ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারের মামলায় হয়রানীর অভিযোগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জমিজমা নিয়ে মামলা করে ফাঁসাতে ব্যর্থ হয়ে পড়ে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারসহ সাতটি মামলায় একজনকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বরগুনায়। ভুক্তভোগীর বাড়ি জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালীবাড়ি গ্রাম। তার নাম হারুন অর রশীদ।

সোমবার বিকেলে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন হারুণ। তাকে ফাঁসাতে চেষ্টার কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুত্র হারুন অর রশিদ ও তার বড় বোন ফিরোজা বেগম।

হারুন বলেন, তিনি তার বাবা ছাইদুর রহমানের একমাত্র ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর চাচা তোরাব আলী ও তার ছয় ছেলে তাদের জমিজমা দখল করে নিতে চাইছে। ২০১৫ সালের ৬ মে চাচাত ভাই আল আমিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হারুন ও তার বৃদ্ধা মা হাজেরা খাতুনকে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসার পর প্রতিপক্ষ চাচাতভাইসহ আটজনকে আসামি করে পাথরঘাটা থানায় ২০১৫ সালের ২২ মে মামলা করেন হারুন। তিনি জানান, এই মামলায় পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে তার চাচাত ভাইরা। মামলা তুলে নিতে দিতে থাকে একের পর এক হুমকি। এতেও হারুনকে দমাতে না পেরে তাকে ধর্ষণ চেষ্টা, মানব পাচার ও নারী নির্যাতনসহ সাতটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।

হারুন বলেন, ‘পাথরঘাটা উপজেলায় যেখানেই যে ঘটনা ঘটুক না কেন বাদীপক্ষকে মামলার খরচ দিয়ে সেসব ঘটনার সাথে জড়িয়ে আমাকে আসামি করে আসছে চাচাত ভাইয়েরা।’ হারুণ বলেন, পৈতৃকসূত্রে পাওয়া সামান্য জমি চাষ করে মা আর স্ত্রীসন্তান নিয়ে কোনমতে চলছিলেন তিনি। এখন একের পর এক মামলার ভয়ে তিনি বাড়ি থাকতে পারেন না।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ খবীর আহমেদ দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘হারুন-অর-রশীদের করা মামলার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। এখন এটা অদালতের বিচার্য বিষয়। তবে তার বিরুদ্ধে যদি কোন মিথ্যে মামলা হয়ে থাকে তবে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি দেখা হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারের মামলায় হয়রানীর অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জমিজমা নিয়ে মামলা করে ফাঁসাতে ব্যর্থ হয়ে পড়ে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারসহ সাতটি মামলায় একজনকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বরগুনায়। ভুক্তভোগীর বাড়ি জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালীবাড়ি গ্রাম। তার নাম হারুন অর রশীদ।

সোমবার বিকেলে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন হারুণ। তাকে ফাঁসাতে চেষ্টার কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুত্র হারুন অর রশিদ ও তার বড় বোন ফিরোজা বেগম।

হারুন বলেন, তিনি তার বাবা ছাইদুর রহমানের একমাত্র ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর চাচা তোরাব আলী ও তার ছয় ছেলে তাদের জমিজমা দখল করে নিতে চাইছে। ২০১৫ সালের ৬ মে চাচাত ভাই আল আমিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হারুন ও তার বৃদ্ধা মা হাজেরা খাতুনকে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসার পর প্রতিপক্ষ চাচাতভাইসহ আটজনকে আসামি করে পাথরঘাটা থানায় ২০১৫ সালের ২২ মে মামলা করেন হারুন। তিনি জানান, এই মামলায় পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে তার চাচাত ভাইরা। মামলা তুলে নিতে দিতে থাকে একের পর এক হুমকি। এতেও হারুনকে দমাতে না পেরে তাকে ধর্ষণ চেষ্টা, মানব পাচার ও নারী নির্যাতনসহ সাতটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।

হারুন বলেন, ‘পাথরঘাটা উপজেলায় যেখানেই যে ঘটনা ঘটুক না কেন বাদীপক্ষকে মামলার খরচ দিয়ে সেসব ঘটনার সাথে জড়িয়ে আমাকে আসামি করে আসছে চাচাত ভাইয়েরা।’ হারুণ বলেন, পৈতৃকসূত্রে পাওয়া সামান্য জমি চাষ করে মা আর স্ত্রীসন্তান নিয়ে কোনমতে চলছিলেন তিনি। এখন একের পর এক মামলার ভয়ে তিনি বাড়ি থাকতে পারেন না।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ খবীর আহমেদ দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘হারুন-অর-রশীদের করা মামলার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। এখন এটা অদালতের বিচার্য বিষয়। তবে তার বিরুদ্ধে যদি কোন মিথ্যে মামলা হয়ে থাকে তবে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি দেখা হবে।’