ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ‘নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়’ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটে মিলবে ফ্রি ইন্টারনেট: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির

ফেনীমুক্ত দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফেনীমুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বুধবার সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। মুক্তিবাহিনীর টাস্কফোর্স কমান্ডার, বিলোনীয়া ২নং সাব-সেক্টর কমান্ডার ও সাবেক মন্ত্রী ক্যাপ্টেন জাফর ইমাম (পরবর্তীকালে লে. কর্নেল ও বীর বিক্রম) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পতাকা উত্তোলন করেন।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক দেবময় দেওয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন আহমদ চৌধুরী নাসিম, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য জাহান আরা বেগম সুরমা, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক দেবময় দেওয়ান, পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, সিভিল সার্জন ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহমান বি.কম, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আবদুল হান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সরকারি-বেসরকারি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাফর ইমাম বীর বিক্রম লাল-সবুজের পতাকা ধরে নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস জানার আহবান জানান।

১৯৭১ সালের এদিন ভোর থেকে সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধারা ফেনীর পূর্বাঞ্চল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ২নং সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন জাফর ইমামের নেতৃত্বে দলে দলে ফেনী শহরে প্রবেশ করতে থাকে। জড়ো হওয়া মুক্তি সংগ্রামীরা মিছিল থেকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়। স্লোগান শুনে প্রথমে শহরবাসী বিশ্বাস করতে পারেনি। বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেকেই পরিচিত মুক্তিযোদ্ধাদের মিছিলে দেখে উৎপুল্ল হয়ে উঠেন। একপর্যায়ে সাধারণ মানুষ মিছিলে শরিক হতে শুরু করেন। স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধের লক্ষণ দেখে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাক বাহিনী আর তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী ফেনীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পালিয়ে এসে ফেনী শহর হয়ে চট্টগ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। এভাবেই দীর্ঘ নয় মাসের বজ্রকঠিন সংগ্রামের মধ্যদিয়ে মুক্তিকামীরা লাল-সবুজের এক টুকরো পতাকা ফেনীর জমিনে উড্ডিন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

ফেনীমুক্ত দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

আপডেট সময় ০৫:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফেনীমুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বুধবার সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। মুক্তিবাহিনীর টাস্কফোর্স কমান্ডার, বিলোনীয়া ২নং সাব-সেক্টর কমান্ডার ও সাবেক মন্ত্রী ক্যাপ্টেন জাফর ইমাম (পরবর্তীকালে লে. কর্নেল ও বীর বিক্রম) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পতাকা উত্তোলন করেন।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক দেবময় দেওয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন আহমদ চৌধুরী নাসিম, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য জাহান আরা বেগম সুরমা, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক দেবময় দেওয়ান, পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, সিভিল সার্জন ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহমান বি.কম, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আবদুল হান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সরকারি-বেসরকারি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাফর ইমাম বীর বিক্রম লাল-সবুজের পতাকা ধরে নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস জানার আহবান জানান।

১৯৭১ সালের এদিন ভোর থেকে সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধারা ফেনীর পূর্বাঞ্চল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ২নং সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন জাফর ইমামের নেতৃত্বে দলে দলে ফেনী শহরে প্রবেশ করতে থাকে। জড়ো হওয়া মুক্তি সংগ্রামীরা মিছিল থেকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়। স্লোগান শুনে প্রথমে শহরবাসী বিশ্বাস করতে পারেনি। বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেকেই পরিচিত মুক্তিযোদ্ধাদের মিছিলে দেখে উৎপুল্ল হয়ে উঠেন। একপর্যায়ে সাধারণ মানুষ মিছিলে শরিক হতে শুরু করেন। স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধের লক্ষণ দেখে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাক বাহিনী আর তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী ফেনীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পালিয়ে এসে ফেনী শহর হয়ে চট্টগ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। এভাবেই দীর্ঘ নয় মাসের বজ্রকঠিন সংগ্রামের মধ্যদিয়ে মুক্তিকামীরা লাল-সবুজের এক টুকরো পতাকা ফেনীর জমিনে উড্ডিন করেন।