ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপলের সন্ধান পাওয়ার খবর সঠিক নয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে অপহৃত সাংবাদিক উৎপল দাস চিকিৎসাধীন আছেন। এমন খবরের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকরা বিভিন্ন হাসপাতালে নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের সন্ধান করেও তার সন্ধান পায়নি। স্থানীয় সাংবাদিকরা টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সদর এবং আশপাশের কমপক্ষে ১০টি ক্লিনিকে তল্লাশি করেন। এছাড়া থানা পুলিশও সন্ধান চালিয়ে তার কোন অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেননি বলে জানা গেছে।

রোববার পুলিশের এসআই মনির পরিচয় দিয়ে (০১৭৯৪৮৮২৯৮৬) নম্বর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানান, উৎপল মির্জাপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। টাকা নিয়ে এসে তার উন্নত চিকিৎসার করানোর কথা বলেন। রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে ওই নম্বরে যোগাযোগ করা কলে তিনি নিজেকে রিপন পরিচয় দিয়ে ফোনটি বন্ধ করে দেন।

জানা গেছে, রোববার বিকেলে উৎপল তার বাবা চিত্তরঞ্জন দাসকে মোবাইলে মির্জাপুরের একটি হাসপতালে তার অবস্থানের কথা জানালে তা তিনি মতিঝিল থানায় জানান বলে মির্জাপুর থানার ওসি এ কে এম মিজানুল হক জানিয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, উৎপলের বাবা মতিঝিল থানাকে জানিয়েছেন- উৎপল ফোন করে তাদের জানিয়েছে, তিনি মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বিষয়টি মতিঝিল থানা পুলিশ মির্জাপুর থানাকে জানালে মির্জাপুর থানা পুলিশ বিভিন্ন হাসপাতালে তল্লাশি চালানো শুরু করেন।

সন্ধায় ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে মির্জাপুরের সংবাদকর্মীদের বিষয়টি জানালে সাংবাদিকরা কুমুদিনী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সদর এবং আশপাশের কমপক্ষে ১০টি প্রাইভেট ক্লিনিকে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

গত ১০ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিলের অফিস থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন অনলাইন নিউজ পোর্টাল পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল। তিনি ফকিরাপুল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরার রাধানগরে।

সংবাদিক উৎপলের নিখোঁজের ঘটনায় অনলাইন নিউজ পোর্টালটির পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় জিডি করা হয়েছে। উৎপলের বাবাও একই থানায় আরেকটি জিডি করেন।

নিখোঁজের পর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। তবে ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে তার মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে বাবা চিত্তরঞ্জনের কাছে। প্রায় ৮ মিনিট কথা বলার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
এতথ্য জানিয়ে উৎপলের বাবা গণমাধ্যমে জানান, হঠাৎ ওই নম্বর থেকে কল করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার জানান, উৎপল নামে কোন রোগী তাদের হাসপাতালে ভর্তি হননি।

মির্জাপুর গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান পাটোয়ারির সঙ্গে কথা হলে বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই। মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, উৎপল দাস নামে কোন রোগী তার কমপ্লেক্সে ভর্তি হননি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলম বলেন, রিপন নামে তাদের কোন এসআই নেই। যে পরিচয় দেয়া হয়েছে তা ভূয়া বলে উল্লেখ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপলের সন্ধান পাওয়ার খবর সঠিক নয়

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে অপহৃত সাংবাদিক উৎপল দাস চিকিৎসাধীন আছেন। এমন খবরের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকরা বিভিন্ন হাসপাতালে নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের সন্ধান করেও তার সন্ধান পায়নি। স্থানীয় সাংবাদিকরা টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সদর এবং আশপাশের কমপক্ষে ১০টি ক্লিনিকে তল্লাশি করেন। এছাড়া থানা পুলিশও সন্ধান চালিয়ে তার কোন অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেননি বলে জানা গেছে।

রোববার পুলিশের এসআই মনির পরিচয় দিয়ে (০১৭৯৪৮৮২৯৮৬) নম্বর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানান, উৎপল মির্জাপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। টাকা নিয়ে এসে তার উন্নত চিকিৎসার করানোর কথা বলেন। রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে ওই নম্বরে যোগাযোগ করা কলে তিনি নিজেকে রিপন পরিচয় দিয়ে ফোনটি বন্ধ করে দেন।

জানা গেছে, রোববার বিকেলে উৎপল তার বাবা চিত্তরঞ্জন দাসকে মোবাইলে মির্জাপুরের একটি হাসপতালে তার অবস্থানের কথা জানালে তা তিনি মতিঝিল থানায় জানান বলে মির্জাপুর থানার ওসি এ কে এম মিজানুল হক জানিয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, উৎপলের বাবা মতিঝিল থানাকে জানিয়েছেন- উৎপল ফোন করে তাদের জানিয়েছে, তিনি মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বিষয়টি মতিঝিল থানা পুলিশ মির্জাপুর থানাকে জানালে মির্জাপুর থানা পুলিশ বিভিন্ন হাসপাতালে তল্লাশি চালানো শুরু করেন।

সন্ধায় ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে মির্জাপুরের সংবাদকর্মীদের বিষয়টি জানালে সাংবাদিকরা কুমুদিনী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সদর এবং আশপাশের কমপক্ষে ১০টি প্রাইভেট ক্লিনিকে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

গত ১০ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিলের অফিস থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন অনলাইন নিউজ পোর্টাল পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল। তিনি ফকিরাপুল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরার রাধানগরে।

সংবাদিক উৎপলের নিখোঁজের ঘটনায় অনলাইন নিউজ পোর্টালটির পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় জিডি করা হয়েছে। উৎপলের বাবাও একই থানায় আরেকটি জিডি করেন।

নিখোঁজের পর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। তবে ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে তার মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে বাবা চিত্তরঞ্জনের কাছে। প্রায় ৮ মিনিট কথা বলার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
এতথ্য জানিয়ে উৎপলের বাবা গণমাধ্যমে জানান, হঠাৎ ওই নম্বর থেকে কল করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার জানান, উৎপল নামে কোন রোগী তাদের হাসপাতালে ভর্তি হননি।

মির্জাপুর গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান পাটোয়ারির সঙ্গে কথা হলে বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই। মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, উৎপল দাস নামে কোন রোগী তার কমপ্লেক্সে ভর্তি হননি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলম বলেন, রিপন নামে তাদের কোন এসআই নেই। যে পরিচয় দেয়া হয়েছে তা ভূয়া বলে উল্লেখ করেন।