ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

যে ইবাদতে মিলবে পরকালে প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরকালে আল্লাহর রহমত এবং প্রিয়নবী (সা:) এর সুপারিশ ব্যতিত সফলতার কোনো সুযোগ নেই। তাই আল্লাহর রহমত লাভ এবং প্রিয়নবীর (সা:) সুপারিশ লাভে ইবাদত বন্দেগিতে মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। পরকালে প্রিয়নবীর শাফায়াত লাভের জন্য ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত বন্দেগি করা জরুরি।

বান্দা ইবাদত-বন্দেগিতে ইখলাস অবলম্বনের ক্ষেত্রের যতবেশি অগ্রগামী হবে সে কেয়ামতের দিন ততবেশি শাফায়াত লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে। প্রিয়নবী (সা:) এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন-

‘কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি যে ইখলাসের সঙ্গে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে, ‘আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।’ (বুখারি)

আলোচ্য হাদিসে দুটি বিষয় সুস্পষ্ট। পরকালে প্রিয়নবী (সা:) এর শাফায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই তাকে তাওহিদের ওপর একনিষ্ঠ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করতে হবে।

আর এ সব ইবাদত-বন্দেগিতে ‘তাওহিদ, রেসালাত ও আখেরাতের প্রতি ইখলাসপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। তবেই প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত সম্ভব হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

যে ইবাদতে মিলবে পরকালে প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত

আপডেট সময় ১১:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরকালে আল্লাহর রহমত এবং প্রিয়নবী (সা:) এর সুপারিশ ব্যতিত সফলতার কোনো সুযোগ নেই। তাই আল্লাহর রহমত লাভ এবং প্রিয়নবীর (সা:) সুপারিশ লাভে ইবাদত বন্দেগিতে মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। পরকালে প্রিয়নবীর শাফায়াত লাভের জন্য ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত বন্দেগি করা জরুরি।

বান্দা ইবাদত-বন্দেগিতে ইখলাস অবলম্বনের ক্ষেত্রের যতবেশি অগ্রগামী হবে সে কেয়ামতের দিন ততবেশি শাফায়াত লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে। প্রিয়নবী (সা:) এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন-

‘কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি যে ইখলাসের সঙ্গে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে, ‘আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।’ (বুখারি)

আলোচ্য হাদিসে দুটি বিষয় সুস্পষ্ট। পরকালে প্রিয়নবী (সা:) এর শাফায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই তাকে তাওহিদের ওপর একনিষ্ঠ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করতে হবে।

আর এ সব ইবাদত-বন্দেগিতে ‘তাওহিদ, রেসালাত ও আখেরাতের প্রতি ইখলাসপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। তবেই প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত সম্ভব হবে।