ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৮ নভেম্বর সমাবেশের অনুমতি চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ব্রিফিংয়ে রিজভী জানান, ‘জাতীয় ব্প্লিব ও সংহতি দিবস’ পালনের অংশ হিসেবে বিএনপি এ সমাবেশ করতে চায়। এই সমাবেশ সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উপস্থিত থাকবেন কি না—জানতে চাইলে রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, ওই দিন বড় জমায়েত হবে। তবে খালেদা জিয়া উপস্থিত থাকবেন কি না, সেটি পরে জানানো হবে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির খবরে বলা হয়, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে সেনা-জনতার অভ্যুত্থান মনে করা দলটি বৃহস্পতিবার দিবসটি উদযাপনে ১০ দিনের কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এসব কর্মসূচি চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত।

টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেনা ও বেসামরিক লোকজন ঢাকার ক্যান্টনমেন্টে বন্দি তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলো দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও মিত্র সংগঠনগুলো এটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা’র দিন মনে করে। অন্যদিকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি-রব) এটিকে সেনা-জনতার বিপ্লব দিবস হিসেবে পালন করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপি

আপডেট সময় ০২:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৮ নভেম্বর সমাবেশের অনুমতি চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ব্রিফিংয়ে রিজভী জানান, ‘জাতীয় ব্প্লিব ও সংহতি দিবস’ পালনের অংশ হিসেবে বিএনপি এ সমাবেশ করতে চায়। এই সমাবেশ সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উপস্থিত থাকবেন কি না—জানতে চাইলে রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, ওই দিন বড় জমায়েত হবে। তবে খালেদা জিয়া উপস্থিত থাকবেন কি না, সেটি পরে জানানো হবে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির খবরে বলা হয়, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে সেনা-জনতার অভ্যুত্থান মনে করা দলটি বৃহস্পতিবার দিবসটি উদযাপনে ১০ দিনের কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এসব কর্মসূচি চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত।

টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেনা ও বেসামরিক লোকজন ঢাকার ক্যান্টনমেন্টে বন্দি তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলো দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও মিত্র সংগঠনগুলো এটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা’র দিন মনে করে। অন্যদিকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি-রব) এটিকে সেনা-জনতার বিপ্লব দিবস হিসেবে পালন করে।