ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

ইতিহাসের এই দিনে, ২১ ডিসেম্বর

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

১৯৬৪ সালের এ দিনে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পি.এল.ও. গঠিত হয়। ৮ টি গেরিলা গ্রুপসহ কয়েকটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, চিকিৎসা ও শিক্ষা সংক্রান্ত সংগঠন নিয়ে গঠিত হয় এই দল। এক বছর পর প্রায় দশ হাজার সদস্য নিয়ে পি.এল.ও’র সামরিক শাখা ফাতাহ গঠিত হয়। ১৯৭৪ সালে পি.এল.ও-কে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকের পদ দেয়া হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত এই দলটির সাথে বিশ্বের ১০০টিরও বেশী দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এই একই বছরে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইল লেবাননে হামলা চালালে পি.এল.ও লেবানন থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। এরপর পি.এল.ও ধীরে ধীরে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ থেকে সরে আসে। ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পি.এল.ও’র চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে দখলদার ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেন। এর বিনিময়ে ইসরাইল পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনীদেরকে স্বায়ত্তশাসন দেয়ার অঙ্গীকার করে। কিন্তু ইসরাইল তার এ অঙ্গীকারসহ অন্য অনেক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করে নি। অন্যদিকে পি.এল.ও’র নেতারা ইসরাইলকে ব্যাপক ছাড় দেয়ায় ফিলিস্তিনের অন্যান্য দল ও জনগণ সব সময়ই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে।

১৯৮৮ সালের এ দিনে স্কটল্যান্ডের লকারবির আকাশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি যাত্রীবাহী বিমান বিস্ফোরিত হবার ঘটনায় ২৭০ জন প্রাণ হারায়। বৃটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনার জন্য লিবিয়ার দুজন নাগরিককে দোষী বলে অভিযুক্ত করে। অভিযুক্ত ঐ দুই ব্যক্তিকে লিবিয়ায় আশ্রয় দেয়ার কারণে বৃটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাপের মুখে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ১৯৯২ সালে লিবিয়ার ওপর সামরিক, বিমান ও তেল অবরোধ আরোপ করে। এরপর এ দুই দেশের সাথে এক সমঝোতা অনুযায়ী লিবিয়া অভিযুক্ত ঐ দুই ব্যক্তিকে হেগের আদালতে সমর্পন করে। হেগের আদালতের বিচারে অভিযুক্ত ঐ দুই ব্যক্তির একজন নির্দোষ বলে প্রমাণিত হন এবং অন্য ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। অবশেষে লিবিয়া ২০০৩ সালে মার্কিন যাত্রীবাহী বিমানটিতে বিস্ফোরণ ঘটানোর দায়িত্ব স্বীকার করে এবং এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদেরকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। এর এক মাস পর নিরাপত্তা পরিষদ লিবিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

৬০ হিজরীর এ দিনে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)’র অন্যতম একনিষ্ঠ সাহাবী ও অনুসারী হযরত মিসাম তাম্মার (রাঃ) শাহাদত বরণ করেন। তিনি প্রথম জীবনে একজন দাস ছিলেন। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)’র চাচাতো ভাই ও আহলে বাইত (আঃ)’র সদস্য হযরত আলী (আঃ) তাম্মার (রাঃ)কে কিনে মুক্ত করে দেন। হযরত আলী (আঃ) তাম্মার (রাঃ)কে খুব ভালবাসতেন এবং তাঁকে খুব শ্রদ্ধা করতেন। হযরত মিসাম তাম্মারও হযরত আলী (আঃ)’র গভীর অনুরাগী ছিলেন। হযরত আলী (আঃ)সহ বিশ্বনবী (সা)’র আহলে বাইত (আঃ)’রপ্রতি তাঁর গভীর ভালবাসা ও প্রকাশ্য সমর্থনের কারণে উমাইয়া শাসকরা তাঁকে নির্মমভাবে শহীদ করে।

৪৮১ হিজরীর এ দিনে ইরানের বিখ্যাত আরেফ ও মনীষী খাজা আবদুল্লাহ আনসারী (রঃ) ইন্তেকাল করেন। তিনি হেরাতের পীর বা হেরাতের বৃদ্ধ নামে খ্যাত ছিলেন। তার জন্ম হয়েছিল হেরাতে। হাদীস, রিজাল ও তাফসীরে পারদর্শিতা অর্জনের পর আবদুল্লাহ আনসারী বেশ কয়েকবার নিশাপুর যান এবং সেখানকার মহান ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে এসে নিজের জ্ঞান বৃদ্ধি করেন। খাজা আবদুল্লাহ আনসারী সব সময় শিক্ষকতা, শিক্ষা অর্জন ও আত্মপরিশুদ্ধিতে মগ্ন থাকতেন। আবদুল্লাহ আনসারীর লেখা বইগুলোর মধ্যে কাশফুল আসরার ওয়া ওয়াদ্দাহুল আবরার, মোনাজাতনামে, আল আরবাঈন ও মানাযেলুস সায়েরীন উল্লেখযোগ্য। আবদুল্লাহ আনসারীর লেখা কাব্যগ্রন্থও রয়েছে।

১৮৬২ সালের এ দিনে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধ শুরু হয়। ইরানী সেনাদের বীরত্বপূর্ণ লড়াই সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের দূর্বলতা ও সময়মত ইরানী সেনাদের সহায়তা দিতে ব্যর্থতার কারণে এ যুদ্ধে ইরানীরা পরাজিত হয়। ফলে তুর্কম্যানচাই নামের হীনতাজনক চুক্তি স্বাক্ষর করতে হয় ইরানকে এবং ইরান আজারবাইজানের এক বিশাল অংশ ছেড়ে দেয় রাশিয়ার কাছে।

  • ১৮৬২ সালের এ দিনে সাইয়েদ আহমদ ব্রেলভী জিহাদ ঘোষণা করেন এবং এক যুদ্ধে শিখরা পরাজিত হয়।
  • ১৯৫৮ সালের এ দিনে দ্যা গল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
  • ১৯৯১ সালের এ দিনে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘটে এবং দেশটিতে ৭২ বছরের সমাজতান্ত্রিক শাসনের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটে।
  • রাজা রণজিৎ সিংয়ের বিরুদ্ধে সৈয়দ আহমদ ব্রেলভীর যুদ্ধ ঘোষণা (১৮২৬)
  • ব্রিটেনে সর্বপ্রথম আবেদনিক ওষুধের প্রয়োগ (১৮৪৬)
  • যশোরের পর কলকাতা থেকে অমৃতবাজার পত্রিকা প্রকাশিত (১৮৭১)
  • এ্যাপোলো-৮ উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে মহাশূন্যে প্রথমবারের মতো মানুষের চন্দ্র প্রদক্ষিণ (১৯৬৯)
  • ম্যানিলায় জাহাজ ট্যাংকার দুর্ঘটনায় ২ হাজার লোকের প্রাণহানি (১৯৮৭)
  • সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া)-এর আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি। ৭২ বছরের সমাজতান্ত্রিক শাসনের চূড়ান্ত সমাপ্তি (১৯৯১)
  • রাশিয়ায় নতুন সংবিধান প্রবর্তন (১৯৯৩)
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

ইতিহাসের এই দিনে, ২১ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ০১:৩৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

১৯৬৪ সালের এ দিনে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পি.এল.ও. গঠিত হয়। ৮ টি গেরিলা গ্রুপসহ কয়েকটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, চিকিৎসা ও শিক্ষা সংক্রান্ত সংগঠন নিয়ে গঠিত হয় এই দল। এক বছর পর প্রায় দশ হাজার সদস্য নিয়ে পি.এল.ও’র সামরিক শাখা ফাতাহ গঠিত হয়। ১৯৭৪ সালে পি.এল.ও-কে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকের পদ দেয়া হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত এই দলটির সাথে বিশ্বের ১০০টিরও বেশী দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এই একই বছরে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইল লেবাননে হামলা চালালে পি.এল.ও লেবানন থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। এরপর পি.এল.ও ধীরে ধীরে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ থেকে সরে আসে। ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পি.এল.ও’র চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে দখলদার ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেন। এর বিনিময়ে ইসরাইল পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনীদেরকে স্বায়ত্তশাসন দেয়ার অঙ্গীকার করে। কিন্তু ইসরাইল তার এ অঙ্গীকারসহ অন্য অনেক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করে নি। অন্যদিকে পি.এল.ও’র নেতারা ইসরাইলকে ব্যাপক ছাড় দেয়ায় ফিলিস্তিনের অন্যান্য দল ও জনগণ সব সময়ই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে।

১৯৮৮ সালের এ দিনে স্কটল্যান্ডের লকারবির আকাশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি যাত্রীবাহী বিমান বিস্ফোরিত হবার ঘটনায় ২৭০ জন প্রাণ হারায়। বৃটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনার জন্য লিবিয়ার দুজন নাগরিককে দোষী বলে অভিযুক্ত করে। অভিযুক্ত ঐ দুই ব্যক্তিকে লিবিয়ায় আশ্রয় দেয়ার কারণে বৃটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাপের মুখে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ১৯৯২ সালে লিবিয়ার ওপর সামরিক, বিমান ও তেল অবরোধ আরোপ করে। এরপর এ দুই দেশের সাথে এক সমঝোতা অনুযায়ী লিবিয়া অভিযুক্ত ঐ দুই ব্যক্তিকে হেগের আদালতে সমর্পন করে। হেগের আদালতের বিচারে অভিযুক্ত ঐ দুই ব্যক্তির একজন নির্দোষ বলে প্রমাণিত হন এবং অন্য ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। অবশেষে লিবিয়া ২০০৩ সালে মার্কিন যাত্রীবাহী বিমানটিতে বিস্ফোরণ ঘটানোর দায়িত্ব স্বীকার করে এবং এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদেরকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। এর এক মাস পর নিরাপত্তা পরিষদ লিবিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

৬০ হিজরীর এ দিনে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)’র অন্যতম একনিষ্ঠ সাহাবী ও অনুসারী হযরত মিসাম তাম্মার (রাঃ) শাহাদত বরণ করেন। তিনি প্রথম জীবনে একজন দাস ছিলেন। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)’র চাচাতো ভাই ও আহলে বাইত (আঃ)’র সদস্য হযরত আলী (আঃ) তাম্মার (রাঃ)কে কিনে মুক্ত করে দেন। হযরত আলী (আঃ) তাম্মার (রাঃ)কে খুব ভালবাসতেন এবং তাঁকে খুব শ্রদ্ধা করতেন। হযরত মিসাম তাম্মারও হযরত আলী (আঃ)’র গভীর অনুরাগী ছিলেন। হযরত আলী (আঃ)সহ বিশ্বনবী (সা)’র আহলে বাইত (আঃ)’রপ্রতি তাঁর গভীর ভালবাসা ও প্রকাশ্য সমর্থনের কারণে উমাইয়া শাসকরা তাঁকে নির্মমভাবে শহীদ করে।

৪৮১ হিজরীর এ দিনে ইরানের বিখ্যাত আরেফ ও মনীষী খাজা আবদুল্লাহ আনসারী (রঃ) ইন্তেকাল করেন। তিনি হেরাতের পীর বা হেরাতের বৃদ্ধ নামে খ্যাত ছিলেন। তার জন্ম হয়েছিল হেরাতে। হাদীস, রিজাল ও তাফসীরে পারদর্শিতা অর্জনের পর আবদুল্লাহ আনসারী বেশ কয়েকবার নিশাপুর যান এবং সেখানকার মহান ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে এসে নিজের জ্ঞান বৃদ্ধি করেন। খাজা আবদুল্লাহ আনসারী সব সময় শিক্ষকতা, শিক্ষা অর্জন ও আত্মপরিশুদ্ধিতে মগ্ন থাকতেন। আবদুল্লাহ আনসারীর লেখা বইগুলোর মধ্যে কাশফুল আসরার ওয়া ওয়াদ্দাহুল আবরার, মোনাজাতনামে, আল আরবাঈন ও মানাযেলুস সায়েরীন উল্লেখযোগ্য। আবদুল্লাহ আনসারীর লেখা কাব্যগ্রন্থও রয়েছে।

১৮৬২ সালের এ দিনে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধ শুরু হয়। ইরানী সেনাদের বীরত্বপূর্ণ লড়াই সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের দূর্বলতা ও সময়মত ইরানী সেনাদের সহায়তা দিতে ব্যর্থতার কারণে এ যুদ্ধে ইরানীরা পরাজিত হয়। ফলে তুর্কম্যানচাই নামের হীনতাজনক চুক্তি স্বাক্ষর করতে হয় ইরানকে এবং ইরান আজারবাইজানের এক বিশাল অংশ ছেড়ে দেয় রাশিয়ার কাছে।

  • ১৮৬২ সালের এ দিনে সাইয়েদ আহমদ ব্রেলভী জিহাদ ঘোষণা করেন এবং এক যুদ্ধে শিখরা পরাজিত হয়।
  • ১৯৫৮ সালের এ দিনে দ্যা গল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
  • ১৯৯১ সালের এ দিনে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘটে এবং দেশটিতে ৭২ বছরের সমাজতান্ত্রিক শাসনের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটে।
  • রাজা রণজিৎ সিংয়ের বিরুদ্ধে সৈয়দ আহমদ ব্রেলভীর যুদ্ধ ঘোষণা (১৮২৬)
  • ব্রিটেনে সর্বপ্রথম আবেদনিক ওষুধের প্রয়োগ (১৮৪৬)
  • যশোরের পর কলকাতা থেকে অমৃতবাজার পত্রিকা প্রকাশিত (১৮৭১)
  • এ্যাপোলো-৮ উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে মহাশূন্যে প্রথমবারের মতো মানুষের চন্দ্র প্রদক্ষিণ (১৯৬৯)
  • ম্যানিলায় জাহাজ ট্যাংকার দুর্ঘটনায় ২ হাজার লোকের প্রাণহানি (১৯৮৭)
  • সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া)-এর আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি। ৭২ বছরের সমাজতান্ত্রিক শাসনের চূড়ান্ত সমাপ্তি (১৯৯১)
  • রাশিয়ায় নতুন সংবিধান প্রবর্তন (১৯৯৩)