ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

যেকোনো মুহূর্তে পরমাণু যুদ্ধ বাধতে পারে: উত্তর কোরিয়া

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘে নিযুক্ত উত্তর কোরিয়ার উপরাষ্ট্রদূত কিম ইন-রিয়ং বলেছেন, কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়ে আগাম কিছু বলা যাচ্ছে না। যেকোনো মুহূর্তে পারমাণবিক যুদ্ধ বাধতে পারে। স্থানীয় সময় সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নিরস্ত্রীকরণ কমিটির কাছে কিম এমন আশঙ্কার কথা জানান।

উপরাষ্ট্রদূত বলেন, উত্তর কোরিয়াই একমাত্র দেশ, যেটি ১৯৭০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি পরমাণু হামলার হুমকির শিকার। এমন বাস্তবতায় আত্মরক্ষার্থে পরমাণু অস্ত্র রাখার অধিকার আছে উত্তর কোরিয়ার। কিম ইন-রিয়ং বলেন, প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘পরমাণু সামগ্রী’ নিয়ে বড় ধরনের সামরিক মহড়ার আয়োজন করা হয়। সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাপার হলো উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উনকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন অভিযান।

কিমের ভাষ্য, চলতি বছর উত্তর কোরিয়া রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তিতে পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করেছে। দেশটির কাছে এ মুহূর্তে বিভিন্ন পাল্লার (স্বল্প, মধ্যম ও দূর) পরমাণু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ও আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে।

‘যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের পুরোটা এখন আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার আওতায় আছে। আমাদের পবিত্র ভূমির একটি ইঞ্চিতেও আগ্রাসন চালানোর সাহস দেখালে বিশ্বের কোনো প্রান্তে গিয়ে নিদারুণ শাস্তি থেকে বাঁচতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র’, বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত উত্তর কোরিয়ার উপরাষ্ট্রদূত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা গুয়ামে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকির পর উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তিধর রাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধ তুঙ্গে ওঠে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা একের পর এক উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়ার ওপর কয়েক দফায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জাতিসংঘ। কিন্তু এর পরও উত্তর কোরিয়া বারবারই হামলা ও যুদ্ধ বাধার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

যেকোনো মুহূর্তে পরমাণু যুদ্ধ বাধতে পারে: উত্তর কোরিয়া

আপডেট সময় ০৩:১৯:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘে নিযুক্ত উত্তর কোরিয়ার উপরাষ্ট্রদূত কিম ইন-রিয়ং বলেছেন, কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়ে আগাম কিছু বলা যাচ্ছে না। যেকোনো মুহূর্তে পারমাণবিক যুদ্ধ বাধতে পারে। স্থানীয় সময় সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নিরস্ত্রীকরণ কমিটির কাছে কিম এমন আশঙ্কার কথা জানান।

উপরাষ্ট্রদূত বলেন, উত্তর কোরিয়াই একমাত্র দেশ, যেটি ১৯৭০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি পরমাণু হামলার হুমকির শিকার। এমন বাস্তবতায় আত্মরক্ষার্থে পরমাণু অস্ত্র রাখার অধিকার আছে উত্তর কোরিয়ার। কিম ইন-রিয়ং বলেন, প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘পরমাণু সামগ্রী’ নিয়ে বড় ধরনের সামরিক মহড়ার আয়োজন করা হয়। সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাপার হলো উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উনকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন অভিযান।

কিমের ভাষ্য, চলতি বছর উত্তর কোরিয়া রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তিতে পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করেছে। দেশটির কাছে এ মুহূর্তে বিভিন্ন পাল্লার (স্বল্প, মধ্যম ও দূর) পরমাণু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ও আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে।

‘যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের পুরোটা এখন আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার আওতায় আছে। আমাদের পবিত্র ভূমির একটি ইঞ্চিতেও আগ্রাসন চালানোর সাহস দেখালে বিশ্বের কোনো প্রান্তে গিয়ে নিদারুণ শাস্তি থেকে বাঁচতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র’, বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত উত্তর কোরিয়ার উপরাষ্ট্রদূত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা গুয়ামে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকির পর উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তিধর রাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধ তুঙ্গে ওঠে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা একের পর এক উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়ার ওপর কয়েক দফায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জাতিসংঘ। কিন্তু এর পরও উত্তর কোরিয়া বারবারই হামলা ও যুদ্ধ বাধার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।