ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মালয়েশিয়ায় কোনো ইসরাইলি নাগরিকের উপস্থিতি শনাক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম।

তিনি বলেছেন, ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার নীতিতে মালয়েশিয়া অনড় এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক প্রবেশ করেছে- এমন অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।

আনোয়ার বলেন, আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। এটি কোনোভাবেই অনুমোদন করা হবে না। যদি ইসরাইলি নাগরিকের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেহেতু মালয়েশিয়া ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় না, তাই তাদের অবিলম্বে বহিষ্কার করা হবে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি ড. জামব্রি আবদুল কাদির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দ্বিতীয় কোনো দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে কয়েকজন ইসরাইলি নাগরিক জোহর রাজ্যে প্রবেশ করেছেন। একই ধরনের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বলা হয়, ইসরাইলি পাসপোর্টের পাশাপাশি অন্য দেশের নাগরিকত্বের নথি ব্যবহার করে কয়েকজন বিদেশি মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করেছেন বা দেশটিতে অবস্থান করছেন।

ফরেস্ট সিটির ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’ ঘিরে তদন্ত:

এদিকে অভিযোগের পর জোহর রাজ্য সরকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ফরেস্ট সিটিতে পরিচালিত প্রযুক্তিভিত্তিক আবাসিক কমিউনিটি ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’-এর কার্যক্রম তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের একটি কর্মসূচিতে ইসরাইলি নাগরিকদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

জোহরের মুখ্যমন্ত্রী দাতুক ওন হাফিজ গাজি বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দ্বিতীয় কোনো দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন।

এ অভিযোগের পর মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) ফরেস্ট সিটিতে পরিচালিত ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’ ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে বর্তমানে ৪০টি দেশের ২৬৬ জন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছেন।

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, ১৪ জুলাই পরিচালিত যৌথ অভিযানে ইস্কান্দার পুতেরি সিটি কাউন্সিল (এমবিআইপি), মালয়েশিয়ান কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া কমিশন (এমসিএমসি), জোহর রাজ্য সরকারের সচিবের কার্যালয় এবং রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ অংশ নেয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিক যাচাইয়ে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট ২৬৬ জন বিদেশির সবার কাছেই বৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে। তবে তারা প্রবেশের শর্ত, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনের বিধান যথাযথভাবে মেনে চলেছেন কিনা, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা:

জাকারিয়া শাবান বলেন, মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের প্রবেশ বিদ্যমান অভিবাসন আইনের আওতায় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। দেশের প্রবেশপথে ভ্রমণ নথি, সংশ্লিষ্ট ডেটাবেস এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্য যাচাইয়ের পরই বিদেশিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, পরিচয় গোপন, ভ্রমণ নথির জালিয়াতি, অভিবাসন-সুবিধার অপব্যবহার কিংবা প্রদত্ত পাশের শর্ত লঙ্ঘনের বিষয়ে কোনো সন্দেহ বা নতুন তথ্য পাওয়া গেলে জেআইএম পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে।

মহাপরিচালক সতর্ক করে বলেন, অভিবাসন আইন লঙ্ঘন বা অভিবাসন-সুবিধার অপব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (কেডিএন) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অভিবাসন বিভাগ তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

উল্লেখ্য, ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’ ২০২৪ সালে প্রযুক্তি বিনিয়োগকারী বালাজি শ্রীনিবাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এটি মূলত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও তথাকথিত ‘টেকনো-অপটিমিস্ট’দের জন্য আবাসন ও কো-ওয়ার্কিং স্পেস হিসেবে পরিচালিত হয়। এখানে মাসিক ১ হাজার ৫শ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬,১১৮ রিঙ্গিত) ফি নেওয়া হয়। এ ফি-এর মধ্যে আবাসন, খাবার, জিম এবং অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার

আপডেট সময় ১০:৫৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মালয়েশিয়ায় কোনো ইসরাইলি নাগরিকের উপস্থিতি শনাক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম।

তিনি বলেছেন, ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার নীতিতে মালয়েশিয়া অনড় এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক প্রবেশ করেছে- এমন অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।

আনোয়ার বলেন, আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। এটি কোনোভাবেই অনুমোদন করা হবে না। যদি ইসরাইলি নাগরিকের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেহেতু মালয়েশিয়া ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় না, তাই তাদের অবিলম্বে বহিষ্কার করা হবে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি ড. জামব্রি আবদুল কাদির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দ্বিতীয় কোনো দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে কয়েকজন ইসরাইলি নাগরিক জোহর রাজ্যে প্রবেশ করেছেন। একই ধরনের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বলা হয়, ইসরাইলি পাসপোর্টের পাশাপাশি অন্য দেশের নাগরিকত্বের নথি ব্যবহার করে কয়েকজন বিদেশি মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করেছেন বা দেশটিতে অবস্থান করছেন।

ফরেস্ট সিটির ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’ ঘিরে তদন্ত:

এদিকে অভিযোগের পর জোহর রাজ্য সরকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ফরেস্ট সিটিতে পরিচালিত প্রযুক্তিভিত্তিক আবাসিক কমিউনিটি ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’-এর কার্যক্রম তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের একটি কর্মসূচিতে ইসরাইলি নাগরিকদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

জোহরের মুখ্যমন্ত্রী দাতুক ওন হাফিজ গাজি বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দ্বিতীয় কোনো দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন।

এ অভিযোগের পর মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) ফরেস্ট সিটিতে পরিচালিত ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’ ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে বর্তমানে ৪০টি দেশের ২৬৬ জন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছেন।

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, ১৪ জুলাই পরিচালিত যৌথ অভিযানে ইস্কান্দার পুতেরি সিটি কাউন্সিল (এমবিআইপি), মালয়েশিয়ান কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া কমিশন (এমসিএমসি), জোহর রাজ্য সরকারের সচিবের কার্যালয় এবং রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ অংশ নেয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিক যাচাইয়ে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট ২৬৬ জন বিদেশির সবার কাছেই বৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে। তবে তারা প্রবেশের শর্ত, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনের বিধান যথাযথভাবে মেনে চলেছেন কিনা, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা:

জাকারিয়া শাবান বলেন, মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের প্রবেশ বিদ্যমান অভিবাসন আইনের আওতায় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। দেশের প্রবেশপথে ভ্রমণ নথি, সংশ্লিষ্ট ডেটাবেস এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্য যাচাইয়ের পরই বিদেশিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, পরিচয় গোপন, ভ্রমণ নথির জালিয়াতি, অভিবাসন-সুবিধার অপব্যবহার কিংবা প্রদত্ত পাশের শর্ত লঙ্ঘনের বিষয়ে কোনো সন্দেহ বা নতুন তথ্য পাওয়া গেলে জেআইএম পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে।

মহাপরিচালক সতর্ক করে বলেন, অভিবাসন আইন লঙ্ঘন বা অভিবাসন-সুবিধার অপব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (কেডিএন) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অভিবাসন বিভাগ তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

উল্লেখ্য, ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’ ২০২৪ সালে প্রযুক্তি বিনিয়োগকারী বালাজি শ্রীনিবাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এটি মূলত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও তথাকথিত ‘টেকনো-অপটিমিস্ট’দের জন্য আবাসন ও কো-ওয়ার্কিং স্পেস হিসেবে পরিচালিত হয়। এখানে মাসিক ১ হাজার ৫শ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬,১১৮ রিঙ্গিত) ফি নেওয়া হয়। এ ফি-এর মধ্যে আবাসন, খাবার, জিম এবং অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।