ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারের মামলায় হয়রানীর অভিযোগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জমিজমা নিয়ে মামলা করে ফাঁসাতে ব্যর্থ হয়ে পড়ে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারসহ সাতটি মামলায় একজনকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বরগুনায়। ভুক্তভোগীর বাড়ি জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালীবাড়ি গ্রাম। তার নাম হারুন অর রশীদ।

সোমবার বিকেলে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন হারুণ। তাকে ফাঁসাতে চেষ্টার কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুত্র হারুন অর রশিদ ও তার বড় বোন ফিরোজা বেগম।

হারুন বলেন, তিনি তার বাবা ছাইদুর রহমানের একমাত্র ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর চাচা তোরাব আলী ও তার ছয় ছেলে তাদের জমিজমা দখল করে নিতে চাইছে। ২০১৫ সালের ৬ মে চাচাত ভাই আল আমিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হারুন ও তার বৃদ্ধা মা হাজেরা খাতুনকে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসার পর প্রতিপক্ষ চাচাতভাইসহ আটজনকে আসামি করে পাথরঘাটা থানায় ২০১৫ সালের ২২ মে মামলা করেন হারুন। তিনি জানান, এই মামলায় পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে তার চাচাত ভাইরা। মামলা তুলে নিতে দিতে থাকে একের পর এক হুমকি। এতেও হারুনকে দমাতে না পেরে তাকে ধর্ষণ চেষ্টা, মানব পাচার ও নারী নির্যাতনসহ সাতটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।

হারুন বলেন, ‘পাথরঘাটা উপজেলায় যেখানেই যে ঘটনা ঘটুক না কেন বাদীপক্ষকে মামলার খরচ দিয়ে সেসব ঘটনার সাথে জড়িয়ে আমাকে আসামি করে আসছে চাচাত ভাইয়েরা।’ হারুণ বলেন, পৈতৃকসূত্রে পাওয়া সামান্য জমি চাষ করে মা আর স্ত্রীসন্তান নিয়ে কোনমতে চলছিলেন তিনি। এখন একের পর এক মামলার ভয়ে তিনি বাড়ি থাকতে পারেন না।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ খবীর আহমেদ দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘হারুন-অর-রশীদের করা মামলার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। এখন এটা অদালতের বিচার্য বিষয়। তবে তার বিরুদ্ধে যদি কোন মিথ্যে মামলা হয়ে থাকে তবে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি দেখা হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারের মামলায় হয়রানীর অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জমিজমা নিয়ে মামলা করে ফাঁসাতে ব্যর্থ হয়ে পড়ে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারসহ সাতটি মামলায় একজনকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বরগুনায়। ভুক্তভোগীর বাড়ি জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালীবাড়ি গ্রাম। তার নাম হারুন অর রশীদ।

সোমবার বিকেলে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন হারুণ। তাকে ফাঁসাতে চেষ্টার কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুত্র হারুন অর রশিদ ও তার বড় বোন ফিরোজা বেগম।

হারুন বলেন, তিনি তার বাবা ছাইদুর রহমানের একমাত্র ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর চাচা তোরাব আলী ও তার ছয় ছেলে তাদের জমিজমা দখল করে নিতে চাইছে। ২০১৫ সালের ৬ মে চাচাত ভাই আল আমিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হারুন ও তার বৃদ্ধা মা হাজেরা খাতুনকে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসার পর প্রতিপক্ষ চাচাতভাইসহ আটজনকে আসামি করে পাথরঘাটা থানায় ২০১৫ সালের ২২ মে মামলা করেন হারুন। তিনি জানান, এই মামলায় পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে তার চাচাত ভাইরা। মামলা তুলে নিতে দিতে থাকে একের পর এক হুমকি। এতেও হারুনকে দমাতে না পেরে তাকে ধর্ষণ চেষ্টা, মানব পাচার ও নারী নির্যাতনসহ সাতটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।

হারুন বলেন, ‘পাথরঘাটা উপজেলায় যেখানেই যে ঘটনা ঘটুক না কেন বাদীপক্ষকে মামলার খরচ দিয়ে সেসব ঘটনার সাথে জড়িয়ে আমাকে আসামি করে আসছে চাচাত ভাইয়েরা।’ হারুণ বলেন, পৈতৃকসূত্রে পাওয়া সামান্য জমি চাষ করে মা আর স্ত্রীসন্তান নিয়ে কোনমতে চলছিলেন তিনি। এখন একের পর এক মামলার ভয়ে তিনি বাড়ি থাকতে পারেন না।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ খবীর আহমেদ দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘হারুন-অর-রশীদের করা মামলার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। এখন এটা অদালতের বিচার্য বিষয়। তবে তার বিরুদ্ধে যদি কোন মিথ্যে মামলা হয়ে থাকে তবে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি দেখা হবে।’