অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
টানা বৃষ্টিতে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে পটুয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে ও উপচে ১৪টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে; অর্ধশত চরসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে ভেসে গেছে বহু পুকুর ও মাছের ঘের।
কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. তারেকুজ্জামান তারা বলেন, তার ইউনিয়নের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের চারিপাড়া ও পশরবুনিয়া পয়েন্ট দিয়ে পানি ঢুকে আট গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সেগুলো হল – লালুয়া, চারিপাড়া, নাওয়াপাড়া, পশরবুনিয়া, গাজীর খাল, বানাতিপাড়া, মুন্সিপাড়া ও ডঙ্কুপাড়া গ্রাম। এসব গ্রামে পানিতে তলিয়ে গেছে মাছের ঘের ও ফসলি জমি। বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে গ্রামগুলো প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দি রয়েছে।
এছাড়া মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুর পয়েন্ট দিয়ে পানি ঢুকে পাঁচ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। এসব গ্রামের মধ্যে রয়েছে নিজামপুর, কোমরপুর, সুধিরপুর, পুরান মহিপুর প্রভৃতি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায় পায়রা নদীর কালিকাপুর এলাকায় নদীভাঙনে সাত-আট মিটার বাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকেছে। তবে স্বাভাবিকের চেয়ে পানি বৃদ্ধি বেশি হলেও এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতের কারণে বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। নদী বন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলায় অভ্যন্তরীণ সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























