ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল কিনবে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশকে জরিমানা করল আইসিসি হরমুজ ‘অবরুদ্ধ’ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, খুলতে চাইছে ইরান: ট্রাম্প আবার যুদ্ধ হলে ‘শত্রুর বাকি সম্পদ চূর্ণবিচূর্ণ’ করে দেব: আইআরজিসি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: মাহদী আমিন দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা সৌদি আরব পৌঁছেছেন ২০৫৫৩ হজযাত্রী, একজনের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ‌বির‌তির মেয়াদ বাড়ানোকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব

যে ইবাদতে মিলবে পরকালে প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরকালে আল্লাহর রহমত এবং প্রিয়নবী (সা:) এর সুপারিশ ব্যতিত সফলতার কোনো সুযোগ নেই। তাই আল্লাহর রহমত লাভ এবং প্রিয়নবীর (সা:) সুপারিশ লাভে ইবাদত বন্দেগিতে মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। পরকালে প্রিয়নবীর শাফায়াত লাভের জন্য ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত বন্দেগি করা জরুরি।

বান্দা ইবাদত-বন্দেগিতে ইখলাস অবলম্বনের ক্ষেত্রের যতবেশি অগ্রগামী হবে সে কেয়ামতের দিন ততবেশি শাফায়াত লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে। প্রিয়নবী (সা:) এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন-

‘কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি যে ইখলাসের সঙ্গে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে, ‘আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।’ (বুখারি)

আলোচ্য হাদিসে দুটি বিষয় সুস্পষ্ট। পরকালে প্রিয়নবী (সা:) এর শাফায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই তাকে তাওহিদের ওপর একনিষ্ঠ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করতে হবে।

আর এ সব ইবাদত-বন্দেগিতে ‘তাওহিদ, রেসালাত ও আখেরাতের প্রতি ইখলাসপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। তবেই প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত সম্ভব হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল কিনবে সরকার

যে ইবাদতে মিলবে পরকালে প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত

আপডেট সময় ১১:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরকালে আল্লাহর রহমত এবং প্রিয়নবী (সা:) এর সুপারিশ ব্যতিত সফলতার কোনো সুযোগ নেই। তাই আল্লাহর রহমত লাভ এবং প্রিয়নবীর (সা:) সুপারিশ লাভে ইবাদত বন্দেগিতে মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। পরকালে প্রিয়নবীর শাফায়াত লাভের জন্য ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত বন্দেগি করা জরুরি।

বান্দা ইবাদত-বন্দেগিতে ইখলাস অবলম্বনের ক্ষেত্রের যতবেশি অগ্রগামী হবে সে কেয়ামতের দিন ততবেশি শাফায়াত লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে। প্রিয়নবী (সা:) এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন-

‘কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি যে ইখলাসের সঙ্গে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে, ‘আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।’ (বুখারি)

আলোচ্য হাদিসে দুটি বিষয় সুস্পষ্ট। পরকালে প্রিয়নবী (সা:) এর শাফায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই তাকে তাওহিদের ওপর একনিষ্ঠ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করতে হবে।

আর এ সব ইবাদত-বন্দেগিতে ‘তাওহিদ, রেসালাত ও আখেরাতের প্রতি ইখলাসপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। তবেই প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত সম্ভব হবে।