ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

মাদুরোকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ‍হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার দেশটির নেতা নিকোলাস মাদুরোকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তিনি একজন খারাপ নেতা ও ভেনেজুয়েলায় স্বৈরশাসন জারি করতে চান।’ তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার দুঃসময়ে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকবে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। এদিকে সরকার বিরোধী গণভোটে রবিবার ভোটে অংশ নেয় ৭০ লাখেরও বেশি ভেনেজুয়েলান। সাবেক প্রেসিডেন্ট চ্যাভেজের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দ্রুত জনপ্রিয়তা হারাতে থাকেন। মাদুরো জুলাই মাসের শেষ দিকে একটি জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচনের পরিকল্পনা করেছেন। বিরোধিরা এই প্রতিনিধি নির্বাচনের বিরোধিতা করে গণভোট আয়োজন করেছে। এতে প্রশ্ন রাখা হয়েছে, ভোটাররা আসলেই একটি নতুন সংবিধান চান কিনা।

বৃহস্পতিবার বিরোধী দল সারাদেশে হরতাল ডেকেছে। মাদুরোকে পদচ্যুত করে আগাম নির্বাচনের উদ্দেশ্য তাদের। তবে মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প কি ব্যবস্থা নেবেন সেটা নিশ্চিত করে বলেননি।এদিকে রবিবারের গণভোটকে স্বীকৃতি দেয়নি সরকার। গণভোট পর্যবেক্ষণ করার জন্য শনিবার বেশ কয়েকজন সাবেক লাতিন আমেরিকান নেতা রাজধানী কারাকাসে আসেন। যেসব ভেনেজুয়েলান বিদেশে থাকেন তারাও ভোট দিতে পারবেন।

গত কয়েক মাস ধরেই ভেনেজুয়েলায় প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ হচ্ছে। এ পর্যন্ত বিক্ষোভে নিহত হয়েছেন শতাধিক ও আহত হয়েছেন প্রায় দেড় হাজার। এ নির্বাচন অবশ্য পুরোপুরিই প্রতীকী। বিরোধী দল বলছে, এটার মাধ্যমে তারা জনগণের মতামত নিচ্ছে যে সরকারকে আসলেই সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে দেওয়া যায় কিনা।

সরকার একটি নতুন সংবিধান চাইছে। মাদুরোর মতে, দেশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট থেকে টেনে তোলার এটাই একমাত্র উপায়। কিন্তু এ পরিকল্পনার ফলে ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

মাদুরোকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০২:২৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ‍হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার দেশটির নেতা নিকোলাস মাদুরোকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তিনি একজন খারাপ নেতা ও ভেনেজুয়েলায় স্বৈরশাসন জারি করতে চান।’ তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার দুঃসময়ে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকবে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। এদিকে সরকার বিরোধী গণভোটে রবিবার ভোটে অংশ নেয় ৭০ লাখেরও বেশি ভেনেজুয়েলান। সাবেক প্রেসিডেন্ট চ্যাভেজের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দ্রুত জনপ্রিয়তা হারাতে থাকেন। মাদুরো জুলাই মাসের শেষ দিকে একটি জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচনের পরিকল্পনা করেছেন। বিরোধিরা এই প্রতিনিধি নির্বাচনের বিরোধিতা করে গণভোট আয়োজন করেছে। এতে প্রশ্ন রাখা হয়েছে, ভোটাররা আসলেই একটি নতুন সংবিধান চান কিনা।

বৃহস্পতিবার বিরোধী দল সারাদেশে হরতাল ডেকেছে। মাদুরোকে পদচ্যুত করে আগাম নির্বাচনের উদ্দেশ্য তাদের। তবে মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প কি ব্যবস্থা নেবেন সেটা নিশ্চিত করে বলেননি।এদিকে রবিবারের গণভোটকে স্বীকৃতি দেয়নি সরকার। গণভোট পর্যবেক্ষণ করার জন্য শনিবার বেশ কয়েকজন সাবেক লাতিন আমেরিকান নেতা রাজধানী কারাকাসে আসেন। যেসব ভেনেজুয়েলান বিদেশে থাকেন তারাও ভোট দিতে পারবেন।

গত কয়েক মাস ধরেই ভেনেজুয়েলায় প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ হচ্ছে। এ পর্যন্ত বিক্ষোভে নিহত হয়েছেন শতাধিক ও আহত হয়েছেন প্রায় দেড় হাজার। এ নির্বাচন অবশ্য পুরোপুরিই প্রতীকী। বিরোধী দল বলছে, এটার মাধ্যমে তারা জনগণের মতামত নিচ্ছে যে সরকারকে আসলেই সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে দেওয়া যায় কিনা।

সরকার একটি নতুন সংবিধান চাইছে। মাদুরোর মতে, দেশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট থেকে টেনে তোলার এটাই একমাত্র উপায়। কিন্তু এ পরিকল্পনার ফলে ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে।