ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভার্চুয়ালি আদালত পরিচালনায় বিচারকাজে সমস্যা হবে না : অ্যাটর্নি জেনারেল শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক রাত পর শিশু সন্তানসহ কারামুক্ত হলেন সেই মহিলা লীগ নেত্রী চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল কিনবে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশকে জরিমানা করল আইসিসি হরমুজ ‘অবরুদ্ধ’ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, খুলতে চাইছে ইরান: ট্রাম্প আবার যুদ্ধ হলে ‘শত্রুর বাকি সম্পদ চূর্ণবিচূর্ণ’ করে দেব: আইআরজিসি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: মাহদী আমিন দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

কুরআন বলে কেমন করে সৃষ্টি হলো আকাশ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মাথার উপড় দাঁড়িয়ে আছে বিশাল খুঁটিহীন আকাশ। আল্লাহর এই মহা সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর কুদরত লুকিয়ে আছে। লুকিয়ে আছে মহা বিষ্ময়। আল্লাহ তায়ালা আকাশ সৃষ্টির কথা নিজেই বলেন:-
তিনিই সেই সত্তা যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু। অতঃপর তিনি মনঃসংযোগ করেন আকাশের দিকে। অতঃপর তাকে সপ্ত আকাশে বিন্যস্ত করেন। আর তিনি সকল বিষয়ে জ্ঞাত’ (বাক্বারাহ-২৯)
আপনি বলে দিন, তোমরা কি তাঁকে অস্বীকার করবে যিনি দু’দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তারপর তিনি আসমানের দিকে মনোনিবেশ করেন। তা ছিল ধোঁয়া। (হামীম সাজদাহ-৯,১১)
তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন, না আকাশের সৃষ্টি? যা তিনি নির্মাণ করেছেন। তিনি তার ছাদকে সুউচ্চ করেছেন। অতঃপর তাকে বিন্যস্ত করেছেন। পৃথিবীকে এর পরে তিনি বিস্তৃত করেছেন। সেখান থেকে তিনি নির্গত করেছেন পানি (নাযি‘আত-২৭,৩২)
তোমরা কি লক্ষ্য করনি আল্লাহ্ কিভাবে সৃষ্টি করেছেন ৭ স্তরে সাজানো আকাশ আর সেখানে চন্দ্রকে আলো হিসেবে সূর্যকে প্রদীপ হিসেবে স্থাপন করেছেন (সূরা-নূর-১৫,১৬)
জিজ্ঞাসা কর, সাত আকাশ ও আরশের অধিপতি কে? ওরা বলবে, আল্লাহ্ । হে রাসুল! বলে দিন, তবুও কি তোমরা সাবধান হবে না? (সূরা-মুমিনুন-৮৬,৮৭)
তিনি (আল্লাহ্) স্তরে স্তরে সাজিয়ে ৭ আকাশ সৃষ্টি করেছেন। দয়াময় আল্লাহর সৃষ্টিতে তুমি কোন খুঁত দেখতে পাবে না (সূরা-মুলুক-৩) আমি তোমাদের ঊর্ধ্বদেশে সুদৃঢ় সপ্তাকাশ নির্মাণ করেছি (নাবা-১২) তিনি পৃথিবীর সব কিছু তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করেন ও তাকে ৭ আকাশে সাজান, তিনি সর্ব বিষয়েই সর্বজ্ঞানী (সূরা-বাকার-২৯)
আল্লাহ্ সেই মহান সৃষ্টিকর্তা, যিনি ৭ আসমান সৃষ্টি করেছেন এবং জমিনও এ সংখ্যায় সৃষ্টি করেছেন (সূরা-তালাক-১২) ।
এরাকি কখনও তাদের ওপরের আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখে না কিভাবে আমি তা তৈরী করেছি ও তাকে সুশোভিত করেছি ? আর তাতে কোন (সূ²তম) ফাটলও নেই। (সুরা ক্বাফ-৬) আল্লাহই ঊর্ধ্বদেশে আকাশমন্ডলী স্থাপন করেছেন স্তম্ভ ব্যতীত, তোমরা এটা দেখছ্;ো অতঃপর তিনি আরশে সমন্নীত হলেন। (সুরা রাদ-০২)
কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে; অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম। (সুরা আম্বিয়ার-৩০) তিনিই আকাশকে স্থির রাখেন যাতে ওটা পতিত না হয় পৃথিবীর উপর তাঁর অনুমতি ছাড়া। (হজ্জ-৬৫)
তারা কি তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে, আসমার ও যমীনে যা আছে তার প্রতি লক্ষ্য করে না ? আমি ইচ্ছা করলে তাদেরকেসহ ভুমি ধ্বসিয়ে দিবো অথবা তাদের উপর আকাশের কোন খন্ডের পতন ঘটাবো। (সুরা সাবার-৯) আকাশমন্ডলী তার ঊর্ধ্বদেশ হতে ফেটে (ভেঙ্গে) পড়ার উপক্রম হয় এবং ফেরেশতারা তাদের প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করে এবং জগদ্বাসীদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে। (শূরা-৫) যদি তারা আকাশের কোন খন্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখে, তারা বলেঃ এটা তো এক পুঞ্জীভ‚ত মেঘ। (সুরা তূর-৪৪) অথবা তুমি যেমন বলে থাকো, তদানুযায়ী আকাশকে খন্ড-বিখন্ড করে আমাদের উপর ফেলবে অথবা আল্লাহ ও ফেরেশতাদেরকে আমাদের সামনে উপস্থিত করবে। (সুরা বানী ইসরাইল-৯২)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভার্চুয়ালি আদালত পরিচালনায় বিচারকাজে সমস্যা হবে না : অ্যাটর্নি জেনারেল

কুরআন বলে কেমন করে সৃষ্টি হলো আকাশ

আপডেট সময় ০৪:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মাথার উপড় দাঁড়িয়ে আছে বিশাল খুঁটিহীন আকাশ। আল্লাহর এই মহা সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর কুদরত লুকিয়ে আছে। লুকিয়ে আছে মহা বিষ্ময়। আল্লাহ তায়ালা আকাশ সৃষ্টির কথা নিজেই বলেন:-
তিনিই সেই সত্তা যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু। অতঃপর তিনি মনঃসংযোগ করেন আকাশের দিকে। অতঃপর তাকে সপ্ত আকাশে বিন্যস্ত করেন। আর তিনি সকল বিষয়ে জ্ঞাত’ (বাক্বারাহ-২৯)
আপনি বলে দিন, তোমরা কি তাঁকে অস্বীকার করবে যিনি দু’দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তারপর তিনি আসমানের দিকে মনোনিবেশ করেন। তা ছিল ধোঁয়া। (হামীম সাজদাহ-৯,১১)
তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন, না আকাশের সৃষ্টি? যা তিনি নির্মাণ করেছেন। তিনি তার ছাদকে সুউচ্চ করেছেন। অতঃপর তাকে বিন্যস্ত করেছেন। পৃথিবীকে এর পরে তিনি বিস্তৃত করেছেন। সেখান থেকে তিনি নির্গত করেছেন পানি (নাযি‘আত-২৭,৩২)
তোমরা কি লক্ষ্য করনি আল্লাহ্ কিভাবে সৃষ্টি করেছেন ৭ স্তরে সাজানো আকাশ আর সেখানে চন্দ্রকে আলো হিসেবে সূর্যকে প্রদীপ হিসেবে স্থাপন করেছেন (সূরা-নূর-১৫,১৬)
জিজ্ঞাসা কর, সাত আকাশ ও আরশের অধিপতি কে? ওরা বলবে, আল্লাহ্ । হে রাসুল! বলে দিন, তবুও কি তোমরা সাবধান হবে না? (সূরা-মুমিনুন-৮৬,৮৭)
তিনি (আল্লাহ্) স্তরে স্তরে সাজিয়ে ৭ আকাশ সৃষ্টি করেছেন। দয়াময় আল্লাহর সৃষ্টিতে তুমি কোন খুঁত দেখতে পাবে না (সূরা-মুলুক-৩) আমি তোমাদের ঊর্ধ্বদেশে সুদৃঢ় সপ্তাকাশ নির্মাণ করেছি (নাবা-১২) তিনি পৃথিবীর সব কিছু তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করেন ও তাকে ৭ আকাশে সাজান, তিনি সর্ব বিষয়েই সর্বজ্ঞানী (সূরা-বাকার-২৯)
আল্লাহ্ সেই মহান সৃষ্টিকর্তা, যিনি ৭ আসমান সৃষ্টি করেছেন এবং জমিনও এ সংখ্যায় সৃষ্টি করেছেন (সূরা-তালাক-১২) ।
এরাকি কখনও তাদের ওপরের আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখে না কিভাবে আমি তা তৈরী করেছি ও তাকে সুশোভিত করেছি ? আর তাতে কোন (সূ²তম) ফাটলও নেই। (সুরা ক্বাফ-৬) আল্লাহই ঊর্ধ্বদেশে আকাশমন্ডলী স্থাপন করেছেন স্তম্ভ ব্যতীত, তোমরা এটা দেখছ্;ো অতঃপর তিনি আরশে সমন্নীত হলেন। (সুরা রাদ-০২)
কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে; অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম। (সুরা আম্বিয়ার-৩০) তিনিই আকাশকে স্থির রাখেন যাতে ওটা পতিত না হয় পৃথিবীর উপর তাঁর অনুমতি ছাড়া। (হজ্জ-৬৫)
তারা কি তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে, আসমার ও যমীনে যা আছে তার প্রতি লক্ষ্য করে না ? আমি ইচ্ছা করলে তাদেরকেসহ ভুমি ধ্বসিয়ে দিবো অথবা তাদের উপর আকাশের কোন খন্ডের পতন ঘটাবো। (সুরা সাবার-৯) আকাশমন্ডলী তার ঊর্ধ্বদেশ হতে ফেটে (ভেঙ্গে) পড়ার উপক্রম হয় এবং ফেরেশতারা তাদের প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করে এবং জগদ্বাসীদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে। (শূরা-৫) যদি তারা আকাশের কোন খন্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখে, তারা বলেঃ এটা তো এক পুঞ্জীভ‚ত মেঘ। (সুরা তূর-৪৪) অথবা তুমি যেমন বলে থাকো, তদানুযায়ী আকাশকে খন্ড-বিখন্ড করে আমাদের উপর ফেলবে অথবা আল্লাহ ও ফেরেশতাদেরকে আমাদের সামনে উপস্থিত করবে। (সুরা বানী ইসরাইল-৯২)