত বই উৎসবে বিদ্যালয়ে নতুন বই আনতে যায়।

কিন্তু সে বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করায় তৃতীয় শ্রেণির বই তাকে দেয়া হয়নি। রাগে অভিমানে সে বাড়িতে এসে মা সতিরানী মনিদাসের কাছে বায়না ধরে নতুন বই এনে দিতে। মা তাকে অপেক্ষা করতে বললে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আÍহত্যা করে সে।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক স্বপ্না আক্তার বলেন, ছেলেটি লেখাপড়ায় একদম অমনোযোগী। সে কখনও নিয়মিত স্কুলে আসে না। অকৃতকার্য হওয়ায় গত বছরও তাকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে রাখা হয়। এমনকি বার্ষিক পরীক্ষায়ও সে অংশগ্রহণ করেনি।

তিনি বলেন, এর পরও তাকে রিপোটেশনে তৃতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ দেখিয়ে নতুন বই দেয়া হতো। সে বই নিতে আদৌ স্কুলে এসেছিল কিনা তা আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক ও হৃদয়বিদারক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বই না পেয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১০:০০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার ধামরাইয়ে সত্যেন্দ্রাথ সচিন চন্দ্র মনিদাস নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্র গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বই উৎসবে নতুন বই না পাওয়ার অভিমানে সে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যসহ স্কুল শিক্ষকদের মাঝেও বইছে শোকের মাতম।

সে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের রামরাবন গ্রামের রনচন্দ্র মনিদাসের ছেলে ও পাবরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। জানা যায়, সত্যেন্দ্রনাথ শচিন মনিদাস মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত বই উৎসবে বিদ্যালয়ে নতুন বই আনতে যায়।

কিন্তু সে বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করায় তৃতীয় শ্রেণির বই তাকে দেয়া হয়নি। রাগে অভিমানে সে বাড়িতে এসে মা সতিরানী মনিদাসের কাছে বায়না ধরে নতুন বই এনে দিতে। মা তাকে অপেক্ষা করতে বললে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আÍহত্যা করে সে।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক স্বপ্না আক্তার বলেন, ছেলেটি লেখাপড়ায় একদম অমনোযোগী। সে কখনও নিয়মিত স্কুলে আসে না। অকৃতকার্য হওয়ায় গত বছরও তাকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে রাখা হয়। এমনকি বার্ষিক পরীক্ষায়ও সে অংশগ্রহণ করেনি।

তিনি বলেন, এর পরও তাকে রিপোটেশনে তৃতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ দেখিয়ে নতুন বই দেয়া হতো। সে বই নিতে আদৌ স্কুলে এসেছিল কিনা তা আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক ও হৃদয়বিদারক।