ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

অবশেষে মগবাজার-মালিবাগ ফ্লাইওভার খুলছে কাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অবশেষে যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দেয়া হচ্ছে রাজধানীর মগবাজার-মৌচাক-মালিবাগ ফ্লাইওভার। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উড়ালসড়কের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভিডিও কনফারেন্সের সময় মৌচাক অংশ থাকবেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন ও রাজনৈতিক নেতারা। উদ্বোধনের পর কালই ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাছে উড়ালসড়ক হস্তান্তর করবে এলজিইডি।

উড়ালসড়কটি উন্মুক্ত করা হলে মৌচাক, মালিবাগ, বাংলামোটর, রাজারবাগ, শান্তিনগর, মগবাজার এলাকার যানজট অনেকটাই কমে যাবে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও উড়াল সড়কটির প্রকল্পের পরিচালক সুশান্ত কুমার পাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘উড়ালসড়কের নিচের সড়ক ও ফুটপাতের সংস্কারকাজও প্রায় শেষ।’ চার লেনের উড়ালসড়কটি ছয়টি মোড় অতিক্রম করেছে। এগুলো হলো সাতরাস্তা, বিএফডিসি, মগবাজার, মৌচাক, শান্তিনগর ও মালিবাগ মোড়। এর মধ্যে মগবাজার, মালিবাগ ও কারওয়ান বাজারে রেললাইন অতিক্রম করেছে এই উড়ালসড়ক প্রকল্প।

এলজিইডি সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রায় ৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সমন্বিত উড়ালসড়কটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই ফ্লাইওভার প্রকল্পটি ঢাকা শহরের স্ট্রাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানের (এসটিপি) অন্তর্ভুক্ত।

প্রথমে এই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরে নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যয় বাড়তে বাড়তে ১ হাজার ২১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার অর্থায়ন করেছে ৪৪২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ৭৭৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা দিয়েছে সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওএফআইডি)।

চার লেনের এই ফ্লাইওভারে ওঠানামার জন্য ১৫টি র‌্যাম্প আছে। তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা, এফডিসি, মগবাজার, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, বাংলামটর, মগবাজার, মালিবাগ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং শান্তিনগর মোড়ে ওঠানামা করার ব্যবস্থা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অবশেষে মগবাজার-মালিবাগ ফ্লাইওভার খুলছে কাল

আপডেট সময় ০৪:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অবশেষে যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দেয়া হচ্ছে রাজধানীর মগবাজার-মৌচাক-মালিবাগ ফ্লাইওভার। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উড়ালসড়কের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভিডিও কনফারেন্সের সময় মৌচাক অংশ থাকবেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন ও রাজনৈতিক নেতারা। উদ্বোধনের পর কালই ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাছে উড়ালসড়ক হস্তান্তর করবে এলজিইডি।

উড়ালসড়কটি উন্মুক্ত করা হলে মৌচাক, মালিবাগ, বাংলামোটর, রাজারবাগ, শান্তিনগর, মগবাজার এলাকার যানজট অনেকটাই কমে যাবে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও উড়াল সড়কটির প্রকল্পের পরিচালক সুশান্ত কুমার পাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘উড়ালসড়কের নিচের সড়ক ও ফুটপাতের সংস্কারকাজও প্রায় শেষ।’ চার লেনের উড়ালসড়কটি ছয়টি মোড় অতিক্রম করেছে। এগুলো হলো সাতরাস্তা, বিএফডিসি, মগবাজার, মৌচাক, শান্তিনগর ও মালিবাগ মোড়। এর মধ্যে মগবাজার, মালিবাগ ও কারওয়ান বাজারে রেললাইন অতিক্রম করেছে এই উড়ালসড়ক প্রকল্প।

এলজিইডি সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রায় ৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সমন্বিত উড়ালসড়কটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই ফ্লাইওভার প্রকল্পটি ঢাকা শহরের স্ট্রাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানের (এসটিপি) অন্তর্ভুক্ত।

প্রথমে এই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরে নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যয় বাড়তে বাড়তে ১ হাজার ২১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার অর্থায়ন করেছে ৪৪২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ৭৭৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা দিয়েছে সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওএফআইডি)।

চার লেনের এই ফ্লাইওভারে ওঠানামার জন্য ১৫টি র‌্যাম্প আছে। তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা, এফডিসি, মগবাজার, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, বাংলামটর, মগবাজার, মালিবাগ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং শান্তিনগর মোড়ে ওঠানামা করার ব্যবস্থা রয়েছে।