ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক হুইলচেয়ারে বসে দীপু মনিকে দেখতে ট্রাইব্যুনালে এলেন স্বামী বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মাদক সেবনের ছবি ভাইরাল এটা আমি-ডামির সরকার না, কাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চান: সংসদে টুকু হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডে ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়ছে যুদ্ধবিরতি, দাবি নেতানিয়াহুর শান্তি চাইলে সরাসরি যোগাযোগ করুক তেহরান: ট্রাম্প আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় হত্যা করা হয়, সে কারণেই আমি আজ সংসদে ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সে আরাম এখন হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেফতার-হয়রানি না করার নির্দেশ জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা

গাজীপুরে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মচারী আমির হোসেন রিংকুকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে একই সঙ্গে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাস করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আল-আমিন (৩৪)। তিনি বরিশালের কোতোয়ালী থানার পলাশপুর গ্রামের মৃত শাহজাহান ফকিরের ছেলে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- গাজীপুরের টঙ্গী মরকুন টেকপাড়া এলাকার আজগর আলীর ছেলে রকি ওরফে রাকিব (২৬) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার শাহাপুর গ্রামের মৃত ফজু মিয়ার ছেলে কাকন ওরফে কালন (২৫)। রায় ঘোষণাকালে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আল আমিন ছাড়াও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

গাজীপুর আদালতের পিপি মোঃ হারিছ উদ্দীন আহমেদ জানান, টঙ্গীর গোপালপুর পশ্চিম পাড়ার ইসমাইল হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে আমির হোসেন রিংকু উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন। পূর্ব শত্রুতার জেরে আসামিরা ২০১৫ সালের ১২ জুন রাত পৌনে ১০টার দিকে টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাষ্টার উড়াল সেতুর পূর্ব প্রান্তে সাতরং রোডের বিপরীতে পাকা সড়কের উপর ভিকটিম আমির হোসেন রিংকুকে একা পেয়ে তার গতিরোধে করে মারধর করে। এক পর্যায়ে রিংকু দৌড়ে বাঁচার চেষ্টা করে। এ সময় ছিনতাইকারী আল আমিন, ইলিয়াস ও অপর আসামিরা রিংকুকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় রিংকু মারা যায়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল কাইয়ুম বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে টঙ্গী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ বেলাল হোসেন তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে চলতি বছরের ১১ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট নয়জন সাক্ষির স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন গাজীপুর আদালতের পিপি মোঃ হারিছ উদ্দীন আহমেদ। আসামি পক্ষে ছিলেন সরকার মোঃ মিজানুর রহমান রিপন ও আম্বিয়া আফরোজা রত্না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক

গাজীপুরে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৫:০৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মচারী আমির হোসেন রিংকুকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে একই সঙ্গে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাস করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আল-আমিন (৩৪)। তিনি বরিশালের কোতোয়ালী থানার পলাশপুর গ্রামের মৃত শাহজাহান ফকিরের ছেলে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- গাজীপুরের টঙ্গী মরকুন টেকপাড়া এলাকার আজগর আলীর ছেলে রকি ওরফে রাকিব (২৬) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার শাহাপুর গ্রামের মৃত ফজু মিয়ার ছেলে কাকন ওরফে কালন (২৫)। রায় ঘোষণাকালে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আল আমিন ছাড়াও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

গাজীপুর আদালতের পিপি মোঃ হারিছ উদ্দীন আহমেদ জানান, টঙ্গীর গোপালপুর পশ্চিম পাড়ার ইসমাইল হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে আমির হোসেন রিংকু উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন। পূর্ব শত্রুতার জেরে আসামিরা ২০১৫ সালের ১২ জুন রাত পৌনে ১০টার দিকে টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাষ্টার উড়াল সেতুর পূর্ব প্রান্তে সাতরং রোডের বিপরীতে পাকা সড়কের উপর ভিকটিম আমির হোসেন রিংকুকে একা পেয়ে তার গতিরোধে করে মারধর করে। এক পর্যায়ে রিংকু দৌড়ে বাঁচার চেষ্টা করে। এ সময় ছিনতাইকারী আল আমিন, ইলিয়াস ও অপর আসামিরা রিংকুকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় রিংকু মারা যায়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল কাইয়ুম বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে টঙ্গী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ বেলাল হোসেন তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে চলতি বছরের ১১ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট নয়জন সাক্ষির স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন গাজীপুর আদালতের পিপি মোঃ হারিছ উদ্দীন আহমেদ। আসামি পক্ষে ছিলেন সরকার মোঃ মিজানুর রহমান রিপন ও আম্বিয়া আফরোজা রত্না।