ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দুর্নীতি করে অর্থনীতির বেহাল দশা করে গেছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নির্বাচনের আগে থেকেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে জামায়াত: মির্জা ফখরুল জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: সিটিটিসি জ্বালানির কারণে রফতানি কমেছে—এমন ধারণা ভুল: পাটমন্ত্রী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন মেধানির্ভর আত্মবিশ্বাসী মানবসম্পদ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প

আবদুল আজিজ বিন ফাহাদ বেঁচে আছেন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আল আকসা মসজিদ ও ফিলিস্তিনিদের স্বাধিকারের পক্ষে সোচ্চার সৌদি প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদের নিহত হওয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সৌদির তথ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন। খবর এএফপির।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রিন্স আবদুল আজিজের নিহত হওয়ার বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত গুজবের কোনো সত্যতা নেই। তিনি বেঁচে আছেন এবং ভালো আছেন। প্রিন্স আবদুল আজিজ সাবেক সৌদি বাদশাহ ফাহাদের কনিষ্ঠ পুত্র।

হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে প্রিন্স মনসুর বিন মুকরিন নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর প্রিন্স আবদুল আজিজের নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া না গেলেও মাইক্রোব্লগ টুইটারে ‘ডেথ অব প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদ’ নামক হ্যাশট্যাগ দিয়ে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইর সাবেক স্পেশাল এজেন্ট আল এইচ সৌফান আবদুল আজিজের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন। টুইটারে দেয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আবদুল আজিজের মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার বয়স ছিল ৪৪ বছর। এর আগে সাবেক যুবরাজের পুত্র প্রিন্স মনসুর বিন মুকরিনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

গত শনিবার সৌদি যুবরাজ সালমান বিন আবদুল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে দেশটির ১১ রাজপুত্র প্রিন্স, চারজন বর্তমান মন্ত্রী এবং প্রায় ডজন খানেক সাবেক মন্ত্রী গ্রেফতার হন। এরপর সোমবার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের আসির প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স মনসুর বিন মুকরিন তার কয়েকজন সহকর্মীসহ নিহত হন।

প্রিন্স মনসুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশের পর একই দিন প্রিন্স আবদুল আজিজ নিহত বলে গুজব ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এই প্রিন্স ফিলিস্তিন ইস্যুতে সোচ্চার হওয়ার কারণে মুসলিম বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়। তার নিহত হওয়ার খবরে বেশ সমালোচনার মুখে পড়ে সৌদি সরকার।

চলতি বছরের জুলাইয়ে এক টুইটে প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদ লেখেন, ‘সামর্থ্য অনুযায়ী প্রত্যেক মুসলিম ফিলিস্তিনে এবং পবিত্র আল আকসা মসজিদে আমাদের ভাইদের সমর্থন করতে বাধ্য। হে মুহাম্মদের জাতি, তাদের দেখিয়ে দাও তোমরা কারা। আল আকসাকে অবহেলা করাটা হবে অসম্মানজনক। সৃষ্টিকর্তা আমাদের কাছে এর জবাব চাইবেন।’

অন্য এক টুইটে তিনি লেখেন, ‘হে মুহাম্মদের জাতি, আমাদের তৃতীয় কিবলা দখলদারদের হাতে বন্দি। আমাদের মধ্যে কি কোনো প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি নেই? আসুন লড়াই করি। আমাদের বিজয়ী হয়ে এই পবিত্র ঘরের সংরক্ষণ করতে হবে। আর সে লড়াইয়ে ব্যর্থ আমাদের রব আমাদের ক্ষমা করবেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কলেজছাত্রের বানানো গো-কার্ট চালালেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন উৎসাহ

আবদুল আজিজ বিন ফাহাদ বেঁচে আছেন

আপডেট সময় ০৫:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আল আকসা মসজিদ ও ফিলিস্তিনিদের স্বাধিকারের পক্ষে সোচ্চার সৌদি প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদের নিহত হওয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সৌদির তথ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন। খবর এএফপির।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রিন্স আবদুল আজিজের নিহত হওয়ার বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত গুজবের কোনো সত্যতা নেই। তিনি বেঁচে আছেন এবং ভালো আছেন। প্রিন্স আবদুল আজিজ সাবেক সৌদি বাদশাহ ফাহাদের কনিষ্ঠ পুত্র।

হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে প্রিন্স মনসুর বিন মুকরিন নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর প্রিন্স আবদুল আজিজের নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া না গেলেও মাইক্রোব্লগ টুইটারে ‘ডেথ অব প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদ’ নামক হ্যাশট্যাগ দিয়ে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইর সাবেক স্পেশাল এজেন্ট আল এইচ সৌফান আবদুল আজিজের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন। টুইটারে দেয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আবদুল আজিজের মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার বয়স ছিল ৪৪ বছর। এর আগে সাবেক যুবরাজের পুত্র প্রিন্স মনসুর বিন মুকরিনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

গত শনিবার সৌদি যুবরাজ সালমান বিন আবদুল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে দেশটির ১১ রাজপুত্র প্রিন্স, চারজন বর্তমান মন্ত্রী এবং প্রায় ডজন খানেক সাবেক মন্ত্রী গ্রেফতার হন। এরপর সোমবার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের আসির প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স মনসুর বিন মুকরিন তার কয়েকজন সহকর্মীসহ নিহত হন।

প্রিন্স মনসুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশের পর একই দিন প্রিন্স আবদুল আজিজ নিহত বলে গুজব ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এই প্রিন্স ফিলিস্তিন ইস্যুতে সোচ্চার হওয়ার কারণে মুসলিম বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়। তার নিহত হওয়ার খবরে বেশ সমালোচনার মুখে পড়ে সৌদি সরকার।

চলতি বছরের জুলাইয়ে এক টুইটে প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদ লেখেন, ‘সামর্থ্য অনুযায়ী প্রত্যেক মুসলিম ফিলিস্তিনে এবং পবিত্র আল আকসা মসজিদে আমাদের ভাইদের সমর্থন করতে বাধ্য। হে মুহাম্মদের জাতি, তাদের দেখিয়ে দাও তোমরা কারা। আল আকসাকে অবহেলা করাটা হবে অসম্মানজনক। সৃষ্টিকর্তা আমাদের কাছে এর জবাব চাইবেন।’

অন্য এক টুইটে তিনি লেখেন, ‘হে মুহাম্মদের জাতি, আমাদের তৃতীয় কিবলা দখলদারদের হাতে বন্দি। আমাদের মধ্যে কি কোনো প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি নেই? আসুন লড়াই করি। আমাদের বিজয়ী হয়ে এই পবিত্র ঘরের সংরক্ষণ করতে হবে। আর সে লড়াইয়ে ব্যর্থ আমাদের রব আমাদের ক্ষমা করবেন।’