অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ভারতে ধর্ষণের শিকার হয়ে গর্ভবতী হয়ে যাওয়া ১০ বছর বয়সী শিশুর গর্ভপাতের অনুমতি প্রসঙ্গে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হয়েছে। গর্ভপাত করার ক্ষেত্রে মেয়েটির মা-বাবার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েটিকে পরীক্ষা করার জন্য চিকিৎসকদের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রীম কোর্ট
১০ বছর বয়সী শিশুটি ২৬ সপ্তাহের গর্ভবতী বলে জানা গেছে এবং চিকিৎসকরা মনে করেন তার শরীর গর্ভধারণের জন্য উপযোগী নয়।
এদিকে ভারতীয় আইনে ২০ সপ্তাহ গর্ভধারণের পর গর্ভপাতের অনুমতি নেই যদি মায়ের জীবন বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি না থাকে।
এদিকে মেয়েটির গর্ভধারণের পেছনে মেয়েটির চাচা দায়ী বলে জানিয়েছে ১০ বছরের শিশুটি। গত সাত মাসে বেশ কয়েকবার সেই চাচার হাতে ধর্ষিত হয়েছে শিশুটি। পুলিশ সেই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।হাসপাতালে পেট ব্যথার পরীক্ষা করতে গেলে মেয়েটির গর্ভধারণের বিষয়টি ধরা পরে। মেয়েটি বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট ব্যাথার কথা বলে আসছিলো। হাসপাতালে পরীক্ষার পর গর্ভধারণের বিষয়টি ধরা পরে।
এত অল্প বয়সে গর্ভধারণের ফলে তার জীবন হুমকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা মেয়েটির পরিবার ও চিকিৎসকদের। এর পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েটিকে পরীক্ষা করে দেখার নির্দেশনা দিয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। বুধবার চণ্ডিগড়ের পোস্ট গ্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ শিশুটিকে পরীক্ষা করে দেখবে সন্তান জন্মদান বা গর্ভপাতের শারীরিক ঝুঁকি কতটুকু।
গত সপ্তাহে উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ পাঞ্জাবের চণ্ডিগড়ের জেলা আদালত শিশুটির বাবা-মায়ের আবেদন নাকচ করে দেয়। ১০ বছর বয়সী গর্ভবতী শিশুটির বাবা-মা গর্ভপাতের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন।ভারতে দেদারছে গর্ভপাত রোধে এই কঠিন আইন করা হয়েছিল যেখানে গর্ভবতী নারীর মারাত্মক ঝুঁকি ছাড়া গর্ভপাত আইনত নিষিদ্ধ। ভারতে অনেক দম্পতি ভ্রুণ নষ্ট করে ফেলেন যদি দেখেন সেটা মেয়ে।
সেই কঠোর আইনের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ বছর বয়সী ধর্ষিত শিশুও আটকে গিয়েছিল। তার বাবা-মা গর্ভপাতের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলে চণ্ডিগড় জেলা আদালত নাকচ করে দেয়। পরবর্তীতে ভারতের সুপ্রীম কোর্টে আপীল করলে গর্ভবতী শিশুটিকে পরীক্ষা করে দেখার জন্য চিকিৎসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























