অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে পঠন-পাঠন ও উচ্চতর গবেষণার লক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এটিই দেশের দ্বিতীয় ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৫তম সিন্ডিকেট সভায় এ সংক্রান্ত নীতিমালা পাশ হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হওয়া সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ৩টি আবাসিক হলের নামে অতিরিক্ত পদবী সংযোজন করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল এবং শেখ হাসিনা হলের নাম দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল নামকরণ করা হয়েছে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দুর্নীতির ঘটনায় গঠিত তদন্ত প্রতিবেদন ও শোকজের জবাব পর্যালোচনা করে সিন্ডিকেট। এতে ফিন্যান্স বিভাগের দুই শিক্ষক রুহুল আমিন ও আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে এবং বঙ্গবন্ধু হলের কর্মকতা ওয়ালিদুর রহমান মুকুটের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে কেন শাস্তি দেওয়া হবে না এ মর্মে শোকজ নোটিশ করার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ডি-ইউনিটের প্রশ্ন-মিসিং এর ঘটনায় ওই ইউনিটের সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. শামসুল আলমের বিরুদ্ধেও শোকজ নোটিশ করা হবে।
অপর দিকে, আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিফোন অফিসের উপ-প্রকৌশলী তৈমুর রেজা তুহিনকে তার পদ থেকে আজীবনের জন্য কর্মকর্তা পদে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে। এফ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গঠনায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুরুল ইসলামকে প্রভাষক পদে ৫বছরের জন্য পদাবনতি দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে তিনি কোন ধরণের পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। একই অপরাধের সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় হিসাব শাখার সহায়ক কর্মচারী সাইফুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সাধারণ কর্মচারী আলালউদ্দিন ৫বছর কোন ইনক্রিমেন্ট পাবে না এবং আগামী ২ বছর তাদের কোন প্রমোশন হবে না।
এছাড়া, প্রকৌশল অফিসের চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ওএসডি) মকবুল হোসেনের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার বিষয়টি সিন্ডিকেটে গৃহিত হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে চলমান থাকা তদন্ত কমিটির তদন্ত কাজ চলবে।
সিন্ডিকেট সভা শেষে বিকাল সাড়ে ৫টায় ভিসির বাংলোয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে ভিসি প্রফেসর ড. মো. হারুন উর রশিদ আসকারী এসব তথ্য উপস্থাপন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সেলিম তোহা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মাহবুবর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















