ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ পরীক্ষা ভীতি দূর করে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: তারেক রহমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না অভিনেত্রী চমক ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, সুনামি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইরান গুমের বিরুদ্ধে শক্ত আইন চায় জনগণ : রিজভী শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে হামের টিকার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হজরত মুয়াযকে যে দোয়া পড়তে বললেন প্রিয়নবী

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হজরত মুয়ায (রা:) নবীকরিম (সা:) এর সম্মানিত সাহাবি। প্রিয়নবীর জীবদ্দশায় তাকে মুফতি হিসেবে গণ্য করা হতো। তিনি কুরআনের নির্ভরযোগ্য কারি এবং সুবিজ্ঞ আলিম ছিলেন। হজরত মুয়ায ইবনে জাবাল অত্যন্ত সুদর্শন, মিষ্ট স্বভাব, মুক্ত হস্ত দানশীল, ভদ্র, সুবক্তা ও সুকণ্ঠের অধিকারী ছিলেন।

নবীকরিম (সা:) তাকে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের জন্য দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। যে দিক নির্দেশনা উম্মতে মুসলিমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একদিন নবীকরিম (সা:) তাকে বললেন, ‘হে মুয়াজ! ফরজ নামাজগুলোর পর এ দোয়া পাঠ কর-

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাকে তোমার জিকির ও শোকর আদায় করার তাওফিক দাও এবং উত্তমরূপে তোমার ইবাদত করার তাওফিক দান কর।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

হজরত মুয়াযকে যে দোয়া পড়তে বললেন প্রিয়নবী

আপডেট সময় ১০:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হজরত মুয়ায (রা:) নবীকরিম (সা:) এর সম্মানিত সাহাবি। প্রিয়নবীর জীবদ্দশায় তাকে মুফতি হিসেবে গণ্য করা হতো। তিনি কুরআনের নির্ভরযোগ্য কারি এবং সুবিজ্ঞ আলিম ছিলেন। হজরত মুয়ায ইবনে জাবাল অত্যন্ত সুদর্শন, মিষ্ট স্বভাব, মুক্ত হস্ত দানশীল, ভদ্র, সুবক্তা ও সুকণ্ঠের অধিকারী ছিলেন।

নবীকরিম (সা:) তাকে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের জন্য দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। যে দিক নির্দেশনা উম্মতে মুসলিমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একদিন নবীকরিম (সা:) তাকে বললেন, ‘হে মুয়াজ! ফরজ নামাজগুলোর পর এ দোয়া পাঠ কর-

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাকে তোমার জিকির ও শোকর আদায় করার তাওফিক দাও এবং উত্তমরূপে তোমার ইবাদত করার তাওফিক দান কর।’