ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

বাঘায় এক যুগ পর আবার মেয়র বিএনপির রাজ্জাক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী পৌরসভার বর্তমান মেয়র আক্কাস আলী। তাকে এক হাজার ৫০৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন আবদুর রাজ্জাক।

নব-নির্বাচিত মেয়র আবদুর রাজ্জাক জেলা বিএনপির সদস্য। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাঘা পৌরসভার মেয়র ছিলেন তিনি। প্রায় একযুগ আগের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আক্কাস আলীর কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন।

এরপর সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় পৌরসভাটির নির্বাচন আর হয়নি। ফলে দীর্ঘ দিন ধরেই মেয়র ছিলেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্কাস আলী। তার হাত ধরেই তৃতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণিতে উঠে আসে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের নির্বাচনী এলাকার এই পৌরসভা। কিন্তু মেয়র আক্কাস আলীকে নিয়ে বিতর্কও কম ওঠেনি। নির্বাচনে প্রভাব পড়লো এসবেরই।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পৌর এলাকার ১০টি কেন্দ্রে একটানা ভোটগ্রহণ চলে। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়েই ভোট দেন পৌরবাসী। একটি ছাড়া বাকি সবগুলো কেন্দ্রই ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভোট গ্রহণের সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ভোট গণনা শেষে রাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আতিয়ার রহমান। তিনি জানান, ধানের শীষ প্রতীকে আবদুর রাজ্জাক পেয়েছেন ১২ হাজার ২২৮ ভোট। আর নৌকা প্রতীক নিয়ে আক্কাস আলী পেয়েছেন ১০ হাজার ৭২৪ ভোট। মোট ভোটার ছিলেন ২৭ হাজার ৭৮৯ জন।

এবারের নির্বাচনে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৫৩ জন ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ভোটাররা। তবে ফল ঘোষণার সময় সেখানে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

বাঘায় এক যুগ পর আবার মেয়র বিএনপির রাজ্জাক

আপডেট সময় ১২:৩০:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী পৌরসভার বর্তমান মেয়র আক্কাস আলী। তাকে এক হাজার ৫০৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন আবদুর রাজ্জাক।

নব-নির্বাচিত মেয়র আবদুর রাজ্জাক জেলা বিএনপির সদস্য। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাঘা পৌরসভার মেয়র ছিলেন তিনি। প্রায় একযুগ আগের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আক্কাস আলীর কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন।

এরপর সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় পৌরসভাটির নির্বাচন আর হয়নি। ফলে দীর্ঘ দিন ধরেই মেয়র ছিলেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্কাস আলী। তার হাত ধরেই তৃতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণিতে উঠে আসে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের নির্বাচনী এলাকার এই পৌরসভা। কিন্তু মেয়র আক্কাস আলীকে নিয়ে বিতর্কও কম ওঠেনি। নির্বাচনে প্রভাব পড়লো এসবেরই।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পৌর এলাকার ১০টি কেন্দ্রে একটানা ভোটগ্রহণ চলে। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়েই ভোট দেন পৌরবাসী। একটি ছাড়া বাকি সবগুলো কেন্দ্রই ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভোট গ্রহণের সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ভোট গণনা শেষে রাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আতিয়ার রহমান। তিনি জানান, ধানের শীষ প্রতীকে আবদুর রাজ্জাক পেয়েছেন ১২ হাজার ২২৮ ভোট। আর নৌকা প্রতীক নিয়ে আক্কাস আলী পেয়েছেন ১০ হাজার ৭২৪ ভোট। মোট ভোটার ছিলেন ২৭ হাজার ৭৮৯ জন।

এবারের নির্বাচনে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৫৩ জন ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ভোটাররা। তবে ফল ঘোষণার সময় সেখানে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।