ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

যেসব খাবার ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ডায়াবেটিস নামের মধ্যেই আতঙ্ক জড়িয়ে রয়েছে৷ বর্তমানে বহু মানুষ এই রোগে আক্রান্ত৷ তবে বেশ কিছু ভেষজ ও প্রাকৃতিক প্রতিকারের সাহায্যে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ সেই সঙ্গে সঠিক চিকিৎসা ও খাদ্যাভাসও একান্ত জরুরি৷ এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা।

পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে।  ডায়াবেটিস প্রতিরোধ রইল কিছু পরামর্শ-

* প্রতিদিন ফল ও সবুজ সবজি খান৷ যেকোন ধরণের মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন৷ সবুজ শাক-সবজি সাধারণত ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেট (শর্করা)-এর পরিমাণ কম। ফলে এগুলো ডায়াবেটিস ঠেকাতে ভালো ভূমিকা রাখে।

* রসুন এই রোগেরই একটি অন্যতম ভেষজ প্রতিকার৷ রসুনে অ্যালিসিন থাকে যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে দেয়না৷

* মাছের ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায়। ফলে ইনসুলিনের ক্রিয়াশীলতা বাড়ে। এটা গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়া এতে রয়েছে চর্বিহীন প্রোটিন। এটাও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

* টক দই এমনিতেই স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসাবে বিবেচিত। এতে চিনির পরিমাণ খুবই কম। এটা রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।   নিয়মিত টক দই খেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

* প্রতিদিন সকালে যদি ৫ থেকে ১০টি তাজা কারি পাতা খাওয়া যায় তবে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব৷ টাটকা আমের পাতাকে একগ্লাস জলে সেদ্ধ করে সারারাত রেখে দিন৷ পরদিন সকালে পাতা ছেঁকে যদি সেই পানি খেলে তবে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে৷

* বাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। চিনাবাদাম ডায়াবেটিসের ঝুঁকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম রাখলে তা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ভালো কাজ দেয়। এছাড়া নিয়মিত বাদাম খেলে ডায়াবেটিসজনিত হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

* গ্রিন টি বা সবুজ চা ইদানিং বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধেও এর ভূমিকা বেশ কার্যকর। এটা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে। অতিরিক্ত ওজন কমাতেও গ্রিন টি বেশ উপকারী।

* ডায়াবেটিস রোধে জাম খুব উপকারি৷ এটি শর্করাকে শ্বেতসারে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

যেসব খাবার ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে

আপডেট সময় ১১:০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ডায়াবেটিস নামের মধ্যেই আতঙ্ক জড়িয়ে রয়েছে৷ বর্তমানে বহু মানুষ এই রোগে আক্রান্ত৷ তবে বেশ কিছু ভেষজ ও প্রাকৃতিক প্রতিকারের সাহায্যে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ সেই সঙ্গে সঠিক চিকিৎসা ও খাদ্যাভাসও একান্ত জরুরি৷ এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা।

পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে।  ডায়াবেটিস প্রতিরোধ রইল কিছু পরামর্শ-

* প্রতিদিন ফল ও সবুজ সবজি খান৷ যেকোন ধরণের মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন৷ সবুজ শাক-সবজি সাধারণত ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেট (শর্করা)-এর পরিমাণ কম। ফলে এগুলো ডায়াবেটিস ঠেকাতে ভালো ভূমিকা রাখে।

* রসুন এই রোগেরই একটি অন্যতম ভেষজ প্রতিকার৷ রসুনে অ্যালিসিন থাকে যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে দেয়না৷

* মাছের ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায়। ফলে ইনসুলিনের ক্রিয়াশীলতা বাড়ে। এটা গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়া এতে রয়েছে চর্বিহীন প্রোটিন। এটাও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

* টক দই এমনিতেই স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসাবে বিবেচিত। এতে চিনির পরিমাণ খুবই কম। এটা রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।   নিয়মিত টক দই খেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

* প্রতিদিন সকালে যদি ৫ থেকে ১০টি তাজা কারি পাতা খাওয়া যায় তবে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব৷ টাটকা আমের পাতাকে একগ্লাস জলে সেদ্ধ করে সারারাত রেখে দিন৷ পরদিন সকালে পাতা ছেঁকে যদি সেই পানি খেলে তবে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে৷

* বাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। চিনাবাদাম ডায়াবেটিসের ঝুঁকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম রাখলে তা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ভালো কাজ দেয়। এছাড়া নিয়মিত বাদাম খেলে ডায়াবেটিসজনিত হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

* গ্রিন টি বা সবুজ চা ইদানিং বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধেও এর ভূমিকা বেশ কার্যকর। এটা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে। অতিরিক্ত ওজন কমাতেও গ্রিন টি বেশ উপকারী।

* ডায়াবেটিস রোধে জাম খুব উপকারি৷ এটি শর্করাকে শ্বেতসারে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়৷