ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

ইতিহাসের এই দিনে, ২৪ ডিসেম্বর

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ (রোববার) ২৪ ডিসেম্বর’ ২০১৭

১৫২৪ সালে ইতিহাসের এ দিনে পর্তুগীজ সাগর অভিযাত্রী ভাস্কো দ্যা গামা পরলোকগমন করেন। ভাস্কো দা গামা ইউরোপ থেকে উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে ভারতে আগমনের সাগর পথ আবিষ্কার করার মাধ্যমে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ১৪৬০ সালে পর্তুগালের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে গামা জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পিতা ইস্টাভাও গামাও ছিলেন একজন অভিযাত্রী। ইস্টাভাও সাগর পথে পর্তুগাল থেকে ভারতে আগমণের জন্য অভিযান চালানোর ইচ্ছা পোষণ করতেন। তবে তার সে ইচ্ছা বাস্তাবায়নের আগেই তিনি পরলোক গমন করেন এবং পরবর্তীতে তার সন্তান ভাস্কো গা দ্যা পিতার সে স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেন। ১৪৯৭ সালের ৮ই জুলাই ভাস্কো দ্যা গামা পর্তুগালের লিসবন বন্দর হতে পূর্বের পানে সাগর যাত্রা শুরু করেন। সে সময় অনেকেই মনে করতেন ভারত মহাসাগরের সাথে আর কোনো মহাসাগরের কোনো সংযোগ নেই বলে ভাস্কো দ্যা গামার এই সাগর যাত্রা একেবারে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। তবে ভাস্কো দ্যা গামাকে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা যুগিয়েছিলেন পর্তুগালের তৎকালীন রাজা প্রথম ম্যানুয়েল। একই বছর ২২শে নভেম্বর ভাস্কো দ্যা গামার উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করেন এবং তার অভিযান অব্যাহত রাখে। ১৪৯৮ সালে ২০ শে ভারতের কালিকট বন্দরে পৌছান।

১৮৬৫ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রে ক্যু ক্লাক্স ক্লান নামের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠি গঠন করা হয়। সংক্ষেপে এই গোষ্ঠি কে.কে.কে. নামে পরিচিত। অশেতাঙ্গ বিশেষ করে কৃষ্ণ বর্ণের মানুষেদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার লক্ষ্যে এই গোষ্ঠি গঠন করা হয়েছিলো। বর্ণবাদী সহিংস তৎপরতার কারণে গঠিত হওয়ার চার বছর পর এই গোষ্ঠিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তারপরও ক্যু ক্লাক্স ক্লানের তৎপরতায় ভাটা পড়েনি। ১৮৭১ সালে মার্কিন কংগ্রেস ক্যু ক্ল্যাক্স ক্লান নামে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে এই সংগঠনের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী ব্যবহারের অনুমোদন দান করে। কিন্তু ১৮৮২ সালে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এই অধ্যাদেশকে সংবিধান পরিপন্থী বলে রায় প্রদান করে। বিংশ শতকে অন্তত দুই দফা বর্ণবাদী এবং উগ্রপন্থী এই গোপন সংগঠনের তৎপরতা যুক্তরাষ্ট্রে পরিলক্ষিত হয়েছে। ১৯১০ এবং ১৯২০এর দশকে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ক্যু ক্লাক্স ক্লানের ভয়াবহ তৎপরতা দেখা গিয়েছিলো। একই ভাবে ১৯৫০ এবং ১৯৬০এর দশকে আফ্রিকান আমেরিকান হিসেবে পরিচিত কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিনিদের নাগরিক অধিকার লাভের আন্দোলনের সময় এই উগ্রবাদী গোষ্ঠি তৎপর হয়ে উঠেছিলো।

১৯৫১ সালের এ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশ লিবিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। লিবিয়া তুরস্কের ওসমানিয় সা¤্রাজ্যের অংশ ছিলো এবং ১৯১১ সালে ইতালি ত্রিপোলীকে দখল করে নেয় এবং সেখানে উপনিবেশ স্থাপন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরাজয়ের পর লিবিয়ার উপর থেকে ইতালির কর্তৃত্ব নিঃশেষ হয়ে যায়। লিবিয়ার পরিচালনার ভার সে সময় জাতিসংঘের উপর অপর্ণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৫১ সালের এ দিনে লিবিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে এবং মুহাম্মদ ইদ্রিস আল মেহেদী দেশটির বাদশাহ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন লিবিয়ার তরুণ সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল মুয়াম্মার আল গাদ্দাফি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৮১৪ সালের এ দিনে বৃটেন এবং আমেরিকার মধ্যে বিরাজমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। এই যুদ্ধ ১৮১২ সালের যুদ্ধ নামে পরিচিত। ১৮১২ সালের যুদ্ধ বন্ধের জন্য বৃটেন এবং আমেরিকা বেলজিয়ামে সন্ধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলো। সন্ধি মোতাবেক জয় করা সকল এলাকার ফিরিয়ে দিতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে সীমানা নির্ধারণের জন্য কমিশন গঠন করা হবে। ১৮১২ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র বৃটেনের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলো বলে এই যুদ্ধকে ১৮১২ সালের যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করা হয়। বৃটিশ কর্তৃক ফ্রান্সের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ, হাজার হাজার নিরপেক্ষ মার্কিন নাগরিককে তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে বৃটিশ নৌবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেটলেক এলাকায় সে সময় বসবাসরত আমেরিকান ইন্ডিয়ান নামে পরিচিত আমেরিকার আদিবাসীদের সহায়তা দেয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলো। মার্কিন কংগ্রেসের একদল সদস্য এই যুদ্ধ ঘোষণা করার জন্য এর আগে থেকেই মত প্রকাশ করছিলো। সে সময় বৃটেন ফ্রান্সের নেপোলিয়ানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ লিপ্ত ছিলো। এ সময় বৃটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ভূমি দখল করতে পারবে বলে মনে করা হয়েছিলো।

  • পর্তুগিজ নাবিক ও পর্যটক ভাস্কো দা গামার মৃত্যু (১৫২৪)
  • কলকাতায় প্রথম নিখিল ভারত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত (১৮৮৬)
  • লেনিনের ইসক্রা’ পত্রিকা প্রকাশ (১৯০০)
  • লিবিয়ার স্বাধীনতা লাভ (১৯৫১)
  • সাপ্তাহিক ইত্তেফাক দৈনিক ইত্তেফাক হিসেবে প্রকাশিত (১৯৫৩)
  • রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর পদত্যাগ (১৯৭৩)
  • সুরিনামের রাষ্ট্রপতি র্যাম সেওয়াক শংকর সেনাঅভ্যুখানে ক্ষমতাচ্যুত (১৯৯০)
  • রেনে প্রেভাল হাইতির রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত (১৯৯৫)
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

ইতিহাসের এই দিনে, ২৪ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ০২:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ (রোববার) ২৪ ডিসেম্বর’ ২০১৭

১৫২৪ সালে ইতিহাসের এ দিনে পর্তুগীজ সাগর অভিযাত্রী ভাস্কো দ্যা গামা পরলোকগমন করেন। ভাস্কো দা গামা ইউরোপ থেকে উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে ভারতে আগমনের সাগর পথ আবিষ্কার করার মাধ্যমে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ১৪৬০ সালে পর্তুগালের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে গামা জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পিতা ইস্টাভাও গামাও ছিলেন একজন অভিযাত্রী। ইস্টাভাও সাগর পথে পর্তুগাল থেকে ভারতে আগমণের জন্য অভিযান চালানোর ইচ্ছা পোষণ করতেন। তবে তার সে ইচ্ছা বাস্তাবায়নের আগেই তিনি পরলোক গমন করেন এবং পরবর্তীতে তার সন্তান ভাস্কো গা দ্যা পিতার সে স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেন। ১৪৯৭ সালের ৮ই জুলাই ভাস্কো দ্যা গামা পর্তুগালের লিসবন বন্দর হতে পূর্বের পানে সাগর যাত্রা শুরু করেন। সে সময় অনেকেই মনে করতেন ভারত মহাসাগরের সাথে আর কোনো মহাসাগরের কোনো সংযোগ নেই বলে ভাস্কো দ্যা গামার এই সাগর যাত্রা একেবারে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। তবে ভাস্কো দ্যা গামাকে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা যুগিয়েছিলেন পর্তুগালের তৎকালীন রাজা প্রথম ম্যানুয়েল। একই বছর ২২শে নভেম্বর ভাস্কো দ্যা গামার উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করেন এবং তার অভিযান অব্যাহত রাখে। ১৪৯৮ সালে ২০ শে ভারতের কালিকট বন্দরে পৌছান।

১৮৬৫ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রে ক্যু ক্লাক্স ক্লান নামের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠি গঠন করা হয়। সংক্ষেপে এই গোষ্ঠি কে.কে.কে. নামে পরিচিত। অশেতাঙ্গ বিশেষ করে কৃষ্ণ বর্ণের মানুষেদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার লক্ষ্যে এই গোষ্ঠি গঠন করা হয়েছিলো। বর্ণবাদী সহিংস তৎপরতার কারণে গঠিত হওয়ার চার বছর পর এই গোষ্ঠিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তারপরও ক্যু ক্লাক্স ক্লানের তৎপরতায় ভাটা পড়েনি। ১৮৭১ সালে মার্কিন কংগ্রেস ক্যু ক্ল্যাক্স ক্লান নামে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে এই সংগঠনের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী ব্যবহারের অনুমোদন দান করে। কিন্তু ১৮৮২ সালে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এই অধ্যাদেশকে সংবিধান পরিপন্থী বলে রায় প্রদান করে। বিংশ শতকে অন্তত দুই দফা বর্ণবাদী এবং উগ্রপন্থী এই গোপন সংগঠনের তৎপরতা যুক্তরাষ্ট্রে পরিলক্ষিত হয়েছে। ১৯১০ এবং ১৯২০এর দশকে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ক্যু ক্লাক্স ক্লানের ভয়াবহ তৎপরতা দেখা গিয়েছিলো। একই ভাবে ১৯৫০ এবং ১৯৬০এর দশকে আফ্রিকান আমেরিকান হিসেবে পরিচিত কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিনিদের নাগরিক অধিকার লাভের আন্দোলনের সময় এই উগ্রবাদী গোষ্ঠি তৎপর হয়ে উঠেছিলো।

১৯৫১ সালের এ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশ লিবিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। লিবিয়া তুরস্কের ওসমানিয় সা¤্রাজ্যের অংশ ছিলো এবং ১৯১১ সালে ইতালি ত্রিপোলীকে দখল করে নেয় এবং সেখানে উপনিবেশ স্থাপন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরাজয়ের পর লিবিয়ার উপর থেকে ইতালির কর্তৃত্ব নিঃশেষ হয়ে যায়। লিবিয়ার পরিচালনার ভার সে সময় জাতিসংঘের উপর অপর্ণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৫১ সালের এ দিনে লিবিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে এবং মুহাম্মদ ইদ্রিস আল মেহেদী দেশটির বাদশাহ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন লিবিয়ার তরুণ সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল মুয়াম্মার আল গাদ্দাফি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৮১৪ সালের এ দিনে বৃটেন এবং আমেরিকার মধ্যে বিরাজমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। এই যুদ্ধ ১৮১২ সালের যুদ্ধ নামে পরিচিত। ১৮১২ সালের যুদ্ধ বন্ধের জন্য বৃটেন এবং আমেরিকা বেলজিয়ামে সন্ধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলো। সন্ধি মোতাবেক জয় করা সকল এলাকার ফিরিয়ে দিতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে সীমানা নির্ধারণের জন্য কমিশন গঠন করা হবে। ১৮১২ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র বৃটেনের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলো বলে এই যুদ্ধকে ১৮১২ সালের যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করা হয়। বৃটিশ কর্তৃক ফ্রান্সের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ, হাজার হাজার নিরপেক্ষ মার্কিন নাগরিককে তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে বৃটিশ নৌবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেটলেক এলাকায় সে সময় বসবাসরত আমেরিকান ইন্ডিয়ান নামে পরিচিত আমেরিকার আদিবাসীদের সহায়তা দেয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলো। মার্কিন কংগ্রেসের একদল সদস্য এই যুদ্ধ ঘোষণা করার জন্য এর আগে থেকেই মত প্রকাশ করছিলো। সে সময় বৃটেন ফ্রান্সের নেপোলিয়ানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ লিপ্ত ছিলো। এ সময় বৃটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ভূমি দখল করতে পারবে বলে মনে করা হয়েছিলো।

  • পর্তুগিজ নাবিক ও পর্যটক ভাস্কো দা গামার মৃত্যু (১৫২৪)
  • কলকাতায় প্রথম নিখিল ভারত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত (১৮৮৬)
  • লেনিনের ইসক্রা’ পত্রিকা প্রকাশ (১৯০০)
  • লিবিয়ার স্বাধীনতা লাভ (১৯৫১)
  • সাপ্তাহিক ইত্তেফাক দৈনিক ইত্তেফাক হিসেবে প্রকাশিত (১৯৫৩)
  • রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর পদত্যাগ (১৯৭৩)
  • সুরিনামের রাষ্ট্রপতি র্যাম সেওয়াক শংকর সেনাঅভ্যুখানে ক্ষমতাচ্যুত (১৯৯০)
  • রেনে প্রেভাল হাইতির রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত (১৯৯৫)