ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

এবার আসছে সোলার ট্রেন

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

ট্রেন মানেই কু ঝিক ঝিক শব্দে ধোঁয়া উড়িয়ে রেল লাইন দিয়ে গড়গড়িয়ে এগিয়ে যাওয়া। তবে, প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় এখন ট্রেন চালানোর জন্য কয়লার প্রয়োজন পড়ে না। ধোঁয়ার বদলে এখন চোখে পরে ইলেক্ট্রিক তারের ঝলকানি।

তবে, অস্ট্রেলিয়ার নয়া ট্রেন প্রযুক্তি সেই সমস্ত কিছুকেই ছাপিয়ে গেছে। ট্রেন চালানোর জন্য প্রয়োজন নেই ইলেক্ট্রিকেরও। এমনকি কয়লারও প্রয়োজন পড়ছে না। সূর্যের আলোতেই যাত্রী নিয়ে ট্রেন ছুটছে গন্তব্যস্থলে। কিন্তু কিভাবে এটি সম্ভব হচ্ছে সেটি এবার একটু খোলসা করে বলা যাক।

ট্রেনের উপরেই থাকছে সোলার প্লেট। সেই সোলার প্লেটে সূর্যের আলো পড়তেই তাতে শক্তি সঞ্চয় হচ্ছে। আর তা থেকেই এনার্জি নিয়ে ট্রেন দৌঁড়াচ্ছে গন্তব্যস্থলের দিকে। সোলার প্লেটে সূর্যরশ্মি পড়তেই ট্রেনের ভিতরে থাকা ব্যাটারিতে শক্তি সঞ্চয় হচ্ছে সেই শক্তিতেই চলছে ট্রেন।

তবে, একটি ডিজেল ইঞ্জিন কিন্তু থাকছেই। আপদকালীন পরিস্থিতিতে কখনও প্রয়োজন পড়লে চালকরা সেই ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন চালাতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ান এক মাল্টি মিলিওনিয়ারের মাথা থেকেই এই অভিনব প্রযুক্তি তৈরির ভাবনাটি আসে। এই গোটা ভাবনাটি বাস্তবায়িত করতে খরচ পড়েছে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার। অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে পর্যটকদের নিয়ে ছুটবে এই ট্রেনটি। মাত্র ১০০জন যাত্রী এই ট্রেনে উঠতে পারবেন। অস্ট্রেলিয়ার বেইরন বে-তে এই ট্রেনটি চলবে।

প্রসঙ্গত, এটিই বিশ্বের প্রথম সোলার পাওয়ার ট্রেন। ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে এই ট্রেনটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়লা চালিত একটি ট্রেনকে পুনর্নিমাণ করে এই ট্রেনটি তৈরি করা হয়েছে। এই ট্রেনটি তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বেইরন বে রেলবোর্ড কোম্পানিকে। সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট থেকে শহরের দক্ষিণ দিকের একটি জায়গা পর্যন্ত এই ট্রেনটি আপাতত চলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

এবার আসছে সোলার ট্রেন

আপডেট সময় ০৭:০৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

ট্রেন মানেই কু ঝিক ঝিক শব্দে ধোঁয়া উড়িয়ে রেল লাইন দিয়ে গড়গড়িয়ে এগিয়ে যাওয়া। তবে, প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় এখন ট্রেন চালানোর জন্য কয়লার প্রয়োজন পড়ে না। ধোঁয়ার বদলে এখন চোখে পরে ইলেক্ট্রিক তারের ঝলকানি।

তবে, অস্ট্রেলিয়ার নয়া ট্রেন প্রযুক্তি সেই সমস্ত কিছুকেই ছাপিয়ে গেছে। ট্রেন চালানোর জন্য প্রয়োজন নেই ইলেক্ট্রিকেরও। এমনকি কয়লারও প্রয়োজন পড়ছে না। সূর্যের আলোতেই যাত্রী নিয়ে ট্রেন ছুটছে গন্তব্যস্থলে। কিন্তু কিভাবে এটি সম্ভব হচ্ছে সেটি এবার একটু খোলসা করে বলা যাক।

ট্রেনের উপরেই থাকছে সোলার প্লেট। সেই সোলার প্লেটে সূর্যের আলো পড়তেই তাতে শক্তি সঞ্চয় হচ্ছে। আর তা থেকেই এনার্জি নিয়ে ট্রেন দৌঁড়াচ্ছে গন্তব্যস্থলের দিকে। সোলার প্লেটে সূর্যরশ্মি পড়তেই ট্রেনের ভিতরে থাকা ব্যাটারিতে শক্তি সঞ্চয় হচ্ছে সেই শক্তিতেই চলছে ট্রেন।

তবে, একটি ডিজেল ইঞ্জিন কিন্তু থাকছেই। আপদকালীন পরিস্থিতিতে কখনও প্রয়োজন পড়লে চালকরা সেই ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন চালাতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ান এক মাল্টি মিলিওনিয়ারের মাথা থেকেই এই অভিনব প্রযুক্তি তৈরির ভাবনাটি আসে। এই গোটা ভাবনাটি বাস্তবায়িত করতে খরচ পড়েছে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার। অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে পর্যটকদের নিয়ে ছুটবে এই ট্রেনটি। মাত্র ১০০জন যাত্রী এই ট্রেনে উঠতে পারবেন। অস্ট্রেলিয়ার বেইরন বে-তে এই ট্রেনটি চলবে।

প্রসঙ্গত, এটিই বিশ্বের প্রথম সোলার পাওয়ার ট্রেন। ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে এই ট্রেনটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়লা চালিত একটি ট্রেনকে পুনর্নিমাণ করে এই ট্রেনটি তৈরি করা হয়েছে। এই ট্রেনটি তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বেইরন বে রেলবোর্ড কোম্পানিকে। সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট থেকে শহরের দক্ষিণ দিকের একটি জায়গা পর্যন্ত এই ট্রেনটি আপাতত চলবে।